ঢাকা ১২:০৬ অপরাহ্ন, শনিবার, ০৯ মে ২০২৬, ২৬ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম :
পূবাইলে ইয়াবাসহ দুই মাদক কারবারি গ্রেফতার, নগদ ১ লাখ ১৬ হাজার টাকা উদ্ধার। আইনজীবীদের পেশাগত দক্ষতা উন্নয়নে প্রশিক্ষণের বিকল্প নেই–খুলনায় আইন, বিচার ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রী। চিতলমারীতে দোকানিকে গলাকেটে হত্যা। চুয়াডাঙ্গার হায়দারপুরের সাইম ও তার পিতা আজিজুল হক স্বপনের বিরুদ্ধে গুরুতর অভিযোগ:থানায় অভিযোগ দায়ের। কুলিয়ারচরে প্রেমের সম্পর্ক থেকে ধর্ষন, আসামী গ্রেফতার। দত্তনগর কৃষি খামারের প্রাচীর নির্মাণে পুকুর চুরির অভিযোগ -পূণঃনির্মাণের দাবী। আলমডাঙ্গা তন্তবায় সমবায় সমিতির ৮০ লাখ টাকা অনিয়মতান্ত্রিকভাবে লুটপাট করার অভিযোগ। তিতুদহে বিপন্ন গন্ধগোকুলের পাঁচ বাচ্চাকে মায়ের কাছে ফিরিয়ে দিল পরিবেশবাদী সংগঠন। আলমডাঙ্গায় মাদক মামলার ৯ আসামীকে আটক করে করেছে থানা পুলিশ। ইকরতলী গাউছিয়া সুন্নিয়া দাখিল মাদ্রাসা: শিক্ষা ও মানবিকতার আলোয় বদলে যাচ্ছে একটি জনপদ।

প্রতারক চক্রের ২ সদস্যকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।

  • আপডেট সময় : ০৬:০৯:০৩ অপরাহ্ন, বুধবার, ৯ এপ্রিল ২০২৫ ২৯৭ বার পড়া হয়েছে

চুয়াডাঙ্গা প্রতিনিধি।
দর্শনায় আর্থিক লেনদেন সেবা বিকাশে প্রতারণার অভিযোগে প্রতারক চক্রের ২ সদস্যকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ বুধবার সন্ধ্যা ৬টায় প্রেস বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে এসব তথ্য নিশ্চিত করেন চুয়াডাঙ্গা পুলিশ সুপার খন্দকার গোলাম মওলা। এর আগে মঙ্গলবার রাতে বিকাশ প্রতারণার টাকা উত্তোলন করার সময় নগদ টাকা ও ৫টি মোবাইলফোনসহ তাদের গ্রেপ্তার করে পুলিশ।

গ্রেপ্তারকৃতরা হলেন, চুয়াডাঙ্গা দর্শনার দক্ষিণ চাঁদপুর স্কুলপাড়ার তাইজুল ইসলামের ছেলে তাকবির ইসলাম রিয়াদ ৩০ ও নাটোর জেলার লালপুর থানার মোহরকয়া হল্ট কয়লারডর গ্রামের মৃত জাবেদ সরদারের ছেলে স্বপন আলী হৃদয় ২৫
চুয়াডাঙ্গা পুলিশ সুপার খন্দকার গোলাম মওলা জানান, দর্শনার পুরাতন বাজারের ‘দোয়েল মেডিকেল হল’ নামক দোকানে আর্থিক লেনদেনের সময় প্রতারণার মাধ্যমে টাকা উত্তোলন করেন তাকবির ইসলাম রিয়াদ নামে এক যুবক। বিষয়টি জানতে পেরে দর্শনা থানা পুলিশের একটি দল তাৎক্ষণিকভাবে অভিযান চালিয়ে ঘটনাস্থল থেকে প্রতারক রিয়াদকে ২৫ হাজার টাকাসহ গ্রেপ্তার করে। পরে রিয়াদের ব্যবহৃত মোবাইল ফোন বিশ্লেষণ করে চক্রের মূলহোতা স্বপন আলী হৃদয়ের অবস্থান শনাক্ত করা হয়। পুলিশের বিশেষ অভিযানে রাত আনুমানিক দেড়টার দিকে দর্শনা আকন্দবাড়ীয়া রায়পাড়া এলাকা থেকে স্বপনকে গ্রেপ্তার করা হয়। গ্রেপ্তারের পর জিজ্ঞাসাবাদে স্বপন বিকাশ প্রতারণায় জড়িত থাকার কথা অকপটে স্বীকার করে। পাশাপাশি, তিনি প্রতারণার কৌশল ও সহযোগীদের নামও প্রকাশ করেন।

