ঢাকা ০৪:৩২ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ১১ এপ্রিল ২০২৬, ২৭ চৈত্র ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম :
চুয়াডাঙ্গার মাধ্যমিক শিক্ষা প্রশাসন ভারপ্রাপ্তের ভারে ভারাক্রান্ত, দেখার কেউ নেই চুয়াডাঙ্গায় তেল নেওয়াকে কেন্দ্র করে বিশৃঙ্খলা, তিন যুবকের জেল-জরিমানা দামুড়হুদা উপজেলা প্রশাসনের উদ্যোগে মাদক বিরোধী মোবাইল কোর্ট পরিচালনায় ৪ জনকে জেল জরিমানা।। দামুড়হুদায় অবৈধ বাঁধ অপসারণ ও চায়না দুয়ারি জালের বিরুদ্ধে কঠোর অভিযানে জাল ধ্বংস ডিঙ্গেদহ সোহরাওয়ার্দী স্মরণীয় বিদ্যাপীঠের এসএসসি পরিক্ষার্থীদর বিদায় ও বরণ অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত। চুয়াডাঙ্গায় কালবৈশেখী ঝড়ের তান্ডবে গাছপালা ও ফসলের ব্যাপক ক্ষতি।।মৃত-১ চুয়াডাঙ্গায় মাদকবিরোধী অভিযানে ৩ মাদক ব্যবসায়ী আটক, বিভিন্ন মেয়াদে কারাদণ্ড চুয়াডাঙ্গার দামুড়হুদায় কার্ডের মাধ্যমে পেট্রোল ও ডিজেল বিক্রি শুরু: ভোগান্তি লাঘবে কঠোর নজরদারি। ঝিনাইদহের পল্লীতে চার বছরের কন্যা শিশু হাবিবাকে ধর্ষণের চেষ্টার রহস্যের জট খুলতে শুরু করেছে।। নিজ সন্তানকে ফিরে পেতে চায় চুয়াডাঙ্গার বড়শলুয়ার শাহিন।(পর্ব-২) জীবননগর সীমান্ত দিয়ে অবৈধভাবে ভারতে পাচার কালে ৪ শিশুসহ ৮ বাংলাদেশী উদ্ধার করেছে পুলিশ।

চুয়াডাঙ্গার মাধ্যমিক শিক্ষা প্রশাসন ভারপ্রাপ্তের ভারে ভারাক্রান্ত, দেখার কেউ নেই

Sapla News
  • আপডেট সময় : ০১:২৪:৩০ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১০ এপ্রিল ২০২৬ ২৫ বার পড়া হয়েছে

 

