ঢাকা ১০:২২ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৩ মার্চ ২০২৬, ৯ চৈত্র ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম :
প্রেসক্লাব গংগাচড়ার দপ্তর ও প্রচার সম্পাদক পদ থেকে সাংবাদিক আব্দুস সালামের স্বেচ্ছায় পদত্যাগ। মির্জাখীলসহ চট্টগ্রামের অর্ধশতাধিক গ্রামে ঈদ উদযাপন। চুয়াডাঙ্গায় সাংবাদিকদের সাথে নবনিযুক্ত পুলিশ সুপারের মতবিনিময়: অপরাধমুক্ত জনপদ গড়ার প্রত্যয় চুয়াডাঙ্গায় ডিবি পুলিশের সাঁড়াশি অভিযান: বিপুল পরিমাণ ভারতীয় মাদকসহ গ্রেপ্তার ১, পলাতক ২ ডিঙ্গেদহ সোহরা ওয়ার্দ্দী স্মরণী বিদ্যাপিঠে মিলন সংঘ’র ইফতার পার্টি অনুষ্ঠিত।। শ্রীবরদীতে গণমাধ্যম কর্মীদের ইফতার ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত হয় । চবি’র সাবেক ভিসি অধ্যাপক আনোয়ারুল আজিম আরিফের ইন্তেকাল চুয়াডাঙ্গায় জামায়াতের ৩৮ জন নারী-পুরুষ রুকন শপথ নিলেন। লাউয়ের পাতা সিন্ধ করে,ইফতারি করছে পরিবারটি! শুধু পানি খেয়ে রোজা রাখছে তারা! । কক্সবাজার চকরিয়ায় পুলিশের অভিযানে ডাকাতির প্রস্তুতিকালে অস্ত্রসহ ৪ জন আটক।

সাংবাদিকের বিরুদ্ধে মিথ্যা অভিযোগের প্রতিবাদে গাজিপুরে মানববন্ধন

  • আপডেট সময় : ১০:৫৩:৩৯ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ৪ মে ২০২৫ ৪৭৯ বার পড়া হয়েছে

স্টাফ রিপোর্টার।
গজীপুরের পূবাইল এলাকার ভুয়া মুক্তিযোদ্ধা আব্দুর রউফ সরকারের বিরুদ্ধে সংবাদ প্রকাশ করায় আনন্দ টিভির গাজীপুর জেলা প্রতিনিধি সাংবাদিক শাকিলের বিরুদ্ধে উদ্দেশ্যপ্রণোদিত ও ষড়যন্ত্রমূলক মিথ্যা অভিযোগ দায়েরের প্রতিবাদে ও মিথ্যা অভিযোগ প্রত্যাহার এবং অপপ্রচার কারীদের দৃষ্টান্তমূলক শান্তি দাবি জানিয়ে গাজীপুর জেলা প্রশাসক কার্যালয়ের সামনে মানববন্ধন ও স্মারকলিপি প্রদান করেছেন স্থানীয় সাংবাদিকরা।

রোববার সকাল সাড়ে ১০ টায় এই মানববন্ধন গাজীপুর জেলা প্রশাসক কার্যালয়ের সামনে অনুষ্ঠিত হয়। সাংবাদিকরা এই মিথ্যা অভিযোগের তীব্র নিন্দা ও ক্ষোভ প্রকাশ করেন। তারা এই ঘটনাকে মুক্ত গণমাধ্যম, স্বাধীন মত প্রকাশ এবং সত্যনিষ্ঠ অনুসন্ধানী সাংবাদিকতার ওপর সরাসরি আঘাত হিসেবে মন্তব্য করেন। মানববন্ধনে সাংবাদিকরা বলেন, সাংবাদিক শাকিল একজন পেশাদার ও সাহসী কলম সৈনিক। সম্প্রতি তিনি পূবাইলসহ গাজীপুর অঞ্চলের বিভিন্ন অপরাধ, অনিয়ম ও দুর্নীতির চিত্র তার অনুসন্ধানী প্রতিবেদনের মাধ্যমে জনসম্মুখে তুলে ধরেছেন। জনস্বার্থে প্রকাশিত এই তথ্যনির্ভর প্রতিবেদনগুলো সাধারণ মানুষের মধ্যে ব্যাপক আলোড়ন সৃষ্টি করেছে। এই বস্তুনিষ্ঠ সংবাদ প্রকাশের জের ধরেই একটি স্বার্থান্বেষী মহল শাকিলের কণ্ঠরোধ করতে প্রতিহিংসার পথ বেছে নিয়েছে এবং পুবাইল থানায় তার বিরুদ্ধে ভিত্তিহীন অভিযোগ দায়ের করেছেন। সাংবাদিক নেতারা আরও বলেন, শাকিল কোনো ব্যক্তি বা গোষ্ঠীর ব্যক্তিগত স্বার্থে কাজ করেননি। তিনি সর্বদা সত্য ও ন্যায়ের পক্ষে সোচ্চার থেকেছেন। তার সাহসিকতা, দায়িত্ববোধ ও জনসেবামূলক মনোভাব সকল সাংবাদিকের জন্য অনুকরণীয়।

