ঢাকা ০৯:১৪ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ১৮ মে ২০২৬, ৪ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম :
চুয়াডাঙ্গা ও আলমডাঙ্গা থানা পুলিশের পৃথক দুটি অভিযানে মাদকদ্রব্যসহ ২ জন আটক। হিজলগাড়ী ক্যাম্প পুলিশের তর্জনের চেয়ে গর্জন বেশি– স্হানীয় মাদকের ডিলারদেরকে আটক করতে ব্যর্থ। জীবননগরে পুলিশের সাঁড়াশি অভিযান: নারী নির্যাতন ও মাদক মামলাসহ গ্রেপ্তার ৯ হিজলগাড়ী ক্যাম্প পুলিশের মাদকবিরোধী অভিযানে ইয়াবাসহ আটক-২ আলমডাঙ্গা মাঠ থেকে চুরি যাওয়া মোটরবাইক মহেশপুর থেকে উদ্ধার :গ্রেফতার ২ আরডিএ’র সহকারী প্রকৌশলী শেখ কামরুজ্জামানকে ঘিরে অভিযোগের পাহাড়,আপত্তিকর ভিডিও ভাইরাল। চুয়াডাঙ্গা সদর থানা পুলিশের পৃথক দুটি অভিযানে ৩৬ লিটার বাংলা মদ ও ১’শ পিচ ইয়াবাসহ আটক-২ মাদক ব্যবসায়ী। চুয়াডাঙ্গায় গ্রাম আদালত শক্তিশালীকরণে অর্ধ-বার্ষিক সমন্বয় সভা অনুষ্ঠিত। চুয়াডাঙ্গায় ডিএনসি ‘ র অভিযানে আরো ৫ মাদক কারবারীকে আটক:মোবাইল কোর্টের মাধ্যমে জেল জরিমানা। ইজিবাইকের ধাক্কায় প্রাণ গেল ৪ বছরের শিশু রোজার: সেনেরহুদায় শোকের ছায়া।

হিজলগাড়ী ক্যাম্প পুলিশের তর্জনের চেয়ে গর্জন বেশি– স্হানীয় মাদকের ডিলারদেরকে আটক করতে ব্যর্থ।

Sapla News
  • আপডেট সময় : ০৮:২৭:৩৮ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ১৬ মে ২০২৬ ১৪৩ বার পড়া হয়েছে

 

স্টাফ রিপোর্টারঃ

চুয়াডাঙ্গা জেলা ব্যাপী যখন মাদকের উপর ” জিরো ট্রলারেন্স ” অভিযান চলছে।তখন দর্শনা থানার অধীন হিজলগাড়ি ক্যাম্প পুলিশের এ এস আই সগীর লোক দেখানো অভিযানের নামে তার নাকে ডোগাই মাদক কারবারীদের বাঁচানোর চেষ্টা করছেন।এলাকার কারা কারা মাদক ব্যবসা করে তা দিবালোকের মত পরিষ্কার এবং ক্যাম্প পুলিশ তার পুরোটাই জানেন।

