ঢাকা ০৪:৩৭ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৩ মার্চ ২০২৬, ৯ চৈত্র ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম :
প্রেসক্লাব গংগাচড়ার দপ্তর ও প্রচার সম্পাদক পদ থেকে সাংবাদিক আব্দুস সালামের স্বেচ্ছায় পদত্যাগ। মির্জাখীলসহ চট্টগ্রামের অর্ধশতাধিক গ্রামে ঈদ উদযাপন। চুয়াডাঙ্গায় সাংবাদিকদের সাথে নবনিযুক্ত পুলিশ সুপারের মতবিনিময়: অপরাধমুক্ত জনপদ গড়ার প্রত্যয় চুয়াডাঙ্গায় ডিবি পুলিশের সাঁড়াশি অভিযান: বিপুল পরিমাণ ভারতীয় মাদকসহ গ্রেপ্তার ১, পলাতক ২ ডিঙ্গেদহ সোহরা ওয়ার্দ্দী স্মরণী বিদ্যাপিঠে মিলন সংঘ’র ইফতার পার্টি অনুষ্ঠিত।। শ্রীবরদীতে গণমাধ্যম কর্মীদের ইফতার ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত হয় । চবি’র সাবেক ভিসি অধ্যাপক আনোয়ারুল আজিম আরিফের ইন্তেকাল চুয়াডাঙ্গায় জামায়াতের ৩৮ জন নারী-পুরুষ রুকন শপথ নিলেন। লাউয়ের পাতা সিন্ধ করে,ইফতারি করছে পরিবারটি! শুধু পানি খেয়ে রোজা রাখছে তারা! । কক্সবাজার চকরিয়ায় পুলিশের অভিযানে ডাকাতির প্রস্তুতিকালে অস্ত্রসহ ৪ জন আটক।

মেহেরপুর- চুয়াডাঙ্গা রুটে পরিবহণ সেক্টরে চলছে স্বৈরাতন্ত্রের প্রতিচ্ছবি।

  • আপডেট সময় : ০৫:৫৭:৪২ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ৭ অক্টোবর ২০২৫ ২৯৮ বার পড়া হয়েছে

স্টাফ রিপোর্টার,চুয়াডাঙ্গাঃ
দেশের দক্ষিণ- পশ্চিমাঞ্চলীয় জেলা মেহেরপুর- চুয়াডাঙ্গা রুটে দীর্ঘ্যদিন ধরে নৈরাজ্যকর অবস্হা চলে আসছে।কখনো লোকাল বাসের যাত্রী উঠানো নিয়ে অটোওয়ালাদের সাথে হাঙ্গামা চলে।আবার,কখনো লোকাল বাসে যাত্রী কম হওয়াকে কেন্দ্র পরিবহণ মালিক সমিতির লেসপেন্সাররা পরিবহণে লোকাল যাত্রী উঠানো নিয়ে হাঙ্গামা করে।মাঝে বলির পাঠা হয় মেহেরপুর-চুয়াডাঙ্গা জেলায় চাকুরিরত কর্মকর্তা ও কর্মচারিরা।এ নিয়ে তীব্র প্রতিক্রিয়া চলছে।
প্রাপ্ত তথ্য মোতাবেক,মেহেরপুর- চুয়াডাঙ্গা রুটে স্বৈরাচারের অনুগত রয়েল পরিবহণের মালিক সালাউদ্দিন ও সুগন্ধ্যা পরিবহণের মালিক আবুল কালাম নেতৃত্বাধীন মালিক সমিতি।ওই রুটে পূর্বাশা পরিবহণ,রয়েল পরিবহণ,চুয়াডাঙ্গা ডিলাক্স,গোল্ডেন লাইন,জেআর পরিবহণ,সাউদিয়া পরিবহণ,রিংকি,সোহেল,আরএ পরিবহণ শাহ ফরিদ পরিবহণসহ আরো অনেক পরিবহণ চলাচল করে।আবার,লোকাল বাস গুলো সুগন্ধা,দোয়েল,মিম,সোনারতরি,আল্লাহর দানসহ অনেক পরিবহণ চলাচল করে।তবে,অধিকাংশ পরিবহণের সুপারভািজারদের ব্যবহার, আচার আচরন খারাপ বলে অভিযোগ আছে।আবার, গাড়ি চালকরা কথা ও কাজের কোন মিল রাখে বলেও অভিযোগ রয়েছে।
মেহেরপুর- চুয়াডাঙ্গা জেলায় চাকুরি করেন এমন বেশ কয়েকজন যাত্রী প্রতিবেদকের কাছে তাদের সমস্যার কথা জানিয়ে বলেছেন যে,তারা একটু ” টাইম মেইনটেইন ” করতে অনেক দিন পরিবহণে উঠতে গেলে অপমান করে নামিয়ে দেয়।তারা মালিক সমিতি, মালিক সমিতি বলে তারাও ভয়ে থাকে।আবার আমাদেরও ভয়ে রাখে।জরিমানা র ভয় দেখায়।এতে, তারা অসম্মান ও অপমানবোধ করেন।তারা যে, মেহেরপুর কিংবা চুয়াডাঙ্গা জেলা কোন ব্যাংকার কিংবা সরকারি কর্মকর্তা।সেটা পরিবহণের সুপারভাইজারদের নিতে ইচ্ছা থাকলেও মালিক সমিতির নাম বলে অপমান করে। এমতাবস্হায়,ওইসব চাকুরিরতদের দাবি,, পরিবহণ মালিক সমিতির উচিত পরিবহণ চলাচলের জন্য “অনুমতি পত্র ” প্রদান করে সম্মানের সাথে সেবা দেয়া।
এ বিষয় নিয়ে সরকারি কর্মকর্তারা “মেহেরপুর ও চুয়াডাঙ্গা জেলা প্রশাসককে অবহিত করবেন বলে প্রস্তুতি নিতে চলেছেন।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য
ট্যাগস :

