প্রতিবন্ধীকে বালৎকার এক দিনে ৫ আসামী গ্রেফতার,জমমনে স্বস্থির নিশ্বাস
- আপডেট সময় : ০৩:১৯:৩১ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২০ ফেব্রুয়ারী ২০২৬ ৭৫ বার পড়া হয়েছে

ফারজানা আক্তার কুলিয়ারচর (কিশোরগঞ্জ) প্রতিনিধি : সাম্প্রতিক সময়ে কিশোরগঞ্জের কুলিয়ারচরে চুরি ছিনতাইয়ের ঘটনা অপরিমিত হারে বেড়ে যাওয়াতে স্থানীয়দের মনে আতঙ্ক বিরাজ করছে।থানার ওসির কোন কার্যকরী ভূমিকা না থাকায় জনমনে উদ্বেগ সৃষ্টি হচ্ছে । এই উদ্বেগ ও আতঙ্ক কমাতে জোড়ালো ভূমিকা নিলেন থানার পুলিশ পরিদর্শক খোকন চন্দ্র সরকার। সহকারি পুলিশ সুপার মোহাম্মদ ফয়জুল ইসলাম এর নেতৃত্বে খোকন চন্দ্র তার সঙ্গীয় পুলিশ ফোর্স নিয়ে এক দিনে ৫ আসামী গ্রেফতার করেন।জানা যায়,উপজেলার পৌর শহরের এক বুদ্ধি প্রতিবন্ধীকে বালৎকারের অভিযোগ পেলে সাথে সাথে কার্যকরী ভূমিকা নিলেন ওসি তদন্ত।গ্রফতার করলেন সালুয়া ইউনিয়নের সবুজ মিয়ার ছেলে আসামি সোহেল ওরফে কানা সোহেল (৩৬)কে।
এছাড়াও, পৌর এলাকার তাতার কান্দি গ্রামের দুই ছিনতাই কারি দুদু মিয়ার ছেলে রিমন মিয়া (৩১) ও রিকন মিয়া উরফে লিংকন (৩০) সহ সাজা প্রাপ্ত দুই আসামি কামালিয়া কান্দির মো: মিলন মিয়ার ছেলে মোঃ রামেল মাহমুদ (২৫) ও ছয়সুতী ইউনিয়নের শ্যামাইকান্দি গ্রামের লায়েস মিয়ার স্ত্রী ময়না বেগম কে।
জানা যায়, ছিনতাই কারি দুই ভাই রিমন ও রিকনের বিরুদ্ধে হত্যা, চুরি,ছিনতাই ও ডাকাতি সহ ডজন খানেক মামলা চলমান আছে।
এ সকল বিষয়ে পুলিশ সুপার ড.এস.এম.ফরহাদ হোসেন জানান,
কুলিয়ারচরের আইন শৃঙ্খলা তরারকি করার জন্য সহকারি পুলিশ সুপারকে নির্দেশনা দেওয়া আছে। সেই মোতাবেক তিনি কাজ করছেন। আইন শৃঙ্খলার সার্বিক পরিস্থিতি আমি নজরদারি করছি।
অন্যদিকে, পুলিশের এমন ভূমিকায় স্থানীয়দের মাঝে আশার আলো যেন ফিরে এসেছে। মাহবুবুর রহমান আলম, সাগর আহাম্মেদ, কামরুল ইসলাম সহ স্থানীয়রা দাবি করছেন ওসি নুরুন্নবীর পরিবর্তে যদি তদন্তকে ওসির দায়িত্ব দেওয়া হত এতে এলাকার মানুষ নিরাপদে বসবাস করতে পারতো।



