এলাকাবাসী অভিযোগ করে জানায়,মাদকের বিরুদ্ধে অভিযান শুরু হওয়ার পর থেকে আজ পর্যন্ত এলাকার কোন মাদকের ডিলারকে আটক করেনি হিজলগাড়ী ক্যাম্প পুলিশ।এলাকায় গাঁজা,টপেন্ডা,ইয়াবা ও বাংলা মদ ব্যবসা চলছে তুমুল গতিতে।হিজলগাড়ি পুলিশ ওই সব মাদক কারবারীদের কাছে থেকে নিয়মিত মাসোহারা নিচ্ছে।বরং বর্তমান অভিযানের কারণে মাসোহারা আগের চেয়ে আরো বেড়ে গেছে।
এলাকাবাসী আরো জানায়,এলাকাবাসী সূত্র ও বিভিন্ন ভূক্তভোগী মহলের অভিযোগে জানা যায়, মাদকের হাতছানিতে ধ্বংস হয়ে হচ্ছে ইয়াং জেনারেশন। হিজলগাড়ি গ্রামের পুলিশের স্টাটার চাঁন মিয়া ও তার ছোট ছেলে মিল্টন ইয়াবা ব্যবসা করে হিজলগাড়ি ক্যাম্প পুলিশের ছত্রছায়ায়।হিজলগাড়ী গ্রামের তরিকুল গাঁজা ও ইয়াবা’ র ডিলার। এই তরিকুল দীর্ঘদিন ধরে স্হানীয় পুলিশকে ম্যানেজ করে ড্রাগসের কারবার করে আসছে।
নেহালপুর পূর্ব পাড়ার সুজন ইয়াবার বড় ডিলার,নেহালপুর পশ্চিম পাড়ার কালামুন্সীর ছেলে আব্দুল ওরফে রানা নিজ বাড়িতে বসে দীর্নেঘ্যদিন ধরে গাঁজা,ইয়াবা,টপেন্ডা বিক্রি করছে।নেহালপুর দঃ পাড়ার নবান্নতলা পাড়ার নাজমুল ইয়াবা, গাঁজা ব্যবসা অব্যাহত রেখেছে। নেহালপুর পূর্বপাড়ার মজিবর গাঁজা, ইয়াবা ও বাংলা মদের ডিলার। এই মজিবার বর্তমানে অপ্রতিরোধ্য। হিজলগাড়ি গ্রামের মতিয়ারের ছেলে জিহাদ ইয়াবা ব্যবসা করে। বলদিয়ার কিয়ামত গাজা ব্যবসা করে, ছোটশলুয়া গ্রামের পশ্চিম পাড়ার শওকত, সাবুর আলী ও শুকুর আলী গাজার বড় ডিলার।এদের কাছে গাঁজা সরবরাহ করে হিজলগাড়ীর তরিকুল।কুন্দিপুর গ্রামের কুমোর পাড়ার আমিরুলের ছেলে ইজারুল। এই ইজারুল একাই কুন্দপুর গ্রাম ও দোস্ত বাজার নষ্ট করছে। ইয়াবা ও টপেন্ডাডল বিক্রি করে চলেছে প্রতিনিয়ত।

স্থানীয় সূত্র জানায় বলদিয়ার আতিয়ার কসাই এর মেজো ছেলে স্বপন ও মতিয়ারের ছেলে জিহাদ ইয়াবা ব্যবসা করে। হিজলগাড়ী মাঝেরপাড়ার হামিদের ছেলে এলাকার চিহ্নিত চোর জুয়েল ইয়াবার ডিলার। হিজলগাড়ি গ্রামের শুকুর মিস্ত্রির ছেলে জিনারুল ইসলাম জনি ইয়াবা ব্যবসা করছে। সব মিলে এলাকায় হ-য-ব-র-ল অবস্স্স্থা বিরাজ করছে।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

ট্যাগস :

হিজলগাড়ী ক্যাম্প পুলিশের তর্জনের চেয়ে গর্জন বেশি– স্হানীয় মাদকের ডিলারদেরকে আটক করতে ব্যর্থ।

আপডেট সময় : ০৮:২৭:৩৮ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ১৬ মে ২০২৬

 

স্টাফ রিপোর্টারঃ

চুয়াডাঙ্গা জেলা ব্যাপী যখন মাদকের উপর ” জিরো ট্রলারেন্স ” অভিযান চলছে।তখন দর্শনা থানার অধীন হিজলগাড়ি ক্যাম্প পুলিশের এ এস আই সগীর লোক দেখানো অভিযানের নামে তার নাকে ডোগাই মাদক কারবারীদের বাঁচানোর চেষ্টা করছেন।এলাকার কারা কারা মাদক ব্যবসা করে তা দিবালোকের মত পরিষ্কার এবং ক্যাম্প পুলিশ তার পুরোটাই জানেন।