শিমুল রেজা
বছরের পর বছর ধরে চুয়াডাঙ্গার মাধ্যমিক শিক্ষা প্রশাসন চলছে ভারপ্রাপ্ত দিয়ে। এদিকে ভারপ্রাপ্তদের ঘাড়েও এতো ভার যে ভারে ভারে তারাও ভারাক্রান্ত। দীর্ঘদিন ধরে এ অবস্থা চললেও এ বিষয়ে যেন কারো কোন মাথা ব্যাথা নেই। তবে নবাগত জেলা প্রশাসক মিজ্ লুৎফুন নাহার বহু বছর পর জেলার মাধ্যমিক, উচ্চমাধ্যমিক, ডিগ্রী ও মাদরাসার সকল পর্যায়ের প্রধানদের আগামী ১৫ এপ্রিল নিজ কার্যালয়ে ডেকেছেন, তিনি সেখানে কি মেসেজ দেন সেটা দেখার অপেক্ষায় আছেন শিক্ষানুরাগীরা।
অনুসন্ধানে জানাগেছে- জেলা পর্যায়ে মাধ্যমিক প্রশাসনের প্রাণ বিদায়ী জেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসার মোঃ আতাউর রহমান ২০২৪ইং সালের নভেম্বরে অবসরে যান। সেই থেকে অদ্যবধি পূর্নাঙ্গ জেলা অফিসার নিয়োগ না দিয়ে জেলার সরকারী দুটি মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষকদের অতিরীক্ত দায়িত্ব দিয়ে চালানো হচ্ছে। তারাও স্ব-স্ব প্রতিষ্ঠানের ব্যস্থতার মধ্যে জেলা শিক্ষা অফিসারের রুটিন ওর্য়াক চালিয়ে গেলেও সমগ্র জেলার শিক্ষা প্রতিষ্ঠান গুলো দেখা কিম্বা নতুন কোন কিছু করার সময় হয়ে ওঠেনা। আবার জেলা শিক্ষা অফিসার না থাকায় জেলার প্রত্যন্ত এলাকা থেকে একান্ত প্রয়োজনে জেলা অফিসে এসে চেয়ার শূণ্য থাকায় প্রধান শিক্ষকদের দ্বারে দ্বারে ঘুরে বেড়াতে হয়, ফলে সময় ও অর্থের অপচয় বেড়ে যায়।
জেলার ৪টি উপজেলায় ৪ জন মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসার থাকার কথা থাকলেও দীর্ঘদিন ধরে সকল পদই শূন্য। আলমডাঙ্গা উপজেলার দায়িত্বপ্রাপ্ত সৌভাগ্যবান একজন সহকারী উপজেলা শিক্ষা কর্মকর্তাকে ভারপ্রাপ্ত উপজেলা শিক্ষা অফিসার করে তাকে আবার জেলার বাকী ৩টি উপজেলারও ভারপ্রাপ্ত উপজেলা শিক্ষা অফিসারের দায়িত্ব দেয়া হয়েছে। এর মধ্যে আলমডাঙ্গা উপজেলা থেকে ভারপ্রাপ্তের দায়িত্বপ্রাপ্ত জীবননগর উপজেলার দুরত্ব ৫২ কিলোমিটার, দামুড়হুদার দুরত্ব ৩০ কিলোমিটার আর সদরের দুরত্ব ১৭ কিলোমিটার। প্রশ্ন হলো একজন কর্মকর্তার পক্ষে এতো দুরত্বের অফিসে গিয়ে যথাযথভাবে দায়িত্বপালন করা কিভাবে সম্ভব? জেলায় বর্তমানে মাধ্যমিক বিদ্যালয় রয়েছে ১৪১টি, আলিয়া মাদরাসা রয়েছে ৩৯টি, কলেজ রয়েছে ২০টি ও সরকারী টেকনিক্যাল স্কুল রয়েছে ২টি সহ সর্বমোট প্রতিষ্ঠানের সংখ্যা ২০২টি। ৪টি শিক্ষা অফিসের দৈনন্দিন কাজের বাইরেও রয়েছে এডহক ও নিয়মিত কমিটি গঠনের প্রিজাইডিং অফিসারের দায়িত্ব, বিরোধ নিষ্পত্তি, উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা কর্তৃক প্রদত্ত ট্যাগ অফিসারের দায়িত্ব পালনসহ নানাবিধ কাজ। মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসার না থাকায় শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলো পরিদর্শন কিম্বা তদরকি নেই ব্যবস্থা একেবারেই নেই বললেই চলে। এমন অসংখ্য শিক্ষা প্রতিষ্ঠান আছে যেখানে বছরে একদিনের জন্যও শিক্ষা কর্মকর্তাদের পদধূলি পড়েনা, ফলে প্রতিষ্ঠান প্রধানরাও চলেন মর্জি মাফিক। প্রশ্ন হলো শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের মতো গুরুত্বপূর্ণ ও স্পর্শকাতর বিভাগে প্রয়োজনীয় জনবল প্রদানে সংশ্লিষ্টদের এতো অনীহে কেন?
শিক্ষা অফিসগুলোর মধ্যে জীবননগর মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসারের মৃত্যুজনিত কারনে পদশূন্য হয়েছে ১ অক্টোবর-২০২৪ সালে। চুয়াডাঙ্গা সদরে অবসরজনিত কারনে পদশূন্য হয়েছে ১ জানুয়ারী- ২০২৫ সালে এবং দামুড়হুদায় বদলীজনিত কারনে পদশূন্য হয়েছে ২৮ মার্চ-২০২৫ সালে। দামুড়হুদা ও জীবননগর মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসে ১জন করে সহকারী মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসারের পদ থাকলেও তা কবে শূণ্য হয়েছে তার সঠিক পরিসংখ্যন উদ্ধার করা সম্ভব হয়নি। গত মাসে চুয়াডাঙ্গা শিক্ষা অফিসে কর্মরত হিসাবরক্ষককে পদোন্নতি দিয়ে সহকারী শিক্ষা অফিসারের চলতি দায়িত্ব দিয়ে সদর উপজেলায় পদায়ন করায় নতুন বিতর্কের জন্ম দিয়েছে। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক একাধিক প্রধান শিক্ষক তাদের বিব্রতকর পরিস্থিতির কথা জানিয়ে বলেন- স্থানীয় ছেলে হওয়ায় তাকে এতদিন নাম ধরে ডেকে এখন তাকে স্যার বলা তার জন্য সুখকর হলেও আমাদের জন্য বিব্রতকর, অধিদপ্তরের দায়িত্বশীলদের উচিত ছিল প্রথানুযায়ী পদোন্নতির পর তাকে অন্য কোন জেলায় পদায়ন করা।
জেলা শিক্ষা অফিসে ১জন গবেষণা কর্মকর্তা, ১জন সহকারী প্রোগ্রামার ও ৪জন সহকারী পরিদর্শক থাকলেও উর্ধতন কর্মকর্তা না থাকায় তাদের স্বাভাবিক কার্যক্রমও ব্যাহত হচ্ছে।
এবিষয়ে মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা অধিদপ্তরের খুলনা বিভাগীয় আরেক ভারপ্রাপ্ত উপপরিচালক মোঃ কামরুজ্জামানের সাথে যোগাযোগ করলে তিনি কোন মন্তব্য করতে অস্বীকৃতি জানিয়ে বলেন বিষয়টি নিয়ে ডিজির সাথে কথা বলেন। কারন পদায়ন আমরা করিনা, তবে বিষয়টি এভাবে আমার জানা হয়নি।

