চুয়াডাঙ্গা জেলায় যেভাবে জ্বালানী তেল সংকট সৃষ্টি করা হচ্ছে।।প্রশাসন বিষয়টি নিয়ে কি ভাবছেন?
- আপডেট সময় : ০৮:০৫:৪৮ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ১১ মার্চ ২০২৬ ৪৪ বার পড়া হয়েছে

চুয়াডাঙ্গা প্রতিনিধিঃ
চুয়াডাঙ্গা জেলা সীমান্তবর্তী হওয়ায় জীবননগর, দামুড়হুদাসহ বিভিন্ন এলাকার ফ্লিলিং স্টেশনগুলোর উপর নজরদারী জোরদার করা জরুরী হয়ে পড়েছে। সেই সাথে গ্যাস সিলিন্ডারও পাচার হওয়ার আশঙ্কা করা হচ্ছে।প্রশাসনের বিষয়টি নিয়ে বোধগম্য হওয়া দরকার।
চলতি সেচ মৌসুমে ডিজেলের জন্য জীবননগরের কৃষকদের ঘণ্টার পর ঘণ্টা লাইনে দাঁড়িয়ে থাকতে হচ্ছে। অনেকেই অভিযোগ করছেন, লাইনে দাঁড়িয়েও তারা চাহিদা অনুযায়ী তেল পাচ্ছেন না। অথচ রাতের বেলা দেখা যাচ্ছে অন্য দৃশ্য।গভীর রাতে পাম্পের সামনে সারি সারি দাঁড়িয়ে থাকে মাটি টানা ট্রাক্টর।
খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, এসব ট্রাক্টরের বেশিরভাগই পার্শ্ববর্তী ঝিনাইদহ জেলার মহেশপুর এলাকা থেকে আসে। অভিযোগ রয়েছে, পাম্প কর্তৃপক্ষের সঙ্গে যোগসাজশ করে এসব ট্রাক্টর জীবননগরের তিনটি পেট্রোল পাম্প থেকে প্রতিবার ৩০ লিটার করে মোট ৯০ লিটার তেল নিয়ে চলে যাচ্ছে। পরে মহেশপুরে গিয়ে সেই তেল মজুদ করে আবার ফিরে এসে তেল নিচ্ছে।
এদিকে কৃষকেরা তেলের অভাবে সেচ দিতে পারছেন না। ফলে চাষাবাদ মারাত্মকভাবে ব্যাহত হচ্ছে।
খোঁজ নিয়ে আরও জানা গেছে, গতকাল ডিপো থেকে জীবননগর ফিলিং স্টেশনে ৬ হাজার লিটার ডিজেল সরবরাহ করা হয়েছে। এর আগে রিজার্ভ ট্যাংকেও ছিল প্রায় ৮০০ লিটার তেল। কিন্তু তেল আসার খবর পেয়ে কৃষকেরা ভিড় করলেও মহেশপুরের ইটভাটা ও মাটি টানা ট্রাক্টরের দাপটে তারা কার্যত অসহায় হয়ে পড়ছেন।
স্থানীয়দের অভিযোগ, কৃষকদের বদলে অগ্রাধিকার ভিত্তিতে ইটভাটা ও মাটি টানা যানবাহনে তেল সরবরাহ করা হচ্ছে। সরকারি নিয়ম-নীতির তোয়াক্কা না করে এভাবে তেল সরবরাহ বন্ধ করে দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন এলাকাবাসী।

















