ঢাকা ০৩:৫২ অপরাহ্ন, রবিবার, ০৩ মে ২০২৬, ২০ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম :
তিতুদহ এলাকায় বন্য খরগোশ শিকার ও হত্যার দায়ে ৪ জনকে মোবাইল কোর্টের মাধ্যমে দেয়া হয় ১০ দিনের বিনাশ্রম দন্ড। দেশের উন্নয়নে শ্রমিকদের ভূমিকা অগ্রগন্য -প্রতিমন্ত্রী শরিফুল আলম। প্রতিটি কর্মক্ষেত্র শ্রমিকদের ন্যায্য অধিকার প্রতিষ্ঠিত করতে হবে। ব্যারিস্টার নাজবুর রহমান মোমেন এমপি তিতুদহ এলাকায় বন্য খরগোশ শিকার ও হত্যার দায়ে ৪ জনকে মোবাইল কোর্টের মাধ্যমে দেয়া হয় ১০ দিনের বিনাশ্রম দন্ড। চাঁপাইনবাবগঞ্জে সরকারি চাকুরি দেওয়ার নামে ১৪ লক্ষ টাকা আত্মসাৎ করার প্রতিবাদে সংবাদ সম্মেলন। গাংনী উপজেলা সাব- রেজিষ্ট্রি অফিস যেনো এক ঘুষ,দূর্নীতি ও হয়রানীর আঁকড়া।সাব রেজিষ্ট্রার নাইমা ইসলামকে অপসারণের দাবী। দামুড়হুদায় নিউ মডার্ন পরিবহন নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে দূর্ঘটনার কবলে।। চুয়াডাঙ্গায় ডিএনসি র মাদক বিরোধী অভিযান জোরদার।আরো কয়েকজনকে মোবাইল কোর্টে জেল জরিমানা। আলমডাঙ্গার আলোচিত ৪ ইউপি চেয়ারম্যান অবশেষে হারানো পদ ফিরে পাচ্ছেন। চুয়াডাঙ্গায় ভাড়া বাড়িতে মিলল তরুণীর ঝুলন্ত মরদেহ,উদ্ধার

তিতুদহ এলাকায় বন্য খরগোশ শিকার ও হত্যার দায়ে ৪ জনকে মোবাইল কোর্টের মাধ্যমে দেয়া হয় ১০ দিনের বিনাশ্রম দন্ড।

Sapla News
  • আপডেট সময় : ০৪:০৬:২০ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ৩ মে ২০২৬ ৭৮ বার পড়া হয়েছে

 

