ঢাকা ০৪:৪৫ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ০৩ মার্চ ২০২৬, ১৮ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম :
চাঁপাইনবাবগঞ্জের ভোলাহাট উপজেলায় জাতীয় শিক্ষা সপ্তাহ উদযাপন আলমডাঙ্গা পৌর পশুহাটের নির্মাণকাজ পরিদর্শন করলেন এমপি মাসুদ পারভেজ রাসেল। রকিবুল ইসলাম বকুলকে হুইপ হিসেবে নিয়োগ.। বোমার সাথে বসবাস!। নাচোলে জেলা ক্রীড়া অফিসের ক্রিড়ার বিভিন্ন ধরনের সামগ্রী বিতরণ। তেরখাদা-খাল খননের উদ্বোধন, কৃষি ও মৎস্য খাতে বিপ্লব-আজিজুল বারী হেলালের.। কুলিয়ারচরে চোর সহ মোটর সাইকেল উদ্ধার, গ্রেফতার ৩ কচুয়ায় গুচ্ছগ্রামে অগ্নিকাণ্ড: ঘটনাস্থল পরিদর্শন করলেন সংসদ সদস্য রাহাদ ও বিএনপি নেতৃবৃন্দ। খুলনায় নতুন প্রশাসক নজরুল ইসলাম মঞ্জুর দায়িত্ব গ্রহণ. ছদ্মবেশেও শেষ রক্ষা হলো না দুর্গাপুরে সাজাপ্রাপ্ত আসামি জিল্লুর গ্রেফতার।

পরিচ্ছন্ন নবীনগর পৌরসভা উপহার দিবো – এইচ এম শান্তি

Sapla News
  • আপডেট সময় : ১২:৪৫:৫৮ অপরাহ্ন, রবিবার, ১ মার্চ ২০২৬ ৫৯ বার পড়া হয়েছে

 

