ঢাকা ০২:০১ অপরাহ্ন, শনিবার, ০৯ মে ২০২৬, ২৬ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম :
পূবাইলে ইয়াবাসহ দুই মাদক কারবারি গ্রেফতার, নগদ ১ লাখ ১৬ হাজার টাকা উদ্ধার। আইনজীবীদের পেশাগত দক্ষতা উন্নয়নে প্রশিক্ষণের বিকল্প নেই–খুলনায় আইন, বিচার ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রী। চিতলমারীতে দোকানিকে গলাকেটে হত্যা। চুয়াডাঙ্গার হায়দারপুরের সাইম ও তার পিতা আজিজুল হক স্বপনের বিরুদ্ধে গুরুতর অভিযোগ:থানায় অভিযোগ দায়ের। কুলিয়ারচরে প্রেমের সম্পর্ক থেকে ধর্ষন, আসামী গ্রেফতার। দত্তনগর কৃষি খামারের প্রাচীর নির্মাণে পুকুর চুরির অভিযোগ -পূণঃনির্মাণের দাবী। আলমডাঙ্গা তন্তবায় সমবায় সমিতির ৮০ লাখ টাকা অনিয়মতান্ত্রিকভাবে লুটপাট করার অভিযোগ। তিতুদহে বিপন্ন গন্ধগোকুলের পাঁচ বাচ্চাকে মায়ের কাছে ফিরিয়ে দিল পরিবেশবাদী সংগঠন। আলমডাঙ্গায় মাদক মামলার ৯ আসামীকে আটক করে করেছে থানা পুলিশ। ইকরতলী গাউছিয়া সুন্নিয়া দাখিল মাদ্রাসা: শিক্ষা ও মানবিকতার আলোয় বদলে যাচ্ছে একটি জনপদ।

চুয়াডাঙ্গায় চলছে প্রশাসনের নাকের ডগাই অনলাইনে মাদকের কারবার।

Sapla News
  • আপডেট সময় : ০২:১৪:১০ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৬ ফেব্রুয়ারী ২০২৬ ১১২ বার পড়া হয়েছে

 

ভ্রাম্যমান প্রতিনিধিঃ
চুয়াডাঙ্গা জেলা শহর দীর্ঘ্যদিন ধরে মাদকের স্বর্গরাজ্য নামে খ্যাত।স্বাধীনতার ৫৪ বছর পরও এ শহর থেকে মাদক নির্মুল করা সম্ভব হয়নি।রাজনৈতিকদের স্বদিচ্ছা না থাকায় দিন দিন মাদকের ব্যবহার বেপরোয়া গতি লাভ করেছে।সচেতন অভিভাবকরা তাদের সন্তানদের মাদকাসক্ত থেকে ফেরাতে চায়।কিন্তু কোন উপায় যে নাই।
এবার, চুয়াডাঙ্গা-১ আসনের সংসদ সদস্য অ্যাড মাসুদ পারভেজ রাসেল’র কঠোর মাদক বিরোধী অবস্হান শহর বাসীকে আশান্বিত করেছে।অনেকেই জানিয়েছে,এবার কি আমরা মাদক নিয়ন্ত্রণ মুক্ত শহর পাচ্ছি? অনুসন্ধানী প্রতিবেদনে উঠে এসেছে চুয়াডাঙ্গা জেলা শহরের মাদকের বিকিকিনি র চিত্র।
অনুসন্ধানকালে দেখা যায়, “শহরের বড়বাজার এলাকায় ” অনলাইন মাদক কারবার” বিদ্যমান।পুজাতলা থেকে দৌলৎদিয়াড় তাঁরা মসজিদ পর্যন্ত ২২ টি স্পটে অভিনব কায়দায় দীর্ঘ্যদিন ধরে ট্যাপেন্ডা,ফেঁনসিডিল,ইয়াবা বিকিকিনি করা হয়। বেশির ভাগ শহরে কতিপয় “অটোচালকরা মাদক সেলসম্যান হিসেবে জড়িত।মুল ডিলার বিভিন্ন মাদকাসক্তদের সাথে মোবাইল ফোনে যোগাযোগ করে নির্দিষ্ট কিছু অটোচালকদের মাধ্যমে মাদক পৌছে দিয়ে থাকে।যা সাধারণতঃ সন্দেহের বাইরে থাকে।
অনুসন্ধান কালে জানতে পারে, শহরের পুজাতলা পাড়ার মৃত, রাজ্জাকের ছেলে বাসার(৫০) ও তার স্ত্রী মিলে অনলাইন মাদক কারবার করে থাকে।এতে সেলসম্যান হিসেবে কাজ করে কয়েকজন অটোচালক।যারা শহরে ভাড়া মারার সাথে সাথে রুট বাই রুট ট্যাপেন্ডো পৌছে দেয়।
একই পাড়ার রিকন (৪২) ইয়াবা’র মূল ডিলার হয়ে অনলাইনে যোগাযোগের পর তার শ্যালকরা যথাক্রমে রবিন,রুবেল,রিমন,নূরু,আফজাল ও মুকতাজের ছেলে সাদিদ সেলসম্যান হিসেবে কাজ করে।এরা বেশির ভাগ বড় বাজার মাথাভাঙ্গা ব্রিজের আশেপাশে থেকে বিনিময় করে থাকে এবং মল্লিক পাড়ার রানা-আবজাল,উত্তম-আসলাম দীর্ঘ্যদিন ধরে ফেন্সিডিলের ব্যবসা করে থাকে।এটাও বিভিন্ন অটোচালক কিংবা পাখিভ্যান চালকদের মাধ্যমে ক্রেতাদের কাছে পৌছে দেয়।#

