ঢাকা ০২:২৫ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১২ মার্চ ২০২৬, ২৭ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম :
চুয়াডাঙ্গা জেলায় যেভাবে জ্বালানী তেল সংকট সৃষ্টি করা হচ্ছে।।প্রশাসন বিষয়টি নিয়ে কি ভাবছেন? চুয়াডাঙ্গার ডিঙ্গেদহ হিমালয় অটো ব্রিক্স-এ দেদারসে পোড়ানো হচ্ছে কয়লার পরিবর্তে কাঠের গুড়ো দেখার কেউ নেই। চুয়াডাঙ্গা জেলা দর্শনাতে মানব সেবায় কাজ করে যাচ্ছেন বিএনপি নেতা আলহাজ্ব মশিউর রহমান। চুয়াডাঙ্গায় জাতীয় দুর্যোগ প্রস্তুতি দিবস পালিত: জনসচেতনতায় ভূমিকম্প ও অগ্নিকাণ্ড বিষয়ক মহড়া। আশাশুনিতে শিশুকে ধর্ষণের চেষ্টা।।গ্রেফতার-১ খাগড়াছড়িতে ভাতাভোগী আনসার ও ভিডিপি সদস্যদের মাঝে ঈদ উপহার বিতরণ। চুয়াডাঙ্গা শহরের পৃথক দুটি এলাকায় ভোক্তা অফিসের অভিযানে ৩ প্রতিষ্ঠানকে ২২’ হাজার টাকা অর্থদন্ড। চুয়াডাঙ্গার হাসাদহ বাজারে বিএনপির হামলায় আহত বাঁকা ইউনিয়ন জামায়াতের আমীর মফিজুর রহমান অবশেষে মারা গেছেন। গোদাগাড়ীতে জাতীয় দুর্যোগ প্রস্তুতি দিবস উপলক্ষে র‍্যালি ও অগ্নিনির্বাপন মহড়া। চুয়াডাঙ্গায় ঠান্ডা-গরমে হাসপাতালে বেড়েছে রোগীর চাপ, বেশি আক্রান্ত শিশু-বয়স্করা।

চুয়াডাঙ্গার ডিঙ্গেদহ হিমালয় অটো ব্রিক্স-এ দেদারসে পোড়ানো হচ্ছে কয়লার পরিবর্তে কাঠের গুড়ো দেখার কেউ নেই।

Sapla News
  • আপডেট সময় : ০৫:৩৮:২১ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ১১ মার্চ ২০২৬ ১৮২ বার পড়া হয়েছে

 

