দর্শনা থানার অধীন পুলিশ ক্যাম্প গ্রামগুলোতে চলছে মাদক ও জুয়ার ভয়াল থাবা- চুয়াডাঙ্গা-২ আসনের এমপি’ র হস্তোক্ষেপ কামনা।
- আপডেট সময় : ১১:১১:০৪ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ২০ এপ্রিল ২০২৬ ২৭ বার পড়া হয়েছে

স্টাফ রিপোর্টারঃ চুয়াডাঙ্গা দর্শনা থানার তিতুদহ, হিজলগাড়ি ও বেগমপুর পুলিশ ক্যাম্প নিয়ন্ত্রণাধীন প্রতিটি গ্রামে চলছে মাদকের রমরমা ব্যবসা।মাদকে আসক্ত হয়ে ধ্বংস হচ্ছে উঠতি বয়সের যুবক- তরুণ থেকে মধ্য বয়সের লোকজন।বর্তমানে মাদক সেবকের চেয়ে মাদক ব্যবসায়ীদের দৌরাত্ম বেড়েছে।সেই সাথে বেড়েছে মাদক ডিলারদের প্রতারণার কারবার।এতে,যেকোন সময় মাদক কারবারীদের মধ্যে রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষ বেড়ে যেতে পারে।দর্শনা থানা পুলিশের ইনচার্জ’র রহস্যজনক ভুমিকা এবং অধিনস্ত ক্যাম্প পুলিশের মাসোহারা উঠাও নিরব থাক – নীতিতে ভুক্তভোগী অভিভাবক মহল পড়েছে দুঃচিন্তায়।এর প্রভাবে এলাকায় বেড়েছে চুরি ও ছিনতাইয়ের ঘটনা। বিষয়টি চুয়াডাঙ্গা-২ আসনের মাননীয় সংসদ সদস্য এ্যাড, রুহুল আমিনের বিশেষ নজর দেয়া উচিত।
এলাকাবাসী সূত্র ও বিভিন্ন ভূক্তভোগী মহলের অভিযোগে জানা যায়,মাদকের হাতছানিতে ধ্বংস হচ্ছে ইয়াং জেনারেশন। হিজলগাড়ি গ্রামের পুলিশের স্টাটার চাঁন মিয়ার ছোট ছেলে মিল্টন ইয়াবা ব্যবসা করে। হিজলগাড়ী গ্রামের তরিকুল গাঁজা ও ইয়াবা’ র ডিলার, নেহালপুর পূর্ব পাড়ার সুজন ইয়াবার বড় ডিলার, নেহালপুরের মজিবর গাঁজা,ইয়াবা ও বাংলা মদের ডিলার, হিজলগাড়ি গ্রামের মতিয়ারের ছেলে জিহাদ ইয়াবা ব্যবসা করে। বলদিয়ার কিয়ামত গাজা ব্যবসা করে, ছোটশলুয়া গ্রামের পশ্চিম পাড়ার শওকত, সাবুর আলী ও শুকুর আলী গাজার বড় ডিলার।
তিতুদহ ইউনিয়নের ৬২ নং আড়ীয়া গ্রামের বিকাশ গাজার ডিলার, বেগমপুর কলোনি পাড়ার শাহিন ভাংড়ী গাজা, মদ, ইয়াবা র বড় ব্যবসায়ী, ঝাঁজরী গ্রামের আব্বাস ইয়াবা মদ গাজা: জুয়া চালায়, হিজলগাড়ী বাজারে পুলিশ ক্যম্পের সাথে তারুকের চায়ের দোকানে দিন রাত মোবাইলে অনলাইন জুয়া চলে বহু লোক থাকে। জুয়ার ডিলার তারুকের ছেলে ইমরান, ছোটশলুয়া পশ্চিম পাড়া মসজিদের সাথে বাড়ী মোহন জুয়ার ডিলার সে বাড়ী তৈরী করেছে জুয়ার টাকায়।
স্হানীয় সূত্র জানায়, হিজলগাড়ি: আজ বলদিয়ার আতিয়ার কসাই এর মেজো ছেলে স্বপন ও মতিয়ারের ছেলে জিহাদ ইয়াবা কেনার জন্য ১০ হাজার ৫০ টাকা দিয়েছিলো হিজলগাড়ী মাঝেরপাড়ার হামিদের ছেলে এলাকার চিহ্নিত চোর জুয়েল এর কাছে।জুয়েল ইয়াবা দেওয়ার জন্য টাকা নিয়ে আর ইয়াবা দেয়নি।এখন জুয়েলকে মারার জন্য খুজে বেড়াচ্ছে আতিয়ার কসাইের ছেলে স্বপন ও মতিয়ারের ছেলে জিহাদ,হিজলগাড়ী গ্রামের শুকুর মিস্তিরির ছেলে চিহ্নিত মাদকসেবী জিনারুল ইসলাম জনি,ও অপরিচিত একটা ছেলে। গোপন সুত্রে জানা যায়,স্বপনের দেখানো দর্শনার কোন এক বাড়ী থেকে জুয়েল ৪১ পিচ ইয়াবা নিয়ে হিজলগাড়ী পর্যন্ত এসে আর স্বপনের সাথে যোগাযোগ করেনি।
সব মিলে এলাকায় হ-য-ব-র-ল অবস্হা বিরাজ করছে।



















