ঢাকা ০৪:৩৭ অপরাহ্ন, শনিবার, ০৯ মে ২০২৬, ২৬ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম :
পূবাইলে ইয়াবাসহ দুই মাদক কারবারি গ্রেফতার, নগদ ১ লাখ ১৬ হাজার টাকা উদ্ধার। আইনজীবীদের পেশাগত দক্ষতা উন্নয়নে প্রশিক্ষণের বিকল্প নেই–খুলনায় আইন, বিচার ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রী। চিতলমারীতে দোকানিকে গলাকেটে হত্যা। চুয়াডাঙ্গার হায়দারপুরের সাইম ও তার পিতা আজিজুল হক স্বপনের বিরুদ্ধে গুরুতর অভিযোগ:থানায় অভিযোগ দায়ের। কুলিয়ারচরে প্রেমের সম্পর্ক থেকে ধর্ষন, আসামী গ্রেফতার। দত্তনগর কৃষি খামারের প্রাচীর নির্মাণে পুকুর চুরির অভিযোগ -পূণঃনির্মাণের দাবী। আলমডাঙ্গা তন্তবায় সমবায় সমিতির ৮০ লাখ টাকা অনিয়মতান্ত্রিকভাবে লুটপাট করার অভিযোগ। তিতুদহে বিপন্ন গন্ধগোকুলের পাঁচ বাচ্চাকে মায়ের কাছে ফিরিয়ে দিল পরিবেশবাদী সংগঠন। আলমডাঙ্গায় মাদক মামলার ৯ আসামীকে আটক করে করেছে থানা পুলিশ। ইকরতলী গাউছিয়া সুন্নিয়া দাখিল মাদ্রাসা: শিক্ষা ও মানবিকতার আলোয় বদলে যাচ্ছে একটি জনপদ।

আলমডাঙ্গা পৌর পশুহাটের নির্মাণকাজ পরিদর্শন করলেন এমপি মাসুদ পারভেজ রাসেল।

Sapla News
  • আপডেট সময় : ০৩:০০:২৯ অপরাহ্ন, সোমবার, ২ মার্চ ২০২৬ ১১৫ বার পড়া হয়েছে

 

মোঃ নাঈম উদ্দীন স্টাফ রিপোর্টার, চুয়াডাঙ্গা।

চুয়াডাঙ্গা জেলার অন্যতম প্রধান বাণিজ্যিক কেন্দ্র আলমডাঙ্গা পৌর পশুহাটকে একটি আধুনিক ও স্মার্ট হাটে রূপান্তর করার লক্ষ্যে চলমান উন্নয়ন ও নির্মাণকাজ পরিদর্শন করেছেন চুয়াডাঙ্গা-১ আসনের সংসদ সদস্য অ্যাডভোকেট মাসুদ পারভেজ রাসেল।

আজ সোমবার দুপুর ১২টার দিকে তিনি নির্মাণাধীন প্রকল্প এলাকা সরেজমিনে ঘুরে দেখেন। এসময় তিনি কাজের গুণগত মান, অগ্রগতির হার এবং সার্বিক ব্যবস্থাপনা পর্যবেক্ষণ করে সন্তোষ প্রকাশ করেন এবং সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের দ্রুত ও নিখুঁতভাবে কাজ শেষ করার নির্দেশ দেন।

পরিদর্শনকালে সংসদ সদস্যের সঙ্গে ছিলেন আলমডাঙ্গা উপজেলা নির্বাহী অফিসার ও বর্তমান পৌর প্রশাসক পান্না আক্তার। তিনি এমপিকে প্রকল্পের বিস্তারিত কারিগরি দিক এবং বর্তমান অগ্রগতি সম্পর্কে অবহিত করেন।

বর্তমানে হাটে নিম্নলিখিত উন্নয়নমূলক কাজগুলো চলমান রয়েছে:

শেড নির্মাণ: পশু রাখার জন্য প্রশস্ত ও আধুনিক শেড।

ড্রেনেজ ব্যবস্থা: বৃষ্টির পানি ও বর্জ্য দ্রুত নিষ্কাশনের জন্য উন্নত ড্রেন।

পানি ও স্যানিটেশন: ক্রেতা-বিক্রেতাদের সুবিধার্থে পর্যাপ্ত সুপেয় পানি ও উন্নত টয়লেট কমপ্লেক্স।