চুয়াডাঙ্গা প্রতিনিধিঃ

বন্য খরগোশ শিকার ও হত্যার দায়ে ০৪ জন কে মোবাইল কোর্ট এর মাধ্যমে ১০ দিনের বিনাশ্রম কারাদণ্ড দেওয়া হয়।
দন্ডপ্রাপ্তরা হলেন উজ্জল কুমার বিশ্বাস পিতা মনোরঞ্জন সাং সাধুহাটি,ঝিনাইদহ। সাদগার আলী পিতা মৃত তোয়াজ আলী, সাং এনায়তপুর, সাধুহাটি, ঝিনাইদহ, শুকুমার মন্ডল ৩৫, পিতা সাধুমন্ডল, সাং এনায়েতপুর সাধুহাটি, ঝিনাইদহ, সুধাংশু কুমার বিশ্বাস পিতা মোহন কুমার বিশ্বাস সাং এনায়েতপুর সাধুহাটি, ঝিনাইদহ।
মোবাইল কোর্ট টি পরিচালনা করেন জনাব আমিনুল ইসলাম সহকারী কমিশনার( ভূমি), চুয়াডাঙ্গা সদর.।
এর আগে অদ্য বিকাল ৪ :০০ ঘটিকায় বাংলাদেশ ওয়াইল্ডলাইফ এন্ড নেচার ইনিশিয়েটিভ এর সভাপতি ও বড় সলুয়া নিউ মডেল ডিগ্রি কলেজ এর প্রাণিবিদ্যার প্রভাষক আহসান হাবীব শিপলু কাছে সংবাদ আসে ১৬ জনের শিকারীর দল তিতুদহ ইউনিয়নের কেরু এন্ড কোং মাঠে বন্য খরগোশ শিকার করছে। পরবর্তীতে সংগঠনের সদস্যরা ঘটনাস্থলে উপস্থিত হয় এবং সত্যতা পান।
পরক্ষনে চুয়াডাঙ্গা সদর বন কর্মকর্তা জনাব আবুল খায়ের আতা এলাহী কে বিষয়টি অবহিত করা হয়।
সভাপতি বলে ঘটনাস্থলে আমাদের উপস্থিতি টের পেয়ে অধিকাংশ শিকারী সটকে যান। পরবর্তীতে বন বিভাগ ও চুয়াডাঙ্গা সদর উপজেলার সহকারী কমিশনার ভূমি কে অবহিত করি। কিছুক্ষনের মধ্যে সকলে উপস্থিত হয়ে সরকারি আদেশ অমান্য করে বন্যপ্রাণী শিকারের দ্বায়ে আটকৃত ০৪ জন শিকারীকে মোবাইল কোর্ট এর মাধ্যমে ১০ দিনের বিনাশ্রম কারাদণ্ড দেওয়া হয়। জীবিত উদ্ধারকৃত ০৫ টি খরগোশ কে প্রাথমিক চিকিৎসা শেষে স্ব স্থানে অবমুক্ত করা হয়।
এসময় তিতুদহ পুলিশ ফাড়ির ইনচার্জসহ পুলিশ টিম উপস্থিত ছিলেন।
যে কোন বন্যপ্রাণী হত্যা, ক্রয়-বিক্র‍য়, পাচার, আটক আইনত দন্ডনিয় অপরাধ। আমাদের জেলার কেরু এন্ড কোং মাঠে প্রাকৃতিক রত্ন বন্য খরগোশ দেখা পাওয়া যায়। আমাদের সংগঠন প্রতিনিয়ত বন্যপ্রাণী সংরক্ষণে প্রচার প্রচারণা জেলাব্যাপি করে আসছি কিন্তু তারপরও কিছু অসাধু শিকারীর দল নির্মমভাবে এই বিপন্ন খরগোশ গুলো শিকার করে। আমরা আশা করি বন্যপ্রাণী সংরক্ষণ ও নিরাপত্তা আইন ২০২৬ এই কর্মকাণ্ডলো কে অনেক প্রশমিত করবে।
এসময় সংগঠনের সদস্য হাসানুজ্জামান রিগান, বায়জিদ, রিয়াজ উদ্দীন, সাহাবুল সহ স্থানীয় গম্যমান ব্যক্তিবর্গ উপস্থিত ছিলেন।
সকলে এই কাজের ভূয়সী প্রশংসা করেন।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

ট্যাগস :

তিতুদহ এলাকায় বন্য খরগোশ শিকার ও হত্যার দায়ে ৪ জনকে মোবাইল কোর্টের মাধ্যমে দেয়া হয় ১০ দিনের বিনাশ্রম দন্ড।

আপডেট সময় : ০৪:০৬:২০ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ৩ মে ২০২৬

 

