ঢাকা ০১:২১ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৬ মে ২০২৬, ১১ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম :
হবিগঞ্জের নবীগঞ্জে ৩য় শ্রেণীর ছাত্রীকে ৯ বছরের শিশু ধর্ষন! দর্শনা পৌর কর্তৃপক্ষের বিরুদ্ধে দর্শনায় যত্রতত্র ময়লা- আবর্জনা ফেলার অভিযোগ। চুয়াডাঙ্গা সদর থানা পুলিশ কর্তৃক মাদকদ্রব্যের বিরুদ্ধে অভিযান চালিয়ে মাদকদ্রব্যসহ ২ মাদক কারবারীকে আটক করেছে। ঈদ উপলক্ষে রাষ্ট্রপতির ক্ষমায় মুক্তি পেলেন চুয়াডাঙ্গার ১ বন্দি। আমতলীতে এতিম মাদরাসা শিক্ষার্থীকে ধর্ষণ, পাষণ্ড খালু গ্রেপ্তার দর্শনা থানা পুলিশের হাতে ইয়াবাসহ দুই মাদক কারবারি গ্রেফতার। চুয়াডাঙ্গা সদর থানা পুলিশ কর্তৃক চুয়াডাঙ্গা রেলস্টেশন এলাকা থেকে পকেটমার গ্রেফতার; মোবাইল ফোন ও নগদ টাকা উদ্ধার। আলমডাঙ্গা থানা পুলিশ কর্তৃক বিভিন্ন মামলার ৮ আসামী গ্রেফতার। চুয়াডাঙ্গা ডিএনসি র অভিযানে দর্শনা এলাকা থেকে আরো দুজন মাদক কারবারী আটক।মোবাইল কোর্টের মাধ্যমে জেল জরিমানা। কিশোরগঞ্জের বৃহত্তম গরুর হাটে আড়াই কোটি টাকা রাজস্ব হারালো সরকার।

ঈদ উপলক্ষে রাষ্ট্রপতির ক্ষমায় মুক্তি পেলেন চুয়াডাঙ্গার ১ বন্দি।

Sapla News
  • আপডেট সময় : ০১:৩০:০০ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৫ মে ২০২৬ ৬২ বার পড়া হয়েছে

 

স্টাফ রিপোর্টারঃ

ঈদুল আজহা উপলক্ষে মহামান্য রাষ্ট্রপতির বিশেষ ক্ষমা ঘোষণার ফলে সারাদেশে চারজন সাজাপ্রাপ্ত কয়েদিকে তাদের অবশিষ্ট সাজা মওকুফ করে মুক্তি দেয়া হয়েছে। রাষ্ট্রপতির আদেশে মুক্তিপাওয়া চারজনের মধ্যে একজন চুয়াডাঙ্গার

সাজাপ্রাপ্ত কয়েদিকেও মুক্তি দেয়া হয়েছে এসময়।
চুয়াডাঙ্গা জেলা কারাগারের জেলার মনির হোসেন জানান, এবারের ঈদুল আজহা উপলক্ষে রাষ্ট্রপতির সাধারণ ক্ষমা ঘোষণার আওতায় সারাদেশে চারজন সাজাপ্রাপ্ত কয়েদিকে তাদের সাজা মওকুফ করে মুক্তি দেয়া হয়েছে। এর মধ্যে চুয়াডাঙ্গা কারাগারের একজন যাবজ্জীবন সাজাপ্রাপ্ত কয়েদিকে আজ রবিবার সন্ধ্যায় মুক্তি দেয়া হয়েছে। তার কয়েদি নং ২৩০৫/এ, তিনি চুয়াডাঙ্গা শহরের বুজরুক গড়গড়ি মাদ্রাসা পাড়ার মৃত মোন্তাজ মালিতার ছেলে আব্দুল মালেক । তিনি একটি হত্যা মামলার যাবজ্জীবন সাজা ও নগদ পাঁচহাজার টাকা দন্ডাদেশ প্রাপ্ত কয়েদি। নথি অনুযায়ী তার মামলার বিবরন,