নিরাপত্তা ও সীমানা প্রাচীর: হাটের সার্বিক শৃঙ্খলা বজায় রাখতে প্রয়োজনীয় অবকাঠামো।

পরিদর্শন শেষে উপস্থিত গণমাধ্যমকর্মী ও স্থানীয়দের উদ্দেশ্যে এমপি মাসুদ পারভেজ রাসেল বলেন:
“আলমডাঙ্গা পৌর পশুহাট এ অঞ্চলের অর্থনীতির প্রাণকেন্দ্র। সরকার এই হাটকে একটি আধুনিক ও সুশৃঙ্খল বাণিজ্যিক কেন্দ্রে পরিণত করতে বদ্ধপরিকর। অবকাঠামো উন্নত হলে এখানে ক্রেতা-বিক্রেতারা একটি নিরাপদ ও স্বাচ্ছন্দ্যময় পরিবেশ পাবেন, যা পরোক্ষভাবে সরকারের রাজস্ব আয় বাড়াতে এবং স্থানীয় অর্থনীতিকে আরও চাঙ্গা করতে বড় ভূমিকা রাখবে।”

কাজের মানের বিষয়ে তিনি হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেন, “জনগণের অর্থে বাস্তবায়িত এই প্রকল্পে কোনো ধরনের অনিয়ম সহ্য করা হবে না। ঠিকাদার এবং প্রকৌশলীদের স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত করে নির্ধারিত সময়ের মধ্যেই কাজ শেষ করতে হবে।”

দীর্ঘদিন ধরে জরাজীর্ণ অবস্থায় থাকা এই হাটের উন্নয়নে স্বস্তি প্রকাশ করেছেন স্থানীয় ব্যবসায়ী ও হাটের ইজারাদাররা। তারা জানান, আগে সামান্য বৃষ্টিতে হাটে কাদা ও জলাবদ্ধতার সৃষ্টি হতো, যা এখন নিরসন হতে চলেছে।

তারা দ্রুত কাজ শেষ করার দাবি জানিয়ে বলেন, আধুনিক সুযোগ-সুবিধা নিশ্চিত হলে দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে পাইকারদের সমাগম আরও বাড়বে।

সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ আশা করছে, এই নির্মাণকাজ সম্পন্ন হলে আলমডাঙ্গা পৌর পশুহাট শুধু চুয়াডাঙ্গা নয়, বরং দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের অন্যতম সেরা পশুহাটে পরিণত হবে।

পরিচ্ছন্ন পরিবেশ এবং উন্নত স্যানিটেশন সুবিধা নিশ্চিত হওয়ায় পশু ব্যবসায়ীদের দীর্ঘদিনের ভোগান্তি দূর হবে।

পরিদর্শনকালে স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ, রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ এবং পৌরসভার বিভিন্ন স্তরের কর্মকর্তা-কর্মচারীরা উপস্থিত ছিলেন।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

ট্যাগস :

আলমডাঙ্গা পৌর পশুহাটের নির্মাণকাজ পরিদর্শন করলেন এমপি মাসুদ পারভেজ রাসেল।

আপডেট সময় : ০৩:০০:২৯ অপরাহ্ন, সোমবার, ২ মার্চ ২০২৬

 

মোঃ নাঈম উদ্দীন স্টাফ রিপোর্টার, চুয়াডাঙ্গা।

চুয়াডাঙ্গা জেলার অন্যতম প্রধান বাণিজ্যিক কেন্দ্র আলমডাঙ্গা পৌর পশুহাটকে একটি আধুনিক ও স্মার্ট হাটে রূপান্তর করার লক্ষ্যে চলমান উন্নয়ন ও নির্মাণকাজ পরিদর্শন করেছেন চুয়াডাঙ্গা-১ আসনের সংসদ সদস্য অ্যাডভোকেট মাসুদ পারভেজ রাসেল।

