চুয়াডাঙ্গা ও আলমডাঙ্গা থানা পুলিশের পৃথক দুটি অভিযানে মাদকদ্রব্যসহ ২ জন আটক।
- আপডেট সময় : ১০:৩৪:৫১ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ১৬ মে ২০২৬ ৯৪ বার পড়া হয়েছে

স্টাফ রিপোর্টারঃ
চুয়াডাঙ্গা জেলার পুলিশ সুপার মোহাম্মদ রুহুল কবীর খান সার্বিক দিকনির্দেশনায় জেলা পুলিশের সকল ইউনিটে একযোগে মাদক ও চোরাচালান বিরোধী অভিযান পরিচালিত হচ্ছে। তারই ধারাবাহিকতায় এসআই(নিঃ) গোলাম হোসেন, চুয়াডাঙ্গা সদর থানা চুয়াডাঙ্গা জেলা ও সংগীয় অফিসার ফোর্সসহ অত্র থানা এলাকায় বিশেষ অভিযান পরিচালনাকালে ১৬ মে ২০২৬ তারিখ রাত ২১:২৫ ঘটিকায় চুয়াডাঙ্গা সদর থানাধীন দৌলতদিয়ার চুনুড়ীপাড়া গ্রামস্থ জনৈক মোঃ মিন্টু এর বসতবাড়ীর পাকা রাস্তার উপর হতে ধৃত আসামী হেলাল হোসেন সেতু(৩০), পিতা- আসাদুল হক মিন্টু, মাতাঃ বকুলী বেগম,সাং- দৌলতদিয়ার চুনুড়ীপাড়া, থানা ও জেলা- চুয়াডাঙ্গাকে গ্রেফতার পূর্বক আসামীর হেফাজত থেকে ২০ (বিশ) পিচ মাদকদ্রব্য টাপেন্টাডল ট্যাবলেট উদ্ধার করেন।
গ্রেফতারকৃত আসামীর বিরুদ্ধে চুয়াডাঙ্গা সদর থানায় মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রন আইনে মামলা রুজু করা হয়েছে।
অন্যদিকে, আলমডাঙ্গা উপজেলায় পুলিশি অভিযানে ৫০০ গ্রাম গাঁজাসহ সাবিনা খাতুন (৩০) নামের এক নারী মাদক কারবারিকে আটক করা হয়েছে। শুক্রবার (১৫ মে) দিবাগত গভীর রাতে উপজেলার নারায়ণপুর গ্রামে অভিযান চালিয়ে তাকে হাতেনাতে আটক করে পুলিশ।
আটক সাবিনা খাতুন নারায়ণপুর গ্রামের সাইদুল ইসলামের স্ত্রী বলে জানা গেছে।
চুয়াডাঙ্গা জেলা পুলিশের মিডিয়া সেল সূত্রে জানা যায়, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে আলমডাঙ্গা থানাধীন জামজামি পুলিশ ক্যাম্পের আইসি উপ-পরিদর্শক (এসআই) ফিরোজ আলী সঙ্গীয় অফিসার ও ফোর্সসহ শুক্রবার দিবাগত রাতে নারায়ণপুর গ্রামে একটি বিশেষ মাদকবিরোধী অভিযান পরিচালনা করেন।
রাত আনুমানিক সোয়া ১১টার দিকে পুলিশ দল নারায়ণপুর গ্রামের আশিরুদ্দিনের বসতবাড়ির পেছনে অবস্থান নেয়। সেখানে থাকা একটি বাঁশবাগানের উত্তর পাশে সাবিনা খাতুনের সন্দেহজনক চলাফেরা দেখে পুলিশ তাকে চ্যালেঞ্জ করে। পরবর্তীতে নারী পুলিশের সহায়তায় তল্লাশি চালিয়ে তার হেফাজত থেকে ৫০০ গ্রাম অবৈধ মাদকদ্রব্য গাঁজা উদ্ধার ও জব্দ করা হয়।
পুলিশ জানিয়েছে, আটক সাবিনা খাতুন দীর্ঘদিন ধরে এলাকায় গোপনে মাদক কেনাবেচার সাথে জড়িত ছিলেন। তার বিরুদ্ধে আলমডাঙ্গা থানায় মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনের সংশ্লিষ্ট ধারায় একটি মামলা দায়ের করা হয়েছে।
আজ (শনিবার) দুপুরে তাকে চুয়াডাঙ্গা আদালতে সোপর্দ করার প্রক্রিয়া চলছে বলে থানা সূত্রে নিশ্চিত করা হয়েছে। চুয়াডাঙ্গা জেলাকে মাদকমুক্ত করতে পুলিশের এমন চিরুনি অভিযান আগামীতেও অব্যাহত থাকবে বলে জানিয়েছে জেলা পুলিশ প্রশাসন।

















