ঢাকা ০৩:৫১ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ০৯ এপ্রিল ২০২৬, ২৫ চৈত্র ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম :
চুয়াডাঙ্গায় কালবৈশেখী ঝড়ের তান্ডবে গাছপালা ও ফসলের ব্যাপক ক্ষতি।।মৃত-১ চুয়াডাঙ্গায় মাদকবিরোধী অভিযানে ৩ মাদক ব্যবসায়ী আটক, বিভিন্ন মেয়াদে কারাদণ্ড চুয়াডাঙ্গার দামুড়হুদায় কার্ডের মাধ্যমে পেট্রোল ও ডিজেল বিক্রি শুরু: ভোগান্তি লাঘবে কঠোর নজরদারি। ঝিনাইদহের পল্লীতে চার বছরের কন্যা শিশু হাবিবাকে ধর্ষণের চেষ্টার রহস্যের জট খুলতে শুরু করেছে।। নিজ সন্তানকে ফিরে পেতে চায় চুয়াডাঙ্গার বড়শলুয়ার শাহিন।(পর্ব-২) জীবননগর সীমান্ত দিয়ে অবৈধভাবে ভারতে পাচার কালে ৪ শিশুসহ ৮ বাংলাদেশী উদ্ধার করেছে পুলিশ। সকলের সহযোগিতায় একটি আধুনিক উন্নত চুয়াডাঙ্গা গড়তে পারবো জেলা প্রশাসক মিজ্ লুৎফন নাহার চুয়াডাঙ্গায় জ্বালানি সরবরাহ স্বাভাবিক রাখতে কঠোর নির্দেশ দিলেন ডিসি লুৎফুন নাহার। দামুড়হুদা বাজার বণিক সমিতির সাধারণ সভা অনুষ্ঠিত: বাজারের উন্নয়নে একগুচ্ছ পরিকল্পনা ঘোষণা দামুড়হুদার কলাবাড়িতে পাওনা টাকা চাওয়ায় মা-ছেলেকে কুপিয়ে জখম: থানায় অভিযোগ। ঝিনাইদহে চার বছরের শি’শু কন্যাকে ধ’র্ষ’ণের চেষ্টা ও নির্যাতনের অভিযোগ দুই যুবকের বি’রুদ্ধে- চলছে তোলপাড়।(পর্ব-১)

ঝিনাইদহের পল্লীতে চার বছরের কন্যা শিশু হাবিবাকে ধর্ষণের চেষ্টার রহস্যের জট খুলতে শুরু করেছে।। নিজ সন্তানকে ফিরে পেতে চায় চুয়াডাঙ্গার বড়শলুয়ার শাহিন।(পর্ব-২)

Sapla News
  • আপডেট সময় : ০৩:৩৪:১২ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ৮ এপ্রিল ২০২৬ ৪৬ বার পড়া হয়েছে

 

বিশেষ প্রতিনিধিঃ
সবুজে শ্যামলে ভরা পল্লীর একটি গ্রামের নাম সাঁকারদাহ।ওই ঝিনাইদহ হরিণাকুন্ডু থানা থেকে মাত্র ১২ কিঃ মিঃ দূরে অবস্হিত।আবার, ঝিনাইদহ জেলা শহরেরও নিকটে সাঁকারদাহ গ্রামের অবস্হান।ওই গ্রামের বাজার সংলগ্ন একটি ভাড়া বাড়িতে বসবাস করে আসছেন টিপু ও হালিমা সস্ত্রীক।সম্প্রতি এদের পালিত চার বছরের কন্যা শিশু সন্তান হাবিবাকে স্হানীয় দুই মাদকাসক্ত রিফাত ও রয়েল ছলে বলে কলে কৌশলে জোরপূর্বক ধর্ষণের চেষ্টা ঘটনায়” টক অব দ্যা কানট্রি”তে পরিণত হয়েছে।
এ ঘটনায় হরিণকুন্ডু থানায় অভিযোগ দায়ের করা হলে পুলিশ রহস্য উম্মোচনের জন্য তদন্তে নামেন। শিশু ধর্ষণের নাটক সাজিয়ে ইয়া্বাখোর রিফাত ও রয়েলকে অজ্ঞাত এক জনের কু পরামর্শে ফাঁসানো হয়েছে স্হানীয়রা ধারণা করছেন। তবে, যেহেতু হরিণাকুন্ডু থানায় এজাহার দায়ের করা হয়েছে,সেহেতু,থানা পুলিশ রহস্য উদঘাটন ও অভিযুক্ত আসামীদের গ্রেফতারেরও চেষ্টা অব্যাহত রেখেছেন।এদিকে,চার বছরের শিশু কন্যা সন্তান উম্মে হাবিবার নিরাপত্তা নিয়ে প্রশ্ন দেখা দেয়ায় তালাকপ্রাপ্ত স্ত্রী হালিমার কাছে থেকে নিজ সন্তানকে ফিরে পেতে চায় চুয়াডাঙ্গা জেলা সদরের দর্শনা থানাধীন তিতুদহ ইউনিয়নের বড়সলুয়া গ্রামের শাহিন।