ভ্রাম্যমান প্রতিনিধিঃ-

সরকারি নিয়মনীতিকে বৃদ্ধাঙ্গুলি দেখিয়ে ডিঙ্গেদহ এলাকার জালশুকা সড়কের পাশে হিমালয় অটো ব্রিক্সে জ্বালানী হিসেবে ব্যবহার করা হচ্ছে কনক্রিট কয়লা গঁড়োর পরিবর্তে কাঠের গুড়ো।এতে ওই ব্রিক্সের বিশালাকার চিমনি দিয়ে কালো ধোঁয়া নির্গত হয়ে পরিবেশের ভারসাম্য নষ্ট হচ্ছে।
তথ্য বিবরণীতে জানা যায়, বাংলাদেশ সরকারের পরিবেশ আইন অনুযায়ী,ইটভাটায় জ্বালানি হিসেবে কাঠ বা কাঠের গুঁড়ো ব্যবহার করা বাংলাদেশের আইন অনুযায়ী দণ্ডনীয় অপরাধ। ] ইট প্রস্তুত ও ভাটা স্থাপন (নিয়ন্ত্রণ) আইন, ২০১৩ এবং এর সংশোধনী অনুযায়ী এই অপরাধের নিষিদ্ধ ধারা: এই আইনের ৬ নম্বর ধারায় স্পষ্ট বলা হয়েছে যে, কোনো ব্যক্তি ইটভাটায় ইট পোড়ানোর কাজে জ্বালানি হিসেবে কোনো জ্বালানি কাঠ ব্যবহার করতে পারবেন না। জরিমানা ও দণ্ড: আইনের ১৬ নম্বর ধারা অনুযায়ী, যদি কেউ ৬ নম্বর ধারার বিধান লঙ্ঘন করেন অর্থাৎ কাঠের গুঁড়ো বা কাঠ ব্যবহার করেন তবে তিনি: অনধিক ৩ (তিন) বছরের কারাদণ্ড; অথবাঅনধিক ৩ (তিন) লক্ষ টাকা অর্থদণ্ড; অথবা উভয় দণ্ডে দণ্ডিত হবেন। অতিরিক্ত তথ্য:একই অপরাধের পুনরাবৃত্তি ঘটলে শাস্তির পরিমাণ বৃদ্ধি এবং ভাটার লাইসেন্স বাতিল বা বাজেয়াপ্ত করার বিধানও রয়েছে।
জ্বালানি হিসেবে কয়লা ব্যবহারের ক্ষেত্রেও নির্দিষ্ট মানমাত্রা (যেমন সালফার বা অ্যাশের পরিমাণ) মেনে চলতে হয়, যা অমান্য করলে আইনের ১৭ নম্বর ধারায় শাস্তির বিধান রয়েছে।
খোঁজখবর নিয়ে যানা যায়, ডিঙ্গেদহ হিমালয় অটো ব্রিক্সের মালিকা সরকারি বিধানাবলীকে তোয়াক্কা করেন না।তিনি এতটাই প্রভাবশালী যে,সরকারের সকর আইন তিনি টাকা দিয়ে কিনে নিতে রিতে অভ্যাস্ত হয়ে পড়েছেন।এসব আইন কানুনকে গৌণ মনে করেন। এলাকাবাসী জানায়, ডিঙ্গেদহ ও হিজলগাড়ি এলাকার প্রায় ১২ টি সো মিল এবং বেশ কিছু অটো নক্সাঘর থেকে শত শত বস্তা কাঠের গুড়ো এজেন্সীর মাধ্যমে সংগ্রহ করে বছরের পর বছর ব্যবহার করে আসছেন।এলাকার কাঠের গুড়ো প্রতিনিয়ত ওই অটো ব্রিক্সে বিক্রি করার কারণে শত শত মুরগী খামারীরা তাদের খামারে লিটার হিসাবে কাঠের গুড়ো সংগ্রহ করতে পারছেন না। আগে যে গুড়ো বস্তা প্রতি ১০০ শ টাকা হারে দেদারসে পাওয়া যেতো। সেখানে বর্তমানে ১৮০ টাকা বস্তা গুড়ো কিনতে হচ্ছে বলে প্রান্মুতিক মুরগী খামারীদের পক্ষ থেকে অভিযোগ করা হয়েছে।আবার, দাম যেমন তেমন নির্দিষ্ট পরিমাণ কাঠের গুড়া পাওয়াই যায় না।
ডিঙ্গেদহ হিমালয় অটো ব্রিক্সে পরিবেশ আইন উপেক্ষা করে কাঠের গুড়ো ব্যবহার বিষয়ে সংশ্লিষ্ট অফিসের অনুমতি আছে কি না? এ প্রশ্নের জবাবে ওই ব্রিক্সের মালিক মনোয়ার হোসেন মালিতা জানান’-তার ব্রিক্সে কাঠ পোড়ানোর অনুমতি নেই।তবে কাঠের গুড়ো পোড়ানোর অনুমতি আছে ।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

ট্যাগস :

চুয়াডাঙ্গার ডিঙ্গেদহ হিমালয় অটো ব্রিক্স-এ দেদারসে পোড়ানো হচ্ছে কয়লার পরিবর্তে কাঠের গুড়ো দেখার কেউ নেই।

আপডেট সময় : ০৫:৩৮:২১ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ১১ মার্চ ২০২৬

 