মোঃমুজিবুর রহমান নবীনগর ( ব্রাহ্মণবাড়িয়া): ব্রাহ্মণবাড়িয়ার নবীনগর পৌরসভা প্রথম শ্রেণির পৌরসভা হলেও সেবার মানে প্রথম শ্রেণির পৌরসভার পুরোপুরি বৈশিষ্ট্য লক্ষ্য করা যায়নি কোনকালেই। নবীনগর পৌরসভা গঠিত হয় ১৯৯৯ সালে তৎকালীন সংসদ সদস্য মরহুম এডভোকেট আব্দুল লতিফের সময়ে।নবীনগর পৌরসভা ১৯৯৯ সালে গঠিত হয়ে সীমানা সংক্রান্ত মামলা জটিলতার কারনে ২০১৪ সাল পর্যন্ত পৌর প্রশাসক দ্বারা পরিচালিত হয়। উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তারা অতিরিক্ত দায়িত্ব হিসেবে পৌর প্রশাসকের দায়িত্ব পালন করেছেন তবে মাঝখানে বিএনপি জোট সরকারের সময়ে সরকারের প্রজ্ঞাপনে তৎকালীন উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক মলাই মিয়া দীর্ঘদিন পৌর প্রশাসকের দায়িত্ব পালন করেছিলেন। ২০১৪ সালে ১ম বারের মতো পৌর নির্বাচনে মাঈনুউদ্দিন মাইনু পৌর মেয়র নির্বাচিত হন পরবর্তীতে ২০১৯ সালে শিবসংকর দাশ পৌর মেয়র নির্বাচিত হন। স্থানীয় তিনজন নেতা পৌর সভার দায়িত্বে থাকলেও পৌরবাসীর কাঙ্খিত উন্নয়ন সাধন হয়নি।
৫ আগস্ট পটপরিবর্তনের পর অন্তর্বর্তীকালীন সরকার সারাদেশের পৌরসভার পৌর পরিষদ ভেঙ্গে দেন এতে করে জন প্রতিনিধি শূন্য হয়ে পড়ে নবীনগর পৌরসভা, জনগণ পড়ে চরম ভোগান্তিতে, তবে বিএনপি সরকার ক্ষমতায় আসার পরপর পৌরসভার নির্বাচনের দিনক্ষণ শুরু হয়েছে জনগণের মাঝে, এতে করে পৌরবাসীও স্বপ্ন দেখছেন একজন ভদ্র নম্র মানুষ যেন নবীনগর পৌরসভার চেয়ারে বসেন। পৌরসভার নির্বাচনে অনেকেই ইতিমধ্যে প্রার্থী হওয়ার ঘোষণা দিয়েছেন অনেকের কর্মীর সমর্থকরা তাদের পছন্দের প্রার্থীকে নিয়ে ইতিমধ্যে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে প্রচার প্রচারণা চালাচ্ছে। তবে লক্ষ্য করা গেছে বিশেষ করে নবীনগর পৌর এলাকার ১ নং ও ২ নং ওয়ার্ডের কর্মী সমর্থকরা নবীনগর প্রেসক্লাবের সভাপতি, নবীনগর পৌর আমেনা খাতুন মাদ্রাসার সভাপতি, নবীনগর দুর্নীতি প্রতিরোধ কমিটির সাধারণ সম্পাদক, আলমনগর ঐক্য ফোরামের সভাপতি মোঃ হোসেন শান্তি কে নিয়ে প্রচার প্রচারণা চালাচ্ছে। মোহাম্মদ হোসেন শান্তি দীর্ঘদিন ধরে নবীনগর পৌর এলাকার বিভিন্ন ওয়ার্ডে শিক্ষা সংস্কৃতির বিস্তারে ভূমিকা রেখে চলছেন। তিনি নবীনগর পৌর এলাকায় একজন ক্লিন ইমেজের ব্যক্তি হিসেবে পরিচিত।তিনি সার্বজনীন গ্রুপের মাধ্যমে তরুণ প্রজন্মকে বেকারত্বের অভিশাপ থেকে মুক্তি দিয়ে কর্মসংস্থানের ব্যবস্থা করছেন। দীর্ঘ দুই দশক ধরে,তিনি মেধাবী শিক্ষার্থী ও অসহায় পরিবারের পাশে সর্বদা যথাসাধ্য চেষ্টা করেন পাশে দাঁড়াতে। শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের উন্নয়নেও তিনি ভূমিকা রেখে চলছেন।নবীনগরের সাধারণ জনগণের সাথে কথা বলে জানা যায় মোহাম্মদ হোসেন শান্তি নবীনগর পৌর এলাকার জনপ্রতিনিধি হতে সাধারণ জনগণ নির্দিদায় সেবা নিতে পারবেন।
এই এম শান্তির নিকট নবীনগর পৌরসভার প্রার্থী হওয়ার বিষয়ে জানতে চাইলে তিনি বলেন, আমি গত বিশ বছর যাবৎ আমার ব্যক্তিগত অর্থায়নে শিক্ষা, সংস্কৃতি, ক্রিড়া ও সামাজিক উন্নয়নে কাজ করে যাচ্ছি বৃহত্তর পরিসরে কাজ করতে হলে জনপ্রতিনিধি হলে সহজ হয়,এজন্য আমি নবীনগর পৌরসভার নির্বাচনে প্রার্থী হওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছি,আমার জন্মভূমি আলমনগর গ্রামবাসী যদি সর্বোসম্মতিক্রমে আমাকে সমর্থন করে ও নবীনগরে পৌর বাসীও যদি আমার প্রতি আস্তাও বিশ্বাস রাখে, আমি নির্বাচিত হলে ইনশাআল্লাহ উন্নয়ন বান্ধব সুশৃঙ্খল পরিচ্ছন্ন নবীনগর পৌরসভা উপহার দিবো।
আমি নবীনগর সম্মানিত নবীনগরবাসীর দোয়া চাই ও নবীনগর পৌরবাসীকে আগাম ঈদুল ফিতরের শুভেচ্ছা জানাচ্ছি।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

ট্যাগস :

পরিচ্ছন্ন নবীনগর পৌরসভা উপহার দিবো – এইচ এম শান্তি

আপডেট সময় : ১২:৪৫:৫৮ অপরাহ্ন, রবিবার, ১ মার্চ ২০২৬

 