পুলিশ সুপার আরও জানান, প্রতারক চক্রটি দেশের বিভিন্ন অঞ্চল থেকে সাধারণ মানুষের কাছ থেকে প্রতারণার মাধ্যমে বিপুল পরিমাণ অর্থ হাতিয়ে নেয়। এই টাকা চক্রের সদস্য তাকবির ইসলাম রিয়াদের মাধ্যমে দর্শনা থানা এলাকার বিভিন্ন বিকাশ এজেন্টের মাধ্যমে নগদায়ন করা হতো। নগদায়নের পর রিয়াদ নিজের অংশ রেখে অবশিষ্ট টাকা মূলহোতা স্বপন আলী হৃদয়ের কাছে পাঠাতেন। গ্রেপ্তারকৃত দুই আসামির স্বীকারোক্তি অনুযায়ী, গত দুই মাসে তারা প্রায় ৫০ লাখ টাকারও বেশি প্রতারণার মাধ্যমে লেনদেন করেছেন।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য
ট্যাগস :

প্রতারক চক্রের ২ সদস্যকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।

আপডেট সময় : ০৬:০৯:০৩ অপরাহ্ন, বুধবার, ৯ এপ্রিল ২০২৫

চুয়াডাঙ্গা প্রতিনিধি।
দর্শনায় আর্থিক লেনদেন সেবা বিকাশে প্রতারণার অভিযোগে প্রতারক চক্রের ২ সদস্যকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ বুধবার সন্ধ্যা ৬টায় প্রেস বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে এসব তথ্য নিশ্চিত করেন চুয়াডাঙ্গা পুলিশ সুপার খন্দকার গোলাম মওলা। এর আগে মঙ্গলবার রাতে বিকাশ প্রতারণার টাকা উত্তোলন করার সময় নগদ টাকা ও ৫টি মোবাইলফোনসহ তাদের গ্রেপ্তার করে পুলিশ।

গ্রেপ্তারকৃতরা হলেন, চুয়াডাঙ্গা দর্শনার দক্ষিণ চাঁদপুর স্কুলপাড়ার তাইজুল ইসলামের ছেলে তাকবির ইসলাম রিয়াদ ৩০ ও নাটোর জেলার লালপুর থানার মোহরকয়া হল্ট কয়লারডর গ্রামের মৃত জাবেদ সরদারের ছেলে স্বপন আলী হৃদয় ২৫
চুয়াডাঙ্গা পুলিশ সুপার খন্দকার গোলাম মওলা জানান, দর্শনার পুরাতন বাজারের ‘দোয়েল মেডিকেল হল’ নামক দোকানে আর্থিক লেনদেনের সময় প্রতারণার মাধ্যমে টাকা উত্তোলন করেন তাকবির ইসলাম রিয়াদ নামে এক যুবক। বিষয়টি জানতে পেরে দর্শনা থানা পুলিশের একটি দল তাৎক্ষণিকভাবে অভিযান চালিয়ে ঘটনাস্থল থেকে প্রতারক রিয়াদকে ২৫ হাজার টাকাসহ গ্রেপ্তার করে। পরে রিয়াদের ব্যবহৃত মোবাইল ফোন বিশ্লেষণ করে চক্রের মূলহোতা স্বপন আলী হৃদয়ের অবস্থান শনাক্ত করা হয়। পুলিশের বিশেষ অভিযানে রাত আনুমানিক দেড়টার দিকে দর্শনা আকন্দবাড়ীয়া রায়পাড়া এলাকা থেকে স্বপনকে গ্রেপ্তার করা হয়। গ্রেপ্তারের পর জিজ্ঞাসাবাদে স্বপন বিকাশ প্রতারণায় জড়িত থাকার কথা অকপটে স্বীকার করে। পাশাপাশি, তিনি প্রতারণার কৌশল ও সহযোগীদের নামও প্রকাশ করেন।

পুলিশ সুপার আরও জানান, প্রতারক চক্রটি দেশের বিভিন্ন অঞ্চল থেকে সাধারণ মানুষের কাছ থেকে প্রতারণার মাধ্যমে বিপুল পরিমাণ অর্থ হাতিয়ে নেয়। এই টাকা চক্রের সদস্য তাকবির ইসলাম রিয়াদের মাধ্যমে দর্শনা থানা এলাকার বিভিন্ন বিকাশ এজেন্টের মাধ্যমে নগদায়ন করা হতো। নগদায়নের পর রিয়াদ নিজের অংশ রেখে অবশিষ্ট টাকা মূলহোতা স্বপন আলী হৃদয়ের কাছে পাঠাতেন। গ্রেপ্তারকৃত দুই আসামির স্বীকারোক্তি অনুযায়ী, গত দুই মাসে তারা প্রায় ৫০ লাখ টাকারও বেশি প্রতারণার মাধ্যমে লেনদেন করেছেন।