আজ সোমবার দুপুর ১২টার দিকে তিনি নির্মাণাধীন প্রকল্প এলাকা সরেজমিনে ঘুরে দেখেন। এসময় তিনি কাজের গুণগত মান, অগ্রগতির হার এবং সার্বিক ব্যবস্থাপনা পর্যবেক্ষণ করে সন্তোষ প্রকাশ করেন এবং সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের দ্রুত ও নিখুঁতভাবে কাজ শেষ করার নির্দেশ দেন।

পরিদর্শনকালে সংসদ সদস্যের সঙ্গে ছিলেন আলমডাঙ্গা উপজেলা নির্বাহী অফিসার ও বর্তমান পৌর প্রশাসক পান্না আক্তার। তিনি এমপিকে প্রকল্পের বিস্তারিত কারিগরি দিক এবং বর্তমান অগ্রগতি সম্পর্কে অবহিত করেন।

বর্তমানে হাটে নিম্নলিখিত উন্নয়নমূলক কাজগুলো চলমান রয়েছে:

শেড নির্মাণ: পশু রাখার জন্য প্রশস্ত ও আধুনিক শেড।

ড্রেনেজ ব্যবস্থা: বৃষ্টির পানি ও বর্জ্য দ্রুত নিষ্কাশনের জন্য উন্নত ড্রেন।

পানি ও স্যানিটেশন: ক্রেতা-বিক্রেতাদের সুবিধার্থে পর্যাপ্ত সুপেয় পানি ও উন্নত টয়লেট কমপ্লেক্স।

নিরাপত্তা ও সীমানা প্রাচীর: হাটের সার্বিক শৃঙ্খলা বজায় রাখতে প্রয়োজনীয় অবকাঠামো।

পরিদর্শন শেষে উপস্থিত গণমাধ্যমকর্মী ও স্থানীয়দের উদ্দেশ্যে এমপি মাসুদ পারভেজ রাসেল বলেন:
“আলমডাঙ্গা পৌর পশুহাট এ অঞ্চলের অর্থনীতির প্রাণকেন্দ্র। সরকার এই হাটকে একটি আধুনিক ও সুশৃঙ্খল বাণিজ্যিক কেন্দ্রে পরিণত করতে বদ্ধপরিকর। অবকাঠামো উন্নত হলে এখানে ক্রেতা-বিক্রেতারা একটি নিরাপদ ও স্বাচ্ছন্দ্যময় পরিবেশ পাবেন, যা পরোক্ষভাবে সরকারের রাজস্ব আয় বাড়াতে এবং স্থানীয় অর্থনীতিকে আরও চাঙ্গা করতে বড় ভূমিকা রাখবে।”

কাজের মানের বিষয়ে তিনি হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেন, “জনগণের অর্থে বাস্তবায়িত এই প্রকল্পে কোনো ধরনের অনিয়ম সহ্য করা হবে না। ঠিকাদার এবং প্রকৌশলীদের স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত করে নির্ধারিত সময়ের মধ্যেই কাজ শেষ করতে হবে।”

দীর্ঘদিন ধরে জরাজীর্ণ অবস্থায় থাকা এই হাটের উন্নয়নে স্বস্তি প্রকাশ করেছেন স্থানীয় ব্যবসায়ী ও হাটের ইজারাদাররা। তারা জানান, আগে সামান্য বৃষ্টিতে হাটে কাদা ও জলাবদ্ধতার সৃষ্টি হতো, যা এখন নিরসন হতে চলেছে।

তারা দ্রুত কাজ শেষ করার দাবি জানিয়ে বলেন, আধুনিক সুযোগ-সুবিধা নিশ্চিত হলে দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে পাইকারদের সমাগম আরও বাড়বে।

সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ আশা করছে, এই নির্মাণকাজ সম্পন্ন হলে আলমডাঙ্গা পৌর পশুহাট শুধু চুয়াডাঙ্গা নয়, বরং দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের অন্যতম সেরা পশুহাটে পরিণত হবে।

পরিচ্ছন্ন পরিবেশ এবং উন্নত স্যানিটেশন সুবিধা নিশ্চিত হওয়ায় পশু ব্যবসায়ীদের দীর্ঘদিনের ভোগান্তি দূর হবে।

পরিদর্শনকালে স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ, রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ এবং পৌরসভার বিভিন্ন স্তরের কর্মকর্তা-কর্মচারীরা উপস্থিত ছিলেন।