চুয়াডাঙ্গার বিজ্ঞ অতিরিক্ত দায়রা জজ ১ম আদালত, চুয়াডাঙ্গা সেসন নং ১০০/২০০৮ চুয়াডাঙ্গা থানার মামলা নং ০৮ তারিখ ১১-০৬-২০০৭, জিআর ১৯৬/২০০৭ ধারা ৩০২,৩৪।
মুক্তিপ্রাপ্ত কয়েদি আব্দুল মালেক ১১ বছর সাজা ভোগ করেছেন। তার অবশিষ্ট সাজা মওকুফ ও মুক্তির আদেশের কাগজপত্র ই-মেইলে আজ বিকালে চুয়াডাঙ্গা কারাগারে এসে পৌঁছালে যাচাই বাছাই শেষে বিকাল সাড়ে পাঁচটায় তাকে মুক্তি দেয়া হয়। এসময় তার স্বজনরা কারা ফটকে উপস্থিত হয়ে তাকে গ্ৰহন করেন। জেলা সমাজসেবা অধিদপ্তর থেকে মুক্তি প্রাপ্ত আব্দুল মালেককে একটি লুঙ্গি ও পাঞ্জাবি এবং কারাগার কর্তৃপক্ষ তার অর্থদণ্ডের অনাদায়ী পাঁচহাজার টাকা পরিশোধ করেন এবং তাকে নগদ একহাজার টাকা সম্মাননা প্রদান করেন।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

ট্যাগস :

ঈদ উপলক্ষে রাষ্ট্রপতির ক্ষমায় মুক্তি পেলেন চুয়াডাঙ্গার ১ বন্দি।

আপডেট সময় : ০১:৩০:০০ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৫ মে ২০২৬

 

স্টাফ রিপোর্টারঃ

ঈদুল আজহা উপলক্ষে মহামান্য রাষ্ট্রপতির বিশেষ ক্ষমা ঘোষণার ফলে সারাদেশে চারজন সাজাপ্রাপ্ত কয়েদিকে তাদের অবশিষ্ট সাজা মওকুফ করে মুক্তি দেয়া হয়েছে। রাষ্ট্রপতির আদেশে মুক্তিপাওয়া চারজনের মধ্যে একজন চুয়াডাঙ্গার

সাজাপ্রাপ্ত কয়েদিকেও মুক্তি দেয়া হয়েছে এসময়।
চুয়াডাঙ্গা জেলা কারাগারের জেলার মনির হোসেন জানান, এবারের ঈদুল আজহা উপলক্ষে রাষ্ট্রপতির সাধারণ ক্ষমা ঘোষণার আওতায় সারাদেশে চারজন সাজাপ্রাপ্ত কয়েদিকে তাদের সাজা মওকুফ করে মুক্তি দেয়া হয়েছে। এর মধ্যে চুয়াডাঙ্গা কারাগারের একজন যাবজ্জীবন সাজাপ্রাপ্ত কয়েদিকে আজ রবিবার সন্ধ্যায় মুক্তি দেয়া হয়েছে। তার কয়েদি নং ২৩০৫/এ, তিনি চুয়াডাঙ্গা শহরের বুজরুক গড়গড়ি মাদ্রাসা পাড়ার মৃত মোন্তাজ মালিতার ছেলে আব্দুল মালেক । তিনি একটি হত্যা মামলার যাবজ্জীবন সাজা ও নগদ পাঁচহাজার টাকা দন্ডাদেশ প্রাপ্ত কয়েদি। নথি অনুযায়ী তার মামলার বিবরন,

চুয়াডাঙ্গার বিজ্ঞ অতিরিক্ত দায়রা জজ ১ম আদালত, চুয়াডাঙ্গা সেসন নং ১০০/২০০৮ চুয়াডাঙ্গা থানার মামলা নং ০৮ তারিখ ১১-০৬-২০০৭, জিআর ১৯৬/২০০৭ ধারা ৩০২,৩৪।
মুক্তিপ্রাপ্ত কয়েদি আব্দুল মালেক ১১ বছর সাজা ভোগ করেছেন। তার অবশিষ্ট সাজা মওকুফ ও মুক্তির আদেশের কাগজপত্র ই-মেইলে আজ বিকালে চুয়াডাঙ্গা কারাগারে এসে পৌঁছালে যাচাই বাছাই শেষে বিকাল সাড়ে পাঁচটায় তাকে মুক্তি দেয়া হয়। এসময় তার স্বজনরা কারা ফটকে উপস্থিত হয়ে তাকে গ্ৰহন করেন। জেলা সমাজসেবা অধিদপ্তর থেকে মুক্তি প্রাপ্ত আব্দুল মালেককে একটি লুঙ্গি ও পাঞ্জাবি এবং কারাগার কর্তৃপক্ষ তার অর্থদণ্ডের অনাদায়ী পাঁচহাজার টাকা পরিশোধ করেন এবং তাকে নগদ একহাজার টাকা সম্মাননা প্রদান করেন।