তারা আরও উল্লেখ করেন, অপরাধের বিরুদ্ধে লেখা তার প্রতিবেদন এখন চক্রান্তকারীদের প্রধান লক্ষ্যে পরিণত হয়েছে, যা অত্যন্ত উদ্বেগজনক। একজন নির্ভীক সাংবাদিকের কণ্ঠরোধ করার এই অপচেষ্টা কোনোভাবেই সফল হবে না এবং যারা আইনের অপব্যবহার করে সাংবাদিকদের হয়রানি করছে, তাদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি হওয়া উচিত। সাংবাদিকরা এ সময় উদ্বেগ প্রকাশ করে বলেন সাধারণ মানুষ থানায় গিয়ে অভিযোগ দিতে গেলে অভিযোগ নিতে নানান তালবাহানা ও গড়িমসি করে, কিন্তু সাংবাদিকদের বিরুদ্ধে কোন অভিযোগ পেলে কোন গড়িমসি নেই, স্ব-আনন্দে তা গ্রহন করেন। প্রশাসনের এই দ্বৈত নীতি পরিহার করতে হবে। মানববন্ধনে উপস্থিত সাংবাদিক মহল অবিলম্বে সারাদেশের সাংবাদিকদের বিরুদ্ধে দায়েরকৃত মিথ্যা মামলা ও শাকিলের বিরুদ্ধে অভিযোগ প্রত্যাহারের জোর দাবি জানান। একই সাথে, তারা এই ষড়যন্ত্রের নেপথ্যের কুচক্রীদের খুঁজে বের করে আইনের আওতায় আনার জন্য প্রশাসনের কাছে আহ্বান জানান।

এ সময় উপস্থিত মুক্তিযোদ্ধারা বলেন, আব্দুর রউফ সরকার একজন ভুয়া মুক্তিযোদ্ধা এবং তিনি কখনোই মুক্তিযুদ্ধে অংশগ্রহণ করেননি। ভুয়া মুক্তিযোদ্ধা সনদপত্র ব্যবহার করে দীর্ঘদিন ধরে সরকারের কাছ থেকে বিভিন্ন সুবিধা গ্রহণ করেছেন। এসব সুবিধার মধ্যে ছিল মাসিক ভাতা, চিকিৎসা সহায়তা, ভূমি বরাদ্দ ও অন্যান্য প্রণোদনা। ভুয়া সনদ ব্যবহার করে সরকারি সম্পদের অপব্যবহার একটি দণ্ডনীয় অপরাধ, যা আইন অনুযায়ী কঠোর শাস্তির যোগ্য।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য
ট্যাগস :

সাংবাদিকের বিরুদ্ধে মিথ্যা অভিযোগের প্রতিবাদে গাজিপুরে মানববন্ধন

আপডেট সময় : ১০:৫৩:৩৯ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ৪ মে ২০২৫

স্টাফ রিপোর্টার।
গজীপুরের পূবাইল এলাকার ভুয়া মুক্তিযোদ্ধা আব্দুর রউফ সরকারের বিরুদ্ধে সংবাদ প্রকাশ করায় আনন্দ টিভির গাজীপুর জেলা প্রতিনিধি সাংবাদিক শাকিলের বিরুদ্ধে উদ্দেশ্যপ্রণোদিত ও ষড়যন্ত্রমূলক মিথ্যা অভিযোগ দায়েরের প্রতিবাদে ও মিথ্যা অভিযোগ প্রত্যাহার এবং অপপ্রচার কারীদের দৃষ্টান্তমূলক শান্তি দাবি জানিয়ে গাজীপুর জেলা প্রশাসক কার্যালয়ের সামনে মানববন্ধন ও স্মারকলিপি প্রদান করেছেন স্থানীয় সাংবাদিকরা।