তথ্য অনুসন্ধান ও খোঁজখবর এবং বিভিন্ন অভিযোগের প্রেক্ষিতে জানা যায়,ঝিনাইদহ জেলার হরিণাকুন্ডু থানার চাঁদপুর ইউনিয়ন গ্রামের সরোয়ার হোসেন সরো র ছেলে টিপু (৪৫)প্রথম স্ত্রী থাকার পর চুয়াডাঙ্গা জেলার দর্শনা থানাধীন গড়ুইটুপি ইউনিয়নের মৃত বিশারত ও জোহরা বেগমের ছোট মেয়ে এবং তিতুদহ ইউনিয়নের বড়সলুয়া গ্রামের সাহাবুদ্দীনের বড় ছেলে শাহিনের স্ত্রী ২ সন্তানের জননী হালিম খাতুন (২৩)কে পরকেয়া করে বিয়ে করেন।বিয়ের পর টিপু ও হালিমা নিজে বাড়িতে ঠাই না পেয়ে পার্শ্ববর্তী কাপাসহাটিয়া ইউনিয়নের সাঁকারদাহ বাজার সংলগ্ন ওহিদের বাড়ি ভাড়া নিয়ে বসবাস করতে থাকেন।সেই সাথে ডুয়েল সংসার চালিয়ে যাচ্ছিলেন।
বিষয়টি গোপন রেখে হালিমা (২৩)র মা জোহরা বেগমের কু পরামর্শে বড়সলুয়ার শাহিনের কাছে থেকে মোটা অঙ্কের টাকা লুফে নেবার লক্ষ্যে দেনমোহর এবং যৌতুকের মিথ্যা অভিযোগ এনে চুয়াডাঙ্গা আমলী আদালতে মামলা হালিমার প্রথম স্বামী শাহিনের বিরুদ্ধে।সে মামলায় শাহিন ১৫ দিন কারাবরণও করেছিলেন।পরবর্তীতে দুটি মামলা মিথ্যা প্রমাণিত হওয়ায় আদালত শাহিনকে খালাস দেন।শাহিনের বড় সন্তান ওমর আলী(৬) নিজ থেকেই তার পিতা শাহিনের কাছে আসতে চাওয়ায় আদালত তা মঞ্জুর করেন।ওমর বর্তমানে তার পিতার শাহিনের কাছেই আছে।আর, শাহিনের ছোট মেয়ে উম্মে হাবিবা( ৪) শিশু হওয়ায় হালিমা র কাছে আছে।এমতাবস্হায়, শাহিন তার মেয়ে উম্মে হাবিবাকে খোরপোষ বহণ করে চলেছে এবং প্রতিনিয়ত খোঁজখবর নিয়ে চলেছেন।
এরই এক পর্যায়ে, চার বছরের শিশু কন্যা সন্তান উম্মে হাবিবাকে সাকারদাহ বাজার এলাকার শরিফুলের ছেলে রিফাত (২১) ও আওয়ালের ছেলে রয়েল(২২) কর্তৃক যৌন নিগৃত হওয়ার অভিযোগ উঠেছে।সেই সাথে মাছুম শিশু কন্যা হালিমাকে শারিরীক নির্যাতনের অভিযোগও প্রকাশ পেয়েছে।
এ ঘটনায়,উম্মে হাবিবার পক্ষে তার অভিভাবক টিপু নিজে বাদি হয়ে হরিণাকুন্ডু থানায় ইজহার দায়ের করেছেন থানা সূত্রে জানা যায়।থানা পুলিশ ঘটনাটি তদন্ত অব্যাহত রেখেছেন।এ রিপোর্ট লেখা পর্যন্ত থানা পুলিশ কাউকে গ্রেফতার করতে পারেন নি।
সাকারদাহ বাজারের বেশ কয়েক জন প্রতিবেদককে জানান, ওই বাজারের পাশে ওহিদের বাড়িতে রুম ভাড়া নিয়ে চাঁদপুরের সরোয়ারের ছেলে গরু ব্যবসায়ী টিপু ও তার ছোট স্ত্রী হালিম মিলে এলাকায় “ইয়াবা” ব্যবসা করে আসছে।এ ব্যবসার কারণে দীর্ঘ্যদিন ধরে রিফাত ও রয়েল ইয়াবা কিনতে নিয়মিত যাতায়াত করে।মাদক ব্যবসার কারণে এলাকার উঠতি বয়সের যুবকরা ধ্বংসের দিকে যাচ্ছে।এ নিয়ে যখন এলাকাবাসী তাদের ছেলেদের নষ্ট হওয়া নিয়ে চিন্তিত ছিলেন,ঠিক তখনই শিশু ধর্ষণের চেষ্টা ঘটনাটি হঠাৎ সামনে আসে।
এলাকাবাসী আরো জানায়, ওই বাজারের পাশে অজ্ঞাত এক ব্যক্তির সাথে ইয়াবা ব্যবসায়ী টিপু র ছোট স্ত্রী হালিমা পরকেয়ায় জড়িয়ে পড়েছে।টিপু বাইরে বাইরে ঘুরে বেড়ায় যখন তখন ওই ব্যক্তি হালিমা র ঘরে ঢুকে পরকেয়া করে।এ এফেয়ার্সে সবচেয়ে বড় বাঁধা হয়ে দাঁড়িয়েছিলো রিফাত ও রয়েল। এরা দু জন নিয়মিত ইয়াবা কিনতে টিপু- হালিমার বাড়িতে গিয়ে প্রায়ই দেখতে পায় অজ্ঞাত ওই ব্যক্তিকে।পথের কাঁটা সরাতে একটি নাটক সাজিয়ে রিফাত ও রয়েলকে ফাঁসানো হয়েছে বলে প্রতিয়মান হচ্ছে।
চার বছরের শিশু কন্যা উম্মে হাবিবাকে উপর্যুপরি শারিরীক নির্যাতন করেছে টিপু স্ত্রী হালিমা নিজেই।হাবিবা তার জবানবন্দীতে বলেছে তার আম্মু তাকে মুখে ও শরীরে আঘাত করেছে।অসহায় এ মেয়েটি আবারো হালিমার পরকেয়ার বলি হওয়ার আগেই তার নিরাপত্তার জন্য চুয়াডাঙ্গার শাহিন আদালতের সরণাপণ্য হচ্ছে বলে জানা গেছে।
যেকোন সময় চার বছরের শিশু কন্যা ধর্ষণের চেষ্টা ঘটনা সুরত হাল করানো চেষ্টা চলছে।রহস্য উম্মোচনের জন্য এলাকাবাসী নিজ থেকেই চেষ্টা করছেন।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

