ঢাকা ০৮:০৭ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৮ মার্চ ২০২৬, ৪ চৈত্র ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম :
লাউয়ের পাতা সিন্ধ করে,ইফতারি করছে পরিবারটি! শুধু পানি খেয়ে রোজা রাখছে তারা! । কক্সবাজার চকরিয়ায় পুলিশের অভিযানে ডাকাতির প্রস্তুতিকালে অস্ত্রসহ ৪ জন আটক। চিলমারীতে “সংযোগ ফাউন্ডেশনের” ৮টি গরু বিতরণ। দর্শনায় আধুনিক সুযোগ-সুবিধা সম্বলিত নতুন থানা ভবনের নির্মাণ কাজের উদ্বোধন মীরসরাইয়ে খাল খনন কাজের উদ্বোধন” বদলে যাবে বাংলাদেশের কৃষি ও অর্থনীতির চিত্রঃ অর্থ মন্ত্রী। জনগণই আমার শক্তি আমি সর্বসাধারণের পাশে থাকতে চাই।-দর্শনা পৌর যুবদলের সদস্য সচিব জালাল উদ্দীন। আলমডাঙ্গায় ১০০ পিস ট্যাপেন্টাডলসহ মাদক ব্যবসায়ী গ্রেফতার। সাঁথিয়ায় আগুণে পুড়ে কৃষকের গরু-ছাগল ও বসত ঘর ভস্মিভূত – সর্বশান্ত কৃষক উখিয়ায় বিজিবির অভিযানে ৩ লাখ ৮০ হাজার ইয়াবা উদ্ধার দামুড়হুদা গোপালপুর মাঠে স্বামী পরিত্যক্তা জোবেদা কে কুপিয়ে হত্যা।

লাউয়ের পাতা সিন্ধ করে,ইফতারি করছে পরিবারটি! শুধু পানি খেয়ে রোজা রাখছে তারা! ।

Sapla News
  • আপডেট সময় : ০৯:৫৩:৪৯ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ১৮ মার্চ ২০২৬ ৭৩ বার পড়া হয়েছে

 

নাটোর প্রতিনিধি

হায়রে ভাগ্য! ইফতারে শুধু লাউ শাক খেয়ে রোজা ভাঙ্গেন পরিবারটি,তারপর সারারাত দিন না খেয়ে থাকতে অসহায় পরিবারটির।

প্রায় দুই বছর আগে দুর্ঘটনায় সেলিনার স্বামী জহুরুল ইসলাম অসুস্থ হয়ে পরেন। পরিবারের একমাত্র উপার্জনক্ষম ব্যক্তির এমন অবস্থায় চরম দুর্দশায় পড়ে যায় তার পরিবার। এরপর থেকেই অর্ধাহার-অনাহারে মানবেতর জীবন পার করছেন সেলিনার প্রতিবন্ধী ২ মেয়েসহ ৬ সদস্যের পরিবার। সেলিনার পরিবারে ২ প্রতিবন্ধী মেয়ে,দুই বছর বয়েসী ১ ছেলে,স্বামী,শ্বাশুরিসহ মোট ৬ জন।

নাটোরের নলডাঙ্গার পিপরুল ইউনিয়নের আঁচড়াখালি গ্রামের একটি জরাজীর্ণ ঝুপড়ি ঘরে গিয়ে দেখা যায় হৃদয়বিদারক এই চিত্র। অভাব-অনটনের কারণে কখনো শুধু পানি খেয়ে,আবার কখনো শাক-পাতা শুধু সাদা ভাত খেয়েই সেহরি ও ইফতার করতে হচ্ছে,সেলিনা বেগম ও তার স্বামী সন্তানদের।

অনিশ্চিত ভবিষ্যৎ আর দারিদ্র্যের কঠিন বাস্তবতা তাদের জীবনকে করে তুলেছে অসহায়। সেলিনার ৬ জন সদস্যের পরিবারে,ঈদে সন্তানসহ অসু্স্থ স্বামী,শ্বাশুরি কাপড় কেনা তাদের কাছে স্বপ্ন।

সেলিনার পরিবার সকলের জীবনে নেমে এসেছে অন্ধকার। উপার্জনের কোন পথ না থাকায় মানবেতর জীবনযাপন করছেন তারা। জরাজীর্ণ ঝুপড়ি ঘরে অর্ধাহারে-অনাহারে দিন কাটছে পরিবারটির।

লাউ পাতা সিন্ধ হলে,তা ইফতারে খাওয়ার জন্য,
মা সেলিনা বেগমের পাশে অসহায় হয়ে বসে আছে,প্রতিবন্ধী দুই মেয়ে।