মেহেরপুর- চুয়াডাঙ্গা রুটে পরিবহণ সেক্টরে চলছে স্বৈরাতন্ত্রের প্রতিচ্ছবি।

আপডেট সময় : ০৫:৫৭:৪২ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ৭ অক্টোবর ২০২৫

স্টাফ রিপোর্টার,চুয়াডাঙ্গাঃ
দেশের দক্ষিণ- পশ্চিমাঞ্চলীয় জেলা মেহেরপুর- চুয়াডাঙ্গা রুটে দীর্ঘ্যদিন ধরে নৈরাজ্যকর অবস্হা চলে আসছে।কখনো লোকাল বাসের যাত্রী উঠানো নিয়ে অটোওয়ালাদের সাথে হাঙ্গামা চলে।আবার,কখনো লোকাল বাসে যাত্রী কম হওয়াকে কেন্দ্র পরিবহণ মালিক সমিতির লেসপেন্সাররা পরিবহণে লোকাল যাত্রী উঠানো নিয়ে হাঙ্গামা করে।মাঝে বলির পাঠা হয় মেহেরপুর-চুয়াডাঙ্গা জেলায় চাকুরিরত কর্মকর্তা ও কর্মচারিরা।এ নিয়ে তীব্র প্রতিক্রিয়া চলছে।
প্রাপ্ত তথ্য মোতাবেক,মেহেরপুর- চুয়াডাঙ্গা রুটে স্বৈরাচারের অনুগত রয়েল পরিবহণের মালিক সালাউদ্দিন ও সুগন্ধ্যা পরিবহণের মালিক আবুল কালাম নেতৃত্বাধীন মালিক সমিতি।ওই রুটে পূর্বাশা পরিবহণ,রয়েল পরিবহণ,চুয়াডাঙ্গা ডিলাক্স,গোল্ডেন লাইন,জেআর পরিবহণ,সাউদিয়া পরিবহণ,রিংকি,সোহেল,আরএ পরিবহণ শাহ ফরিদ পরিবহণসহ আরো অনেক পরিবহণ চলাচল করে।আবার,লোকাল বাস গুলো সুগন্ধা,দোয়েল,মিম,সোনারতরি,আল্লাহর দানসহ অনেক পরিবহণ চলাচল করে।তবে,অধিকাংশ পরিবহণের সুপারভািজারদের ব্যবহার, আচার আচরন খারাপ বলে অভিযোগ আছে।আবার, গাড়ি চালকরা কথা ও কাজের কোন মিল রাখে বলেও অভিযোগ রয়েছে।
মেহেরপুর- চুয়াডাঙ্গা জেলায় চাকুরি করেন এমন বেশ কয়েকজন যাত্রী প্রতিবেদকের কাছে তাদের সমস্যার কথা জানিয়ে বলেছেন যে,তারা একটু ” টাইম মেইনটেইন ” করতে অনেক দিন পরিবহণে উঠতে গেলে অপমান করে নামিয়ে দেয়।তারা মালিক সমিতি, মালিক সমিতি বলে তারাও ভয়ে থাকে।আবার আমাদেরও ভয়ে রাখে।জরিমানা র ভয় দেখায়।এতে, তারা অসম্মান ও অপমানবোধ করেন।তারা যে, মেহেরপুর কিংবা চুয়াডাঙ্গা জেলা কোন ব্যাংকার কিংবা সরকারি কর্মকর্তা।সেটা পরিবহণের সুপারভাইজারদের নিতে ইচ্ছা থাকলেও মালিক সমিতির নাম বলে অপমান করে। এমতাবস্হায়,ওইসব চাকুরিরতদের দাবি,, পরিবহণ মালিক সমিতির উচিত পরিবহণ চলাচলের জন্য “অনুমতি পত্র ” প্রদান করে সম্মানের সাথে সেবা দেয়া।
এ বিষয় নিয়ে সরকারি কর্মকর্তারা “মেহেরপুর ও চুয়াডাঙ্গা জেলা প্রশাসককে অবহিত করবেন বলে প্রস্তুতি নিতে চলেছেন।