চুয়াডাঙ্গায় জামায়াত বিএনপি সংঘর্ষ নিহত ১
- আপডেট সময় : ১১:৫৬:০৫ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ১ মার্চ ২০২৬ ২৩ বার পড়া হয়েছে

চুয়াডাঙ্গা প্রতিনিধিঃ-
চুয়াডাঙ্গা জীবননগর জামায়াত-বিএনপির মধ্যে সংঘর্ষে আহত-৪ অদ্য ২৮ ফেব্রুয়ারী ২০২৬ ইং চুয়াডাঙ্গা জীবননগরের হাসাদাহ বাজারে ইফতারের পর বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী ও বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি)-এর নেতাকর্মীদের মধ্যে সংঘর্ষে অন্তত ৪ জন আহত হয়েছেন।
আহতদের জীবননগর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়েছে, একজনকে আশঙ্কাজনক অবস্থায় যশোর সদর হাসপাতালে রেফার করা হয়েছে। হাফিজুরকে যশোর থেকে ঢাকায় নেওয়ার পথে মারা গেছেন। সংঘর্ষে আহত ইউনিয়ন আমির
মফিজুর রহমান(৪০)কে গুরুতর অবস্থায় হাসপাতালের আইসিইউ ভর্তি করা হয়েছে। তার অবস্থাও আশঙ্কাজনক বলে জানা গেছে।
অদ্য ১ মার্চ ২০২৬ ইং সকাল ১০:৩০ জামায়াতের বিক্ষোভ মিছিল অনুষ্ঠিত হবে আহতরা হলেন বাঁকা ইউনিয়ন জামায়াতের আমির মফিজুর রহমান(৪০), জামায়াত কর্মী খায়রুল ইসলাম(৫০) ও মাহফুজ(২৫)।এছাড়াও হাসাদহ ইউনিয়ন স্বেচ্ছাসেবক দলের আহবায়ক মেহেদী হাসান(৩৫) ও তার বাবা জসীম উদ্দীন(৬০)। আহতদের উদ্ধার করে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়েছে। এদের মধ্যে জামায়াতের আমির মফিজুর রহমান ও তার ভাই হাফিজুর রহমানের অবস্থা আশংকাজনক হওয়ায় তাদের যশোর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠিয়ে দেন কর্তব্যরত চিকিৎসক।
জানা গেছে, হাসাদহ ইউনিয়ন স্বেচ্ছাসেবক দলের আহবায়ক মেহেদী হাসান নির্বাচনের একদিন পর গত ১৩ ফেব্রুয়ারি উপজেলার সুটিয়া গ্রামে যান। ওই গ্রামের জামায়াত কর্মী সোহাগ, হাফিজসহ গ্রামবাসী তার ওপর হামলা চালিয়ে রক্তাক্ত জখম করে।পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে আহত স্বেচ্ছাসেবক দলের আহবায়ক মেহেদী হাসানকে উদ্ধার করে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করেন। এই ঘটনার জের ধরে শনিবার সন্ধ্যার দিকে সুটিয়া গ্রামের বাঁকা ইউনিয়ন জামায়াতের আমির মফিজুর রহমান ও তার ভাই হাফিজুর রহমানসহ জামায়াত কর্মী খাইরুল ও মাহফুজ মটর সাইকেলে হাসাদহ বাজারের জামায়াত কার্যালয়ে আসার সময় কামিল মাদ্রাসার সামনে পৌঁছালে স্বেচ্ছাসেবক দলের আহবায়ক মেহেদী হাসান তাদের ওপর হামলা করে। এসময় উভয় পক্ষের মধ্যে সংঘর্ষে ছয়জন আহত হন। এঘটনায় উভয় দলের নেতাকর্মীদের মধ্যে চরম উত্তেজনা সৃষ্টি হয়। পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনার চেষ্টা চালায়।
জীবননগর উপজেলা বিএনপির সভাপতি আনোয়ার হোসেন খান বলেন, জামায়াত এই ঘটনার জন্য দায়ী। নির্বাচনের পর থেকে জামায়াত বিএনপির নেতাকর্মীদের সঙ্গে অহেতুক মারামারি শুরু করে। তারা আমাদের স্বেচ্ছাসেবক দলের নেতাকে নির্মমভাবে পিটিয়ে আহত অবস্থায় পুলিশের কাছে হস্তান্তর করে। সেই ঘটনার জেরে আজকের সংঘর্ষের ঘটনা। বিভিন্ন ইউনিয়ন থেকে জামায়াতের লোকজন জড়ো হয়ে বিএনপির নেতাকর্মীদের ওপর হামলার ঘটনা ঘটাচ্ছে।
এব্যপারে উপজেলা জামায়াতের আমির মাওলানা সাজেদুর রহমান জানান, জামায়াতের নিরাপরাধ নেতাকর্মীদের ওপর দেশীয় অস্ত্র নিয়ে হামলা চালানো হয়। স্থানীয় নেতারা নিরীহ কর্মীদের ওপর হামলার বিষয় জানতে চাইলে তারা আমাদের চারজন নেতা-কর্মীকে রক্তাক্ত জখম করে। এই ঘটনার প্রতিবাদ জানাই।
জীবননগর থানার অফিসার ইনচার্জ(ওসি) সোলাইমান শেখ জানান, স্বেচ্ছাসেবক দলের নেতা মেহেদী হাসানকে মারধরের রেশ ধরেই আজকের সংঘর্ষের সূত্রপাত। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে ঘটনাস্থলে পুলিশ ও সেনাবাহিনী কাজ করছে।