এলাকাবাসী অভিযোগ করে জানায়,মাদকের বিরুদ্ধে অভিযান শুরু হওয়ার পর থেকে আজ পর্যন্ত এলাকার কোন মাদকের ডিলারকে আটক করেনি হিজলগাড়ী ক্যাম্প পুলিশ।এলাকায় গাঁজা,টপেন্ডা,ইয়াবা ও বাংলা মদ ব্যবসা চলছে তুমুল গতিতে।হিজলগাড়ি পুলিশ ওই সব মাদক কারবারীদের কাছে থেকে নিয়মিত মাসোহারা নিচ্ছে।বরং বর্তমান অভিযানের কারণে মাসোহারা আগের চেয়ে আরো বেড়ে গেছে।
এলাকাবাসী আরো জানায়,এলাকাবাসী সূত্র ও বিভিন্ন ভূক্তভোগী মহলের অভিযোগে জানা যায়, মাদকের হাতছানিতে ধ্বংস হয়ে হচ্ছে ইয়াং জেনারেশন। হিজলগাড়ি গ্রামের পুলিশের স্টাটার চাঁন মিয়া ও তার ছোট ছেলে মিল্টন ইয়াবা ব্যবসা করে হিজলগাড়ি ক্যাম্প পুলিশের ছত্রছায়ায়।হিজলগাড়ী গ্রামের তরিকুল গাঁজা ও ইয়াবা’ র ডিলার। এই তরিকুল দীর্ঘদিন ধরে স্হানীয় পুলিশকে ম্যানেজ করে ড্রাগসের কারবার করে আসছে।
নেহালপুর পূর্ব পাড়ার সুজন ইয়াবার বড় ডিলার,নেহালপুর পশ্চিম পাড়ার কালামুন্সীর ছেলে আব্দুল ওরফে রানা নিজ বাড়িতে বসে দীর্নেঘ্যদিন ধরে গাঁজা,ইয়াবা,টপেন্ডা বিক্রি করছে।নেহালপুর দঃ পাড়ার নবান্নতলা পাড়ার নাজমুল ইয়াবা, গাঁজা ব্যবসা অব্যাহত রেখেছে। নেহালপুর পূর্বপাড়ার মজিবর গাঁজা, ইয়াবা ও বাংলা মদের ডিলার। এই মজিবার বর্তমানে অপ্রতিরোধ্য। হিজলগাড়ি গ্রামের মতিয়ারের ছেলে জিহাদ ইয়াবা ব্যবসা করে। বলদিয়ার কিয়ামত গাজা ব্যবসা করে, ছোটশলুয়া গ্রামের পশ্চিম পাড়ার শওকত, সাবুর আলী ও শুকুর আলী গাজার বড় ডিলার।এদের কাছে গাঁজা সরবরাহ করে হিজলগাড়ীর তরিকুল।কুন্দিপুর গ্রামের কুমোর পাড়ার আমিরুলের ছেলে ইজারুল। এই ইজারুল একাই কুন্দপুর গ্রাম ও দোস্ত বাজার নষ্ট করছে। ইয়াবা ও টপেন্ডাডল বিক্রি করে চলেছে প্রতিনিয়ত।

স্থানীয় সূত্র জানায় বলদিয়ার আতিয়ার কসাই এর মেজো ছেলে স্বপন ও মতিয়ারের ছেলে জিহাদ ইয়াবা ব্যবসা করে। হিজলগাড়ী মাঝেরপাড়ার হামিদের ছেলে এলাকার চিহ্নিত চোর জুয়েল ইয়াবার ডিলার। হিজলগাড়ি গ্রামের শুকুর মিস্ত্রির ছেলে জিনারুল ইসলাম জনি ইয়াবা ব্যবসা করছে। সব মিলে এলাকায় হ-য-ব-র-ল অবস্স্স্থা বিরাজ করছে।