চুয়াডাঙ্গা প্রতিনিধিঃ

বন্য খরগোশ শিকার ও হত্যার দায়ে ০৪ জন কে মোবাইল কোর্ট এর মাধ্যমে ১০ দিনের বিনাশ্রম কারাদণ্ড দেওয়া হয়।
দন্ডপ্রাপ্তরা হলেন উজ্জল কুমার বিশ্বাস পিতা মনোরঞ্জন সাং সাধুহাটি,ঝিনাইদহ। সাদগার আলী পিতা মৃত তোয়াজ আলী, সাং এনায়তপুর, সাধুহাটি, ঝিনাইদহ, শুকুমার মন্ডল ৩৫, পিতা সাধুমন্ডল, সাং এনায়েতপুর সাধুহাটি, ঝিনাইদহ, সুধাংশু কুমার বিশ্বাস পিতা মোহন কুমার বিশ্বাস সাং এনায়েতপুর সাধুহাটি, ঝিনাইদহ।
মোবাইল কোর্ট টি পরিচালনা করেন জনাব আমিনুল ইসলাম সহকারী কমিশনার( ভূমি), চুয়াডাঙ্গা সদর.।
এর আগে অদ্য বিকাল ৪ :০০ ঘটিকায় বাংলাদেশ ওয়াইল্ডলাইফ এন্ড নেচার ইনিশিয়েটিভ এর সভাপতি ও বড় সলুয়া নিউ মডেল ডিগ্রি কলেজ এর প্রাণিবিদ্যার প্রভাষক আহসান হাবীব শিপলু কাছে সংবাদ আসে ১৬ জনের শিকারীর দল তিতুদহ ইউনিয়নের কেরু এন্ড কোং মাঠে বন্য খরগোশ শিকার করছে। পরবর্তীতে সংগঠনের সদস্যরা ঘটনাস্থলে উপস্থিত হয় এবং সত্যতা পান।
পরক্ষনে চুয়াডাঙ্গা সদর বন কর্মকর্তা জনাব আবুল খায়ের আতা এলাহী কে বিষয়টি অবহিত করা হয়।
সভাপতি বলে ঘটনাস্থলে আমাদের উপস্থিতি টের পেয়ে অধিকাংশ শিকারী সটকে যান। পরবর্তীতে বন বিভাগ ও চুয়াডাঙ্গা সদর উপজেলার সহকারী কমিশনার ভূমি কে অবহিত করি। কিছুক্ষনের মধ্যে সকলে উপস্থিত হয়ে সরকারি আদেশ অমান্য করে বন্যপ্রাণী শিকারের দ্বায়ে আটকৃত ০৪ জন শিকারীকে মোবাইল কোর্ট এর মাধ্যমে ১০ দিনের বিনাশ্রম কারাদণ্ড দেওয়া হয়। জীবিত উদ্ধারকৃত ০৫ টি খরগোশ কে প্রাথমিক চিকিৎসা শেষে স্ব স্থানে অবমুক্ত করা হয়।
এসময় তিতুদহ পুলিশ ফাড়ির ইনচার্জসহ পুলিশ টিম উপস্থিত ছিলেন।
যে কোন বন্যপ্রাণী হত্যা, ক্রয়-বিক্র‍য়, পাচার, আটক আইনত দন্ডনিয় অপরাধ। আমাদের জেলার কেরু এন্ড কোং মাঠে প্রাকৃতিক রত্ন বন্য খরগোশ দেখা পাওয়া যায়। আমাদের সংগঠন প্রতিনিয়ত বন্যপ্রাণী সংরক্ষণে প্রচার প্রচারণা জেলাব্যাপি করে আসছি কিন্তু তারপরও কিছু অসাধু শিকারীর দল নির্মমভাবে এই বিপন্ন খরগোশ গুলো শিকার করে। আমরা আশা করি বন্যপ্রাণী সংরক্ষণ ও নিরাপত্তা আইন ২০২৬ এই কর্মকাণ্ডলো কে অনেক প্রশমিত করবে।
এসময় সংগঠনের সদস্য হাসানুজ্জামান রিগান, বায়জিদ, রিয়াজ উদ্দীন, সাহাবুল সহ স্থানীয় গম্যমান ব্যক্তিবর্গ উপস্থিত ছিলেন।
সকলে এই কাজের ভূয়সী প্রশংসা করেন।