ট্যাগস :

ঝিনাইদহের পল্লীতে চার বছরের কন্যা শিশু হাবিবাকে ধর্ষণের চেষ্টার রহস্যের জট খুলতে শুরু করেছে।। নিজ সন্তানকে ফিরে পেতে চায় চুয়াডাঙ্গার বড়শলুয়ার শাহিন।(পর্ব-২)

আপডেট সময় : ০৩:৩৪:১২ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ৮ এপ্রিল ২০২৬

 

বিশেষ প্রতিনিধিঃ
সবুজে শ্যামলে ভরা পল্লীর একটি গ্রামের নাম সাঁকারদাহ।ওই ঝিনাইদহ হরিণাকুন্ডু থানা থেকে মাত্র ১২ কিঃ মিঃ দূরে অবস্হিত।আবার, ঝিনাইদহ জেলা শহরেরও নিকটে সাঁকারদাহ গ্রামের অবস্হান।ওই গ্রামের বাজার সংলগ্ন একটি ভাড়া বাড়িতে বসবাস করে আসছেন টিপু ও হালিমা সস্ত্রীক।সম্প্রতি এদের পালিত চার বছরের কন্যা শিশু সন্তান হাবিবাকে স্হানীয় দুই মাদকাসক্ত রিফাত ও রয়েল ছলে বলে কলে কৌশলে জোরপূর্বক ধর্ষণের চেষ্টা ঘটনায়” টক অব দ্যা কানট্রি”তে পরিণত হয়েছে।
এ ঘটনায় হরিণকুন্ডু থানায় অভিযোগ দায়ের করা হলে পুলিশ রহস্য উম্মোচনের জন্য তদন্তে নামেন। শিশু ধর্ষণের নাটক সাজিয়ে ইয়া্বাখোর রিফাত ও রয়েলকে অজ্ঞাত এক জনের কু পরামর্শে ফাঁসানো হয়