ঢাকা ০৬:০৬ অপরাহ্ন, বুধবার, ০৬ মে ২০২৬, ২৩ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম :
আলমডাঙ্গায় মাদক মামলার ৯ আসামীকে আটক করে করেছে থানা পুলিশ। ইকরতলী গাউছিয়া সুন্নিয়া দাখিল মাদ্রাসা: শিক্ষা ও মানবিকতার আলোয় বদলে যাচ্ছে একটি জনপদ। মেধা ও স্বচ্ছতার অঙ্গীকারে চুয়াডাঙ্গায় পুলিশ কনস্টেবল নিয়োগের লিখিত পরীক্ষা সম্পন্ন। চুয়াডাঙ্গায় মাদক বিরোধী অভিযান চালিয়ে উদ্ধার হলো মাদকসহ দেশীয় অস্ত্রপাতি। চুয়াডাঙ্গায় ট্রাফিক বিভাগের এপ্রিল মাসের চেকপোস্ট কার্যক্রমে বিপুল সংখ্যক যানবাহনের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণের তথ্য প্রকাশ। চুয়াডাঙ্গা সড়ক ও জনপদ বিভাগ-সওজ’র দু কর্মকর্তার বিরুদ্ধে অভিযোগ। জাতীয় সংসদ নির্বাচন উত্তর শঙ্করচন্দ্রে ইউনিয়নে সাংগঠনিক সফরে শরীফুজ্জামান শরীফ-“শক্ত নেতৃত্ব ও ঐক্যই রাজনীতির চালিকা শক্তি। ​দর্শনা পৌরসভায় ভুয়া ওয়ারিশ সনদ বাণিজ্য: প্রকৃত উত্তরাধিকারীরা বঞ্চিত। তিতুদহ এলাকায় বন্য খরগোশ শিকার ও হত্যার দায়ে ৪ জনকে মোবাইল কোর্টের মাধ্যমে দেয়া হয় ১০ দিনের বিনাশ্রম দন্ড। দেশের উন্নয়নে শ্রমিকদের ভূমিকা অগ্রগন্য -প্রতিমন্ত্রী শরিফুল আলম।

পরীক্ষা দেওয়ার সুযোগ পাচ্ছেন না সেই আনিসা।

  • আপডেট সময় : ০৮:৫৯:৩৬ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ১০ অগাস্ট ২০২৫ ৫১৪ বার পড়া হয়েছে

শাপলা নিউজ:-
এইচএসসির বাংলা প্রথম পত্র পরীক্ষা দেওয়ার সুযোগ এ বছর আর পাচ্ছেন না আলোচিত পরীক্ষার্থী আনিসা আহমেদ। রাজধানীর সরকারি মিরপুর বাংলা কলেজ কেন্দ্রে এক ঘণ্টা বিলম্বে যাওয়ায় ওই পরীক্ষাটিতে বসতে দেওয়া হয়নি তাকে।

ল্যাবরেটরি স্কুল অ্যান্ড কলেজের এই শিক্ষার্থী চলতি বছরের ২৬ জুন পরীক্ষার প্রথম দিন প্রায় এক ঘণ্টা দেরিতে কেন্দ্রে পৌঁছান। সেই সময় কেন্দ্রের সামনে তার কান্নার ছবি সামাজিকমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে। পোস্টগুলোতে দাবি করা হয়, স্ট্রোক করা মাকে হাসপাতালে নেওয়ার কারণে সময়মতো পরীক্ষার হলে পৌঁছাতে পারেননি আনিসা। এ অবস্থায় তাকে হলে প্রবেশের অনুমতি দেওয়া হয়নি সেদিনের পরীক্ষায়।

তখন শিক্ষা উপদেষ্টা অধ্যাপক চৌধুরী রফিকুল আবরার জানিয়েছিলেন, তার এই বাংলা প্রথম পত্র পরীক্ষা পরে দেওয়ার ব্যবস্থা করা হবে। তবে, শিক্ষা মন্ত্রণালয় ও ঢাকা শিক্ষা বোর্ডের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, এ বিষয়ে সরকারি পর্যায়ে কোনো সিদ্ধান্ত এখন পর্যন্ত হয়নি; এমনকি ভবিষ্যতেও হওয়ার সম্ভাবনা নেই।

বোর্ড ও মন্ত্রণালয়ের একাধিক সূত্র জানিয়েছে, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে যেভাবে বিষয়টি উপস্থাপন করা হয়েছে, তা পুরোপুরি সঠিক নয়। মন্ত্রণালয়ের নির্দেশে ঢাকা বোর্ডের দুটি টিম আলাদা তদন্ত করে প্রতিবেদন জমা দিয়েছে, যেখানে আনিসার দাবির প্রমাণ মেলেনি।