ভ্রাম্যমান প্রতিনিধিঃ-

সরকারি নিয়মনীতিকে বৃদ্ধাঙ্গুলি দেখিয়ে ডিঙ্গেদহ এলাকার জালশুকা সড়কের পাশে হিমালয় অটো ব্রিক্সে জ্বালানী হিসেবে ব্যবহার করা হচ্ছে কনক্রিট কয়লা গঁড়োর পরিবর্তে কাঠের গুড়ো।এতে ওই ব্রিক্সের বিশালাকার চিমনি দিয়ে কালো ধোঁয়া নির্গত হয়ে পরিবেশের ভারসাম্য নষ্ট হচ্ছে।
তথ্য বিবরণীতে জানা যায়, বাংলাদেশ সরকারের পরিবেশ আইন অনুযায়ী,ইটভাটায় জ্বালানি হিসেবে কাঠ বা কাঠের গুঁড়ো ব্যবহার করা বাংলাদেশের আইন অনুযায়ী দণ্ডনীয় অপরাধ। ] ইট প্রস্তুত ও ভাটা স্থাপন (নিয়ন্ত্রণ) আইন, ২০১৩ এবং এর সংশোধনী অনুযায়ী এই অপরাধের নিষিদ্ধ ধারা: এই আইনের ৬ নম্বর ধারায় স্পষ্ট বলা হয়েছে যে, কোনো ব্যক্তি ইটভাটায় ইট পোড়ানোর কাজে জ্বালানি হিসেবে কোনো জ্বালানি কাঠ ব্যবহার করতে পারবেন না। জরিমানা ও দণ্ড: আইনের ১৬ নম্বর ধারা অনুযায়ী, যদি কেউ ৬ নম্বর ধারার বিধান লঙ্ঘন করেন অর্থাৎ কাঠের গুঁড়ো বা কাঠ ব্যবহার করেন তবে তিনি: অনধিক ৩ (তিন) বছরের কারাদণ্ড; অথবাঅনধিক ৩ (তিন) লক্ষ টাকা অর্থদণ্ড; অথবা উভয় দণ্ডে দণ্ডিত হবেন। অতিরিক্ত তথ্য:একই অপরাধের পুনরাবৃত্তি ঘটলে শাস্তির পরিমাণ বৃদ্ধি এবং ভাটার লাইসেন্স বাতিল বা বাজেয়াপ্ত করার বিধানও রয়েছে।
জ্বালানি হিসেবে কয়লা ব্যবহারের ক্ষেত্রেও নির্দিষ্ট মানমাত্রা (যেমন সালফার বা অ্যাশের পরিমাণ) মেনে চলতে হয়, যা অমান্য করলে আইনের ১৭ নম্বর ধারায় শাস্তির বিধান রয়েছে।
খোঁজখবর নিয়ে যানা যায়, ডিঙ্গেদহ হিমালয় অটো ব্রিক্সের মালিকা সরকারি বিধানাবলীকে তোয়াক্কা করেন না।তিনি এতটাই প্রভাবশালী যে,সরকারের সকর আইন তিনি টাকা দিয়ে কিনে নিতে রিতে অভ্যাস্ত হয়ে পড়েছেন।এসব আইন কানুনকে গৌণ মনে করেন। এলাকাবাসী জানায়, ডিঙ্গেদহ ও হিজলগাড়ি এলাকার প্রায় ১২ টি সো মিল এবং বেশ কিছু অটো নক্সাঘর থেকে শত শত বস্তা কাঠের গুড়ো এজেন্সীর মাধ্যমে সংগ্রহ করে বছরের পর বছর ব্যবহার করে আসছেন।এলাকার কাঠের গুড়ো প্রতিনিয়ত ওই অটো ব্রিক্সে বিক্রি করার কারণে শত শত মুরগী খামারীরা তাদের খামারে লিটার হিসাবে কাঠের গুড়ো সংগ্রহ করতে পারছেন না। আগে যে গুড়ো বস্তা প্রতি ১০০ শ টাকা হারে দেদারসে পাওয়া যেতো। সেখানে বর্তমানে ১৮০ টাকা বস্তা গুড়ো কিনতে হচ্ছে বলে প্রান্মুতিক মুরগী খামারীদের পক্ষ থেকে অভিযোগ করা হয়েছে।আবার, দাম যেমন তেমন নির্দিষ্ট পরিমাণ কাঠের গুড়া পাওয়াই যায় না।
ডিঙ্গেদহ হিমালয় অটো ব্রিক্সে পরিবেশ আইন উপেক্ষা করে কাঠের গুড়ো ব্যবহার বিষয়ে সংশ্লিষ্ট অফিসের অনুমতি আছে কি না? এ প্রশ্নের জবাবে ওই ব্রিক্সের মালিক মনোয়ার হোসেন মালিতা জানান’-তার ব্রিক্সে কাঠ পোড়ানোর অনুমতি নেই।তবে কাঠের গুড়ো পোড়ানোর অনুমতি আছে ।