রোববার সকাল সাড়ে ১০ টায় এই মানববন্ধন গাজীপুর জেলা প্রশাসক কার্যালয়ের সামনে অনুষ্ঠিত হয়। সাংবাদিকরা এই মিথ্যা অভিযোগের তীব্র নিন্দা ও ক্ষোভ প্রকাশ করেন। তারা এই ঘটনাকে মুক্ত গণমাধ্যম, স্বাধীন মত প্রকাশ এবং সত্যনিষ্ঠ অনুসন্ধানী সাংবাদিকতার ওপর সরাসরি আঘাত হিসেবে মন্তব্য করেন। মানববন্ধনে সাংবাদিকরা বলেন, সাংবাদিক শাকিল একজন পেশাদার ও সাহসী কলম সৈনিক। সম্প্রতি তিনি পূবাইলসহ গাজীপুর অঞ্চলের বিভিন্ন অপরাধ, অনিয়ম ও দুর্নীতির চিত্র তার অনুসন্ধানী প্রতিবেদনের মাধ্যমে জনসম্মুখে তুলে ধরেছেন। জনস্বার্থে প্রকাশিত এই তথ্যনির্ভর প্রতিবেদনগুলো সাধারণ মানুষের মধ্যে ব্যাপক আলোড়ন সৃষ্টি করেছে। এই বস্তুনিষ্ঠ সংবাদ প্রকাশের জের ধরেই একটি স্বার্থান্বেষী মহল শাকিলের কণ্ঠরোধ করতে প্রতিহিংসার পথ বেছে নিয়েছে এবং পুবাইল থানায় তার বিরুদ্ধে ভিত্তিহীন অভিযোগ দায়ের করেছেন। সাংবাদিক নেতারা আরও বলেন, শাকিল কোনো ব্যক্তি বা গোষ্ঠীর ব্যক্তিগত স্বার্থে কাজ করেননি। তিনি সর্বদা সত্য ও ন্যায়ের পক্ষে সোচ্চার থেকেছেন। তার সাহসিকতা, দায়িত্ববোধ ও জনসেবামূলক মনোভাব সকল সাংবাদিকের জন্য অনুকরণীয়।

তারা আরও উল্লেখ করেন, অপরাধের বিরুদ্ধে লেখা তার প্রতিবেদন এখন চক্রান্তকারীদের প্রধান লক্ষ্যে পরিণত হয়েছে, যা অত্যন্ত উদ্বেগজনক। একজন নির্ভীক সাংবাদিকের কণ্ঠরোধ করার এই অপচেষ্টা কোনোভাবেই সফল হবে না এবং যারা আইনের অপব্যবহার করে সাংবাদিকদের হয়রানি করছে, তাদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি হওয়া উচিত। সাংবাদিকরা এ সময় উদ্বেগ প্রকাশ করে বলেন সাধারণ মানুষ থানায় গিয়ে অভিযোগ দিতে গেলে অভিযোগ নিতে নানান তালবাহানা ও গড়িমসি করে, কিন্তু সাংবাদিকদের বিরুদ্ধে কোন অভিযোগ পেলে কোন গড়িমসি নেই, স্ব-আনন্দে তা গ্রহন করেন। প্রশাসনের এই দ্বৈত নীতি পরিহার করতে হবে। মানববন্ধনে উপস্থিত সাংবাদিক মহল অবিলম্বে সারাদেশের সাংবাদিকদের বিরুদ্ধে দায়েরকৃত মিথ্যা মামলা ও শাকিলের বিরুদ্ধে অভিযোগ প্রত্যাহারের জোর দাবি জানান। একই সাথে, তারা এই ষড়যন্ত্রের নেপথ্যের কুচক্রীদের খুঁজে বের করে আইনের আওতায় আনার জন্য প্রশাসনের কাছে আহ্বান জানান।

এ সময় উপস্থিত মুক্তিযোদ্ধারা বলেন, আব্দুর রউফ সরকার একজন ভুয়া মুক্তিযোদ্ধা এবং তিনি কখনোই মুক্তিযুদ্ধে অংশগ্রহণ করেননি। ভুয়া মুক্তিযোদ্ধা সনদপত্র ব্যবহার করে দীর্ঘদিন ধরে সরকারের কাছ থেকে বিভিন্ন সুবিধা গ্রহণ করেছেন। এসব সুবিধার মধ্যে ছিল মাসিক ভাতা, চিকিৎসা সহায়তা, ভূমি বরাদ্দ ও অন্যান্য প্রণোদনা। ভুয়া সনদ ব্যবহার করে সরকারি সম্পদের অপব্যবহার একটি দণ্ডনীয় অপরাধ, যা আইন অনুযায়ী কঠোর শাস্তির যোগ্য।