ঢাকা শিক্ষা বোর্ডের চেয়ারম্যান অধ্যাপক খন্দোকার এহসানুল কবির বলেন, এ বিষয়ে আমাদের কোনো সিদ্ধান্ত নেই। বাংলা ১ম পত্র পরীক্ষা দিতে না পারলেও সেই বিষয়ের ২য় পত্রে যদি ৬৬ নম্বর পায়, তাহলেই সে পাস করবে।

এ বিষয়ে বক্তব্য জানতে আনিসার ব্যবহৃত নাম্বারে একাধিকবার কল দেওয়া হলেও তিনি রিসিভ করেননি।

উল্লেখ্য, এইচএসসির আর দুটি বিষয়ের পরীক্ষা বাকি রয়েছে। এ বছর সাড়ে ১২ লাখ পরীক্ষার্থীর মধ্যে ২২ হাজার ৩৯১ জন কোনো পরীক্ষায় অংশ নেননি।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য
ট্যাগস :

পরীক্ষা দেওয়ার সুযোগ পাচ্ছেন না সেই আনিসা।

আপডেট সময় : ০৮:৫৯:৩৬ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ১০ অগাস্ট ২০২৫

শাপলা নিউজ:-
এইচএসসির বাংলা প্রথম পত্র পরীক্ষা দেওয়ার সুযোগ এ বছর আর পাচ্ছেন না আলোচিত পরীক্ষার্থী আনিসা আহমেদ। রাজধানীর সরকারি মিরপুর বাংলা কলেজ কেন্দ্রে এক ঘণ্টা বিলম্বে যাওয়ায় ওই পরীক্ষাটিতে বসতে দেওয়া হয়নি তাকে।

ল্যাবরেটরি স্কুল অ্যান্ড কলেজের এই শিক্ষার্থী চলতি বছরের ২৬ জুন পরীক্ষার প্রথম দিন প্রায় এক ঘণ্টা দেরিতে কেন্দ্রে পৌঁছান। সেই সময় কেন্দ্রের সামনে তার কান্নার ছবি সামাজিকমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে। পোস্টগুলোতে দাবি করা হয়, স্ট্রোক করা মাকে হাসপাতালে নেওয়ার কারণে সময়মতো পরীক্ষার হলে পৌঁছাতে পারেননি আনিসা। এ অবস্থায় তাকে হলে প্রবেশের অনুমতি দেওয়া হয়নি সেদিনের পরীক্ষায়।

তখন শিক্ষা উপদেষ্টা অধ্যাপক চৌধুরী রফিকুল আবরার জানিয়েছিলেন, তার এই বাংলা প্রথম পত্র পরীক্ষা পরে দেওয়ার ব্যবস্থা করা হবে। তবে, শিক্ষা মন্ত্রণালয় ও ঢাকা শিক্ষা বোর্ডের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, এ বিষয়ে সরকারি পর্যায়ে কোনো সিদ্ধান্ত এখন পর্যন্ত হয়নি; এমনকি ভবিষ্যতেও হওয়ার সম্ভাবনা নেই।

বোর্ড ও মন্ত্রণালয়ের একাধিক সূত্র জানিয়েছে, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে যেভাবে বিষয়টি উপস্থাপন করা হয়েছে, তা পুরোপুরি সঠিক নয়। মন্ত্রণালয়ের নির্দেশে ঢাকা বোর্ডের দুটি টিম আলাদা তদন্ত করে প্রতিবেদন জমা দিয়েছে, যেখানে আনিসার দাবির প্রমাণ মেলেনি।

ঢাকা শিক্ষা বোর্ডের চেয়ারম্যান অধ্যাপক খন্দোকার এহসানুল কবির বলেন, এ বিষয়ে আমাদের কোনো সিদ্ধান্ত নেই। বাংলা ১ম পত্র পরীক্ষা দিতে না পারলেও সেই বিষয়ের ২য় পত্রে যদি ৬৬ নম্বর পায়, তাহলেই সে পাস করবে।

এ বিষয়ে বক্তব্য জানতে আনিসার ব্যবহৃত নাম্বারে একাধিকবার কল দেওয়া হলেও তিনি রিসিভ করেননি।

উল্লেখ্য, এইচএসসির আর দুটি বিষয়ের পরীক্ষা বাকি রয়েছে। এ বছর সাড়ে ১২ লাখ পরীক্ষার্থীর মধ্যে ২২ হাজার ৩৯১ জন কোনো পরীক্ষায় অংশ নেননি।