 

ছবি পরিচিতিঃ চুয়াডাঙ্গা মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তার কার্যালয়।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

ট্যাগস :

চুয়াডাঙ্গার মাধ্যমিক শিক্ষা প্রশাসন ভারপ্রাপ্তের ভারে ভারাক্রান্ত, দেখার কেউ নেই

আপডেট সময় : ০১:২৪:৩০ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১০ এপ্রিল ২০২৬

 

শিমুল রেজা
বছরের পর বছর ধরে চুয়াডাঙ্গার মাধ্যমিক শিক্ষা প্রশাসন চলছে ভারপ্রাপ্ত দিয়ে। এদিকে ভারপ্রাপ্তদের ঘাড়েও এতো ভার যে ভারে ভারে তারাও ভারাক্রান্ত। দীর্ঘদিন ধরে এ অবস্থা চললেও এ বিষয়ে যেন কারো কোন মাথা ব্যাথা নেই। তবে নবাগত জেলা প্রশাসক মিজ্ লুৎফুন নাহার বহু বছর পর জেলার মাধ্যমিক, উচ্চমাধ্যমিক, ডিগ্রী ও মাদরাসার সকল পর্যায়ের প্রধানদের আগামী ১৫ এপ্রিল নিজ কার্যালয়ে ডেকেছেন, তিনি সেখানে কি মেসেজ দেন সেটা দেখার অপেক্ষায় আছেন শিক্ষানুরাগীরা।
অনুসন্ধানে জানাগেছে- জেলা পর্যায়ে মাধ্যমিক প্রশাসনের প্রাণ বিদায়ী জেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসার মোঃ আতাউর রহমান ২০২৪ইং সালের নভেম্বরে অবসরে যান। সেই থেকে অদ্যবধি পূর্নাঙ্গ জেলা অফিসার নিয়োগ না দিয়ে জেলার সরকারী দুটি মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষকদের অতিরীক্ত দায়িত্ব দিয়ে চালানো হচ্ছে। তারাও স্ব-স্ব প্রতিষ্ঠানের ব্যস্থতার মধ্যে জেলা শিক্ষা অফিসারের রুটিন ওর্য়াক চালিয়ে গেলেও সমগ্র জেলার শিক্ষা প্রতিষ্ঠান গুলো দেখা কিম্বা নতুন কোন কিছু করার সময় হয়ে ওঠেনা। আবার জেলা শিক্ষা অফিসার না থাকায় জেলার প্রত্যন্ত এলাকা থেকে একান্ত প্রয়োজনে জেলা অফিসে এসে চেয়ার শূণ্য থাকায় প্রধান শিক্ষকদের দ্বারে দ্বারে ঘুরে বেড়াতে হয়, ফলে সময় ও অর্থের অপচয় বেড়ে যায়।
জেলার ৪টি উপজেলায় ৪ জন মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসার থাকার কথা থাকলেও দীর্ঘদিন ধরে সকল পদই শূন্য। আলমডাঙ্গা উপজেলার দায়িত্বপ্রাপ্ত সৌভাগ্যবান একজন সহকারী উপজেলা শিক্ষা কর্মকর্তাকে ভারপ্রাপ্ত উপজেলা শিক্ষা অফিসার করে তাকে আবার জেলার বাকী ৩টি উপজেলারও ভারপ্রাপ্ত উপজেলা শিক্ষা অফিসারের দায়িত্ব দেয়া হয়েছে। এর মধ্যে আলমডাঙ্গা উপজেলা থেকে ভারপ্রাপ্তের দায়িত্বপ্রাপ্ত জীবননগর উপজেলার দুরত্ব ৫২ কিলোমিটার, দামুড়হুদার দুরত্ব ৩০ কিলোমিটার আর সদরের দুরত্ব ১৭ কিলোমিটার। প্রশ্ন হলো একজন কর্মকর্তার পক্ষে এতো দুরত্বের অফিসে গিয়ে যথাযথভাবে দায়িত্বপালন করা কিভাবে সম্ভব? জেলায় বর্তমানে মাধ্যমিক বিদ্যালয় রয়েছে ১৪১টি, আলিয়া মাদরাসা রয়েছে ৩৯টি, কলেজ রয়েছে ২০টি ও সরকারী টেকনিক্যাল স্কুল রয়েছে ২টি সহ সর্বমোট প্রতিষ্ঠানের সংখ্যা ২০২টি। ৪টি শিক্ষা অফিসের দৈনন্দিন কাজের বাইরেও রয়েছে এডহক ও নিয়মিত কমিটি গঠনের প্রিজাইডিং অফিসারের দায়িত্ব, বিরোধ নিষ্পত্তি, উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা কর্তৃক প্রদত্ত ট্যাগ অফিসারের দায়িত্ব পালনসহ নানাবিধ কাজ। মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসার না থাকায় শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলো পরিদর্শন কিম্বা তদরকি নেই ব্যবস্থা একেবারেই নেই বললেই চলে। এমন অসংখ্য শিক্ষা প্রতিষ্ঠান আছে যেখানে বছরে একদিনের জন্যও শিক্ষা কর্মকর্তাদের পদধূলি পড়েনা, ফলে প্রতিষ্ঠান প্রধানরাও চলেন মর্জি মাফিক। প্রশ্ন হলো শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের মতো গুরুত্বপূর্ণ ও স্পর্শকাতর বিভাগে প্রয়োজনীয় জনবল প্রদানে সংশ্লিষ্টদের এতো অনীহে কেন?
শিক্ষা অফিসগুলোর মধ্যে জীবননগর মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসারের মৃত্যুজনিত কারনে পদশূন্য হয়েছে ১ অক্টোবর-২০২৪ সালে। চুয়াডাঙ্গা সদরে অবসরজনিত কারনে পদশূন্য হয়েছে ১ জানুয়ারী- ২০২৫ সালে এবং দামুড়হুদায় বদলীজনিত কারনে পদশূন্য হয়েছে ২৮ মার্চ-২০২৫ সালে। দামুড়হুদা ও জীবননগর মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসে ১জন করে সহকারী মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসারের পদ থাকলেও তা কবে শূণ্য হয়েছে তার সঠিক পরিসংখ্যন উদ্ধার করা সম্ভব হয়নি। গত মাসে চুয়াডাঙ্গা শিক্ষা অফিসে কর্মরত হিসাবরক্ষককে পদোন্নতি দিয়ে সহকারী শিক্ষা অফিসারের চলতি দায়িত্ব দিয়ে সদর উপজেলায় পদায়ন করায় নতুন বিতর্কের জন্ম দিয়েছে। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক একাধিক প্রধান শিক্ষক তাদের বিব্রতকর পরিস্থিতির কথা জানিয়ে বলেন- স্থানীয় ছেলে হওয়ায় তাকে এতদিন নাম ধরে ডেকে এখন তাকে স্যার বলা তার জন্য সুখকর হলেও আমাদের জন্য বিব্রতকর, অধিদপ্তরের দায়িত্বশীলদের উচিত ছিল প্রথানুযায়ী পদোন্নতির পর তাকে অন্য কোন জেলায় পদায়ন করা।
জেলা শিক্ষা অফিসে ১জন গবেষণা কর্মকর্তা, ১জন সহকারী প্রোগ্রামার ও ৪জন সহকারী পরিদর্শক থাকলেও উর্ধতন কর্মকর্তা না থাকায় তাদের স্বাভাবিক কার্যক্রমও ব্যাহত হচ্ছে।
এবিষয়ে মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা অধিদপ্তরের খুলনা বিভাগীয় আরেক ভারপ্রাপ্ত উপপরিচালক মোঃ কামরুজ্জামানের সাথে যোগাযোগ করলে তিনি কোন মন্তব্য করতে অস্বীকৃতি জানিয়ে বলেন বিষয়টি নিয়ে ডিজির সাথে কথা বলেন। কারন পদায়ন আমরা করিনা, তবে বিষয়টি এভাবে আমার জানা হয়নি।

 

ছবি পরিচিতিঃ চুয়াডাঙ্গা মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তার কার্যালয়।