এলাকাবাসী ও পরিবারের সদস্যরা বলেন,অসুস্থ স্বামী,প্রতিবন্ধী সন্তানদের নিয়ে ঝুপড়ি ঘরে থাকি। বৃষ্টিতে ভিজি, রোদে শুকাই। আগে বাবা আমার খোঁজ নিত, কিন্তু প্রায় এক বছর আগে সেও মারা গেছে। এখন আমাদের দেখার কেউ নাই। সন্তানরা ভালো খাবার চায়, কিন্তু আমার সেই সামর্থ্য নাই। অনেক সময় শুধু পানি,শাকপাতা দিয়েই সেহরি-ইফতার করি।
সরকার ও সমাজের বৃত্তবানদের পাশে চান এই পরিবারটি।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

ট্যাগস :

লাউয়ের পাতা সিন্ধ করে,ইফতারি করছে পরিবারটি! শুধু পানি খেয়ে রোজা রাখছে তারা! ।

আপডেট সময় : ০৯:৫৩:৪৯ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ১৮ মার্চ ২০২৬

 

নাটোর প্রতিনিধি

হায়রে ভাগ্য! ইফতারে শুধু লাউ শাক খেয়ে রোজা ভাঙ্গেন পরিবারটি,তারপর সারারাত দিন না খেয়ে থাকতে অসহায় পরিবারটির।

প্রায় দুই বছর আগে দুর্ঘটনায় সেলিনার স্বামী জহুরুল ইসলাম অসুস্থ হয়ে পরেন। পরিবারের একমাত্র উপার্জনক্ষম ব্যক্তির এমন অবস্থায় চরম দুর্দশায় পড়ে যায় তার পরিবার। এরপর থেকেই অর্ধাহার-অনাহারে মানবেতর জীবন পার করছেন সেলিনার প্রতিবন্ধী ২ মেয়েসহ ৬ সদস্যের পরিবার। সেলিনার পরিবারে ২ প্রতিবন্ধী মেয়ে,দুই বছর বয়েসী ১ ছেলে,স্বামী,শ্বাশুরিসহ মোট ৬ জন।

নাটোরের নলডাঙ্গার পিপরুল ইউনিয়নের আঁচড়াখালি গ্রামের একটি জরাজীর্ণ ঝুপড়ি ঘরে গিয়ে দেখা যায় হৃদয়বিদারক এই চিত্র। অভাব-অনটনের কারণে কখনো শুধু পানি খেয়ে,আবার কখনো শাক-পাতা শুধু সাদা ভাত খেয়েই সেহরি ও ইফতার করতে হচ্ছে,সেলিনা বেগম ও তার স্বামী সন্তানদের।

অনিশ্চিত ভবিষ্যৎ আর দারিদ্র্যের কঠিন বাস্তবতা তাদের জীবনকে করে তুলেছে অসহায়। সেলিনার ৬ জন সদস্যের পরিবারে,ঈদে সন্তানসহ অসু্স্থ স্বামী,শ্বাশুরি কাপড় কেনা তাদের কাছে স্বপ্ন।

সেলিনার পরিবার সকলের জীবনে নেমে এসেছে অন্ধকার। উপার্জনের কোন পথ না থাকায় মানবেতর জীবনযাপন করছেন তারা। জরাজীর্ণ ঝুপড়ি ঘরে অর্ধাহারে-অনাহারে দিন কাটছে পরিবারটির।

লাউ পাতা সিন্ধ হলে,তা ইফতারে খাওয়ার জন্য,
মা সেলিনা বেগমের পাশে অসহায় হয়ে বসে আছে,প্রতিবন্ধী দুই মেয়ে।

এলাকাবাসী ও পরিবারের সদস্যরা বলেন,অসুস্থ স্বামী,প্রতিবন্ধী সন্তানদের নিয়ে ঝুপড়ি ঘরে থাকি। বৃষ্টিতে ভিজি, রোদে শুকাই। আগে বাবা আমার খোঁজ নিত, কিন্তু প্রায় এক বছর আগে সেও মারা গেছে। এখন আমাদের দেখার কেউ নাই। সন্তানরা ভালো খাবার চায়, কিন্তু আমার সেই সামর্থ্য নাই। অনেক সময় শুধু পানি,শাকপাতা দিয়েই সেহরি-ইফতার করি।
সরকার ও সমাজের বৃত্তবানদের পাশে চান এই পরিবারটি।