মোঃমুজিবুর রহমান নবীনগর ( ব্রাহ্মণবাড়িয়া): ব্রাহ্মণবাড়িয়ার নবীনগর পৌরসভা প্রথম শ্রেণির পৌরসভা হলেও সেবার মানে প্রথম শ্রেণির পৌরসভার পুরোপুরি বৈশিষ্ট্য লক্ষ্য করা যায়নি কোনকালেই। নবীনগর পৌরসভা গঠিত হয় ১৯৯৯ সালে তৎকালীন সংসদ সদস্য মরহুম এডভোকেট আব্দুল লতিফের সময়ে।নবীনগর পৌরসভা ১৯৯৯ সালে গঠিত হয়ে সীমানা সংক্রান্ত মামলা জটিলতার কারনে ২০১৪ সাল পর্যন্ত পৌর প্রশাসক দ্বারা পরিচালিত হয়। উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তারা অতিরিক্ত দায়িত্ব হিসেবে পৌর প্রশাসকের দায়িত্ব পালন করেছেন তবে মাঝখানে বিএনপি জোট সরকারের সময়ে সরকারের প্রজ্ঞাপনে তৎকালীন উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক মলাই মিয়া দীর্ঘদিন পৌর প্রশাসকের দায়িত্ব পালন করেছিলেন। ২০১৪ সালে ১ম বারের মতো পৌর নির্বাচনে মাঈনুউদ্দিন মাইনু পৌর মেয়র নির্বাচিত হন পরবর্তীতে ২০১৯ সালে শিবসংকর দাশ পৌর মেয়র নির্বাচিত হন। স্থানীয় তিনজন নেতা পৌর সভার দায়িত্বে থাকলেও পৌরবাসীর কাঙ্খিত উন্নয়ন সাধন হয়নি।
৫ আগস্ট পটপরিবর্তনের পর অন্তর্বর্তীকালীন সরকার সারাদেশের পৌরসভার পৌর পরিষদ ভেঙ্গে দেন এতে করে জন প্রতিনিধি শূন্য হয়ে পড়ে নবীনগর পৌরসভা, জনগণ পড়ে চরম ভোগান্তিতে, তবে বিএনপি সরকার ক্ষমতায় আসার পরপর পৌরসভার নির্বাচনের দিনক্ষণ শুরু হয়েছে জনগণের মাঝে, এতে করে পৌরবাসীও স্বপ্ন দেখছেন একজন ভদ্র নম্র মানুষ যেন নবীনগর পৌরসভার চেয়ারে বসেন। পৌরসভার নির্বাচনে অনেকেই ইতিমধ্যে প্রার্থী হওয়ার ঘোষণা দিয়েছেন অনেকের কর্মীর সমর্থকরা তাদের পছন্দের প্রার্থীকে নিয়ে ইতিমধ্যে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে প্রচার প্রচারণা চালাচ্ছে। তবে লক্ষ্য করা গেছে বিশেষ করে নবীনগর পৌর এলাকার ১ নং ও ২ নং ওয়ার্ডের কর্মী সমর্থকরা নবীনগর প্রেসক্লাবের সভাপতি, নবীনগর পৌর আমেনা খাতুন মাদ্রাসার সভাপতি, নবীনগর দুর্নীতি প্রতিরোধ কমিটির সাধারণ সম্পাদক, আলমনগর ঐক্য ফোরামের সভাপতি মোঃ হোসেন শান্তি কে নিয়ে প্রচার প্রচারণা চালাচ্ছে। মোহাম্মদ হোসেন শান্তি দীর্ঘদিন ধরে নবীনগর পৌর এলাকার বিভিন্ন ওয়ার্ডে শিক্ষা সংস্কৃতির বিস্তারে ভূমিকা রেখে চলছেন। তিনি নবীনগর পৌর এলাকায় একজন ক্লিন ইমেজের ব্যক্তি হিসেবে পরিচিত।তিনি সার্বজনীন গ্রুপের মাধ্যমে তরুণ প্রজন্মকে বেকারত্বের অভিশাপ থেকে মুক্তি দিয়ে কর্মসংস্থানের ব্যবস্থা করছেন। দীর্ঘ দুই দশক ধরে,তিনি মেধাবী শিক্ষার্থী ও অসহায় পরিবারের পাশে সর্বদা যথাসাধ্য চেষ্টা করেন পাশে দাঁড়াতে। শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের উন্নয়নেও তিনি ভূমিকা রেখে চলছেন।নবীনগরের সাধারণ জনগণের সাথে কথা বলে জানা যায় মোহাম্মদ হোসেন শান্তি নবীনগর পৌর এলাকার জনপ্রতিনিধি হতে সাধারণ জনগণ নির্দিদায় সেবা নিতে পারবেন।
এই এম শান্তির নিকট নবীনগর পৌরসভার প্রার্থী হওয়ার বিষয়ে জানতে চাইলে তিনি বলেন, আমি গত বিশ বছর যাবৎ আমার ব্যক্তিগত অর্থায়নে শিক্ষা, সংস্কৃতি, ক্রিড়া ও সামাজিক উন্নয়নে কাজ করে যাচ্ছি বৃহত্তর পরিসরে কাজ করতে হলে জনপ্রতিনিধি হলে সহজ হয়,এজন্য আমি নবীনগর পৌরসভার নির্বাচনে প্রার্থী হওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছি,আমার জন্মভূমি আলমনগর গ্রামবাসী যদি সর্বোসম্মতিক্রমে আমাকে সমর্থন করে ও নবীনগরে পৌর বাসীও যদি আমার প্রতি আস্তাও বিশ্বাস রাখে, আমি নির্বাচিত হলে ইনশাআল্লাহ উন্নয়ন বান্ধব সুশৃঙ্খল পরিচ্ছন্ন নবীনগর পৌরসভা উপহার দিবো।
আমি নবীনগর সম্মানিত নবীনগরবাসীর দোয়া চাই ও নবীনগর পৌরবাসীকে আগাম ঈদুল ফিতরের শুভেচ্ছা জানাচ্ছি।