দক্ষিণ রাউজানে শ্রীশ্রী লোকনাথ মন্দিরের ২২তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে মহতী ধর্মসভা ও চতুষ্প্রহরব্যাপী তারকব্রহ্ম মহানামযজ্ঞ অনুষ্ঠিত।
- আপডেট সময় : ০৭:৩৭:১২ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ২৩ ফেব্রুয়ারী ২০২৬ ৮৩ বার পড়া হয়েছে

মিলন বৈদ্য শুভ, রাউজান (চট্টগ্রাম):
চট্টগ্রামের রাউজান উপজেলার দক্ষিণ রাউজান পাঁচখাইন পশ্চিম নাথপাড়াস্থ ঐতিহ্যবাহী শ্রীশ্রী লোকনাথ মন্দিরের ২২তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে দুই দিনব্যাপী মহতী ধর্মসভা ও চতুষ্প্রহরব্যাপী সার্বজনীন শ্রীশ্রী তারকব্রহ্ম মহানামযজ্ঞ সংকীর্তন যথাযোগ্য ধর্মীয় ভাবগাম্ভীর্যে অনুষ্ঠিত হয়েছে।
গত ১৯ ও ২০ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ ইংরেজি, বৃহস্পতিবার ও শুক্রবার মন্দির প্রাঙ্গণে এ আয়োজন সম্পন্ন হয়। উৎসবকে কেন্দ্র করে পুরো এলাকায় ছিল উৎসবমুখর পরিবেশ। আয়োজক কমিটি সুশৃঙ্খলভাবে সকল কর্মসূচি বাস্তবায়ন করে।
অনুষ্ঠানের প্রথম দিন বৃহস্পতিবার আশীর্বাদক হিসেবে উপস্থিত ছিলেন উত্তর গুজরা জয় বাবা লোকনাথ কৃপা সংঘের অধ্যক্ষ শ্রীশ্রী ওঁকারনাথ ব্রহ্মচারী, শ্রীমৎ দয়ানাথ ব্রহ্মচারী, শ্রীমৎ রাজেন্দ্রনাথ ব্রহ্মচারী ও শ্রীমৎ মহেশ্বরানন্দ ব্রহ্মচারী।
বিকেলে মনোজ্ঞ সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান পরিচালনা করেন মাষ্টার সুভাষ দেবনাথ।
সন্ধ্যা ৬টায় চতুষ্প্রহরব্যাপী শ্রীশ্রী তারকব্রহ্ম মহানামযজ্ঞের শুভ অধিবাস অনুষ্ঠিত হয়। কীর্তন পরিবেশন করেন শ্রীশ্রী নব গৌর সম্প্রদায় ও সুমন দেবনাথ। শুভ অধিবাসের পৌরহিত্য করেন কৃষ্ণ স্বপন গোস্বামী। রাত ৯টায় ভক্তদের মাঝে অন্নপ্রসাদ বিতরণ করা হয়।
দ্বিতীয় দিন শুক্রবার ভোর ৫টায় শ্রীশ্রী তারকব্রহ্ম মহানামযজ্ঞের শুভারম্ভ হয়। দিনব্যাপী শ্রীশ্রী লোকনাথ বাবার পূজা, বাবার বাল্যভোগ নিবেদন, ঠাকুরের রাজভোগ, ভোগরতি কীর্তন ও অন্নপ্রসাদ বিতরণ অনুষ্ঠিত হয়। সন্ধ্যা ৬টায় মহানামযজ্ঞের পূর্ণাহুতির মাধ্যমে দুই দিনের ধর্মীয় আয়োজনের সমাপ্তি ঘোষণা করা হয়।
মহানামযজ্ঞ সংকীর্তন পরিবেশন করেন শ্রীশ্রী নব গৌর সম্প্রদায় (চট্টগ্রাম), শ্রীশ্রী আদিত্য নারায়ণ সম্প্রদায় (চট্টগ্রাম) এবং শ্রীশ্রী ঈশ্বর বাবা সম্প্রদায় (রাউজান, চট্টগ্রাম)।
উৎসব সফল করতে কণ্ঠশিল্পী সংঘ ও একতা সংঘ, পাঁচখাইন পশ্চিম নাথপাড়া এবং কর্ণফুলী সংঘের নেতৃবৃন্দ সার্বিক সহযোগিতা করেন। আয়োজক কমিটির পক্ষ থেকে আগত ভক্তবৃন্দ ও ধর্মপ্রাণ সনাতনী ভাইবোনদের প্রতি কৃতজ্ঞতা জানানো হয়। দুই দিনব্যাপী এ আয়োজনে মন্দির প্রাঙ্গণ ভক্তদের উপস্থিতিতে মুখরিত হয়ে ওঠে এবং শান্তিপূর্ণ পরিবেশে অনুষ্ঠান সম্পন্ন হয়।



