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

ট্যাগস :

চুয়াডাঙ্গায় চলছে প্রশাসনের নাকের ডগাই অনলাইনে মাদকের কারবার।

আপডেট সময় : ০২:১৪:১০ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৬ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

 

ভ্রাম্যমান প্রতিনিধিঃ
চুয়াডাঙ্গা জেলা শহর দীর্ঘ্যদিন ধরে মাদকের স্বর্গরাজ্য নামে খ্যাত।স্বাধীনতার ৫৪ বছর পরও এ শহর থেকে মাদক নির্মুল করা সম্ভব হয়নি।রাজনৈতিকদের স্বদিচ্ছা না থাকায় দিন দিন মাদকের ব্যবহার বেপরোয়া গতি লাভ করেছে।সচেতন অভিভাবকরা তাদের সন্তানদের মাদকাসক্ত থেকে ফেরাতে চায়।কিন্তু কোন উপায় যে নাই।
এবার, চুয়াডাঙ্গা-১ আসনের সংসদ সদস্য অ্যাড মাসুদ পারভেজ রাসেল’র কঠোর মাদক বিরোধী অবস্হান শহর বাসীকে আশান্বিত করেছে।অনেকেই জানিয়েছে,এবার কি আমরা মাদক নিয়ন্ত্রণ মুক্ত শহর পাচ্ছি? অনুসন্ধানী প্রতিবেদনে উঠে এসেছে চুয়াডাঙ্গা জেলা শহরের মাদকের বিকিকিনি র চিত্র।
অনুসন্ধানকালে দেখা যায়, “শহরের বড়বাজার এলাকায় ” অনলাইন মাদক কারবার” বিদ্যমান।পুজাতলা থেকে দৌলৎদিয়াড় তাঁরা মসজিদ পর্যন্ত ২২ টি স্পটে অভিনব কায়দায় দীর্ঘ্যদিন ধরে ট্যাপেন্ডা,ফেঁনসিডিল,ইয়াবা বিকিকিনি করা হয়। বেশির ভাগ শহরে কতিপয় “অটোচালকরা মাদক সেলসম্যান হিসেবে জড়িত।মুল ডিলার বিভিন্ন মাদকাসক্তদের সাথে মোবাইল ফোনে যোগাযোগ করে নির্দিষ্ট কিছু অটোচালকদের মাধ্যমে মাদক পৌছে দিয়ে থাকে।যা সাধারণতঃ সন্দেহের বাইরে থাকে।
অনুসন্ধান কালে জানতে পারে, শহরের পুজাতলা পাড়ার মৃত, রাজ্জাকের ছেলে বাসার(৫০) ও তার স্ত্রী মিলে অনলাইন মাদক কারবার করে থাকে।এতে সেলসম্যান হিসেবে কাজ করে কয়েকজন অটোচালক।যারা শহরে ভাড়া মারার সাথে সাথে রুট বাই রুট ট্যাপেন্ডো পৌছে দেয়।
একই পাড়ার রিকন (৪২) ইয়াবা’র মূল ডিলার হয়ে অনলাইনে যোগাযোগের পর তার শ্যালকরা যথাক্রমে রবিন,রুবেল,রিমন,নূরু,আফজাল ও মুকতাজের ছেলে সাদিদ সেলসম্যান হিসেবে কাজ করে।এরা বেশির ভাগ বড় বাজার মাথাভাঙ্গা ব্রিজের আশেপাশে থেকে বিনিময় করে থাকে এবং মল্লিক পাড়ার রানা-আবজাল,উত্তম-আসলাম দীর্ঘ্যদিন ধরে ফেন্সিডিলের ব্যবসা করে থাকে।এটাও বিভিন্ন অটোচালক কিংবা পাখিভ্যান চালকদের মাধ্যমে ক্রেতাদের কাছে পৌছে দেয়।#