ঢাকা ০৪:৩৬ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৩ মার্চ ২০২৬, ৯ চৈত্র ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম :
প্রেসক্লাব গংগাচড়ার দপ্তর ও প্রচার সম্পাদক পদ থেকে সাংবাদিক আব্দুস সালামের স্বেচ্ছায় পদত্যাগ। মির্জাখীলসহ চট্টগ্রামের অর্ধশতাধিক গ্রামে ঈদ উদযাপন। চুয়াডাঙ্গায় সাংবাদিকদের সাথে নবনিযুক্ত পুলিশ সুপারের মতবিনিময়: অপরাধমুক্ত জনপদ গড়ার প্রত্যয় চুয়াডাঙ্গায় ডিবি পুলিশের সাঁড়াশি অভিযান: বিপুল পরিমাণ ভারতীয় মাদকসহ গ্রেপ্তার ১, পলাতক ২ ডিঙ্গেদহ সোহরা ওয়ার্দ্দী স্মরণী বিদ্যাপিঠে মিলন সংঘ’র ইফতার পার্টি অনুষ্ঠিত।। শ্রীবরদীতে গণমাধ্যম কর্মীদের ইফতার ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত হয় । চবি’র সাবেক ভিসি অধ্যাপক আনোয়ারুল আজিম আরিফের ইন্তেকাল চুয়াডাঙ্গায় জামায়াতের ৩৮ জন নারী-পুরুষ রুকন শপথ নিলেন। লাউয়ের পাতা সিন্ধ করে,ইফতারি করছে পরিবারটি! শুধু পানি খেয়ে রোজা রাখছে তারা! । কক্সবাজার চকরিয়ায় পুলিশের অভিযানে ডাকাতির প্রস্তুতিকালে অস্ত্রসহ ৪ জন আটক।

চাকরি ফেরত পাওয়ার দাবিতে চুয়াডাঙ্গায় চাকরিচ্যুত বিডিআর সদস্যদের বিক্ষোভ ও স্মারকলিপি

  • আপডেট সময় : ১২:১০:০৫ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৭ নভেম্বর ২০২৪ ১৭৭ বার পড়া হয়েছে

শাপলা নিউজ ডেক্স : চাকরি ফেরত পাওয়ার দাবিতে চুয়াডাঙ্গায় বিক্ষোভ মিছিল ও স্মারকলিপি প্রদান করেছেন পিলখানা হত্যাকান্ডে চাকরিচ্যুত বিডিআর সদস্যরা। বুধবার সকাল সাড়ে ১১টায় প্রধান উপদেষ্টা বরাবর একটি স্মারকলিপি জেলা প্রশাসকের মাধ্যমে প্রদান করা হয়। জানা গেছে, আওয়ামী সরকার আমলে ঢাকার পিলখানায় বিডিআর বিদ্রোহের ঘটনায় সেনাবাহিনীর কয়েকজন অফিসারকে হত্যা করা হয়। ওই সময় অনেক বিডিআর সদস্যকে অভিযুক্ত করে বিচারের আওতায় আনা হয়। এ ঘটনায় চুয়াডাঙ্গার বেশ কয়েকজন বিডিআর সদস্যরা চাকরি হারান। বুধবার চুয়াডাঙ্গার চাকুরিচ্যুত বিডিআর সদস্যরা জেলা প্রশাসকের মাধ্যমে প্রধান উপদেষ্টা বরাবর একটি স্মারকলিপি প্রদান করেন। স্মারকলিপি প্রদান শেষে তারা বিক্ষোভ মিছিল সহকারে শহরের প্রধান প্রধান সড়ক প্রদক্ষিণ করে পুনরায় জেলা প্রশাসক কার্যালয়ের সামনে সংক্ষিপ্ত সমাবেশ করে। স্মারকলিপিতে তারা উল্লেখ করেছেন, ‘বিগত ২৫/২৬ ফেব্রুয়ারি ২০০৯ তারিখে পিলখানাসহ সারাদেশের ইউনিটসমূহে যে অনাকাঙ্খিত ঘটনা ঘটেছিলো তা তৎকালীন খুনি হাসিনার চক্রান্তে এবং ভারতীয় ‘র’ বাহিনী দ্বারা ঘটিয়ে তার পিতার হত্যার প্রতিশোধ নিয়েছিলো। তার প্রতিদানে পিলখানাসহ সকল ইউনিট সমূহে অবৈধ আদালত স্থাপন করে। সেই আদালতে ছিলোনা আমাদের বাক স্বাধীনতা, কোন আইনজীবি নিয়োগ দেয়াও নিষেধ ছিলো। এমনকি যিনি বিচারক তিনিই ছিলেন শাস্তিদাতা। যা পৃথিবীর কোন দেশেও হয়তো এমন নিয়ম নেই। আমরা অত্যন্ত অসহায় হয়ে পড়েছি। সারা দেশে প্রায় ১৮ হাজার ক্ষতিগ্রস্থ বিডিআর সদস্য রয়েছেন। আমাদের দ্বারা টেকনাফ হতে তেঁতুলিয়া পর্যন্ত রাষ্ট্র কিংবা সমাজের কোন ক্ষতি হয়নি। আপনি আমাদের একমাত্র অভিভাবক, আমাদের জরাজীর্ন সংসার জীবনের দিকে আপনার সুমহান দৃষ্টি দিয়ে ওই অবৈধ আদালত বিলুপ্ত ঘোষণা পূর্বক পুনরায় আমাদের চাকরীতে যোগদানের ব্যবস্থা করার জন্য অতি বিনয়ের সহিত আবেদন করছি। বিক্ষোভ মিছিল ও স্মারকলিপি প্রদানকালে চাকুরিচ্যুত বিডিআর সদস্য ও তাদের পরিবারের সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য
ট্যাগস :

চাকরি ফেরত পাওয়ার দাবিতে চুয়াডাঙ্গায় চাকরিচ্যুত বিডিআর সদস্যদের বিক্ষোভ ও স্মারকলিপি

আপডেট সময় : ১২:১০:০৫ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৭ নভেম্বর ২০২৪

শাপলা নিউজ ডেক্স : চাকরি ফেরত পাওয়ার দাবিতে চুয়াডাঙ্গায় বিক্ষোভ মিছিল ও স্মারকলিপি প্রদান করেছেন পিলখানা হত্যাকান্ডে চাকরিচ্যুত বিডিআর সদস্যরা। বুধবার সকাল সাড়ে ১১টায় প্রধান উপদেষ্টা বরাবর একটি স্মারকলিপি জেলা প্রশাসকের মাধ্যমে প্রদান করা হয়। জানা গেছে, আওয়ামী সরকার আমলে ঢাকার পিলখানায় বিডিআর বিদ্রোহের ঘটনায় সেনাবাহিনীর কয়েকজন অফিসারকে হত্যা করা হয়। ওই সময় অনেক বিডিআর সদস্যকে অভিযুক্ত করে বিচারের আওতায় আনা হয়। এ ঘটনায় চুয়াডাঙ্গার বেশ কয়েকজন বিডিআর সদস্যরা চাকরি হারান। বুধবার চুয়াডাঙ্গার চাকুরিচ্যুত বিডিআর সদস্যরা জেলা প্রশাসকের মাধ্যমে প্রধান উপদেষ্টা বরাবর একটি স্মারকলিপি প্রদান করেন। স্মারকলিপি প্রদান শেষে তারা বিক্ষোভ মিছিল সহকারে শহরের প্রধান প্রধান সড়ক প্রদক্ষিণ করে পুনরায় জেলা প্রশাসক কার্যালয়ের সামনে সংক্ষিপ্ত সমাবেশ করে। স্মারকলিপিতে তারা উল্লেখ করেছেন, ‘বিগত ২৫/২৬ ফেব্রুয়ারি ২০০৯ তারিখে পিলখানাসহ সারাদেশের ইউনিটসমূহে যে অনাকাঙ্খিত ঘটনা ঘটেছিলো তা তৎকালীন খুনি হাসিনার চক্রান্তে এবং ভারতীয় ‘র’ বাহিনী দ্বারা ঘটিয়ে তার পিতার হত্যার প্রতিশোধ নিয়েছিলো। তার প্রতিদানে পিলখানাসহ সকল ইউনিট সমূহে অবৈধ আদালত স্থাপন করে। সেই আদালতে ছিলোনা আমাদের বাক স্বাধীনতা, কোন আইনজীবি নিয়োগ দেয়াও নিষেধ ছিলো। এমনকি যিনি বিচারক তিনিই ছিলেন শাস্তিদাতা। যা পৃথিবীর কোন দেশেও হয়তো এমন নিয়ম নেই। আমরা অত্যন্ত অসহায় হয়ে পড়েছি। সারা দেশে প্রায় ১৮ হাজার ক্ষতিগ্রস্থ বিডিআর সদস্য রয়েছেন। আমাদের দ্বারা টেকনাফ হতে তেঁতুলিয়া পর্যন্ত রাষ্ট্র কিংবা সমাজের কোন ক্ষতি হয়নি। আপনি আমাদের একমাত্র অভিভাবক, আমাদের জরাজীর্ন সংসার জীবনের দিকে আপনার সুমহান দৃষ্টি দিয়ে ওই অবৈধ আদালত বিলুপ্ত ঘোষণা পূর্বক পুনরায় আমাদের চাকরীতে যোগদানের ব্যবস্থা করার জন্য অতি বিনয়ের সহিত আবেদন করছি। বিক্ষোভ মিছিল ও স্মারকলিপি প্রদানকালে চাকুরিচ্যুত বিডিআর সদস্য ও তাদের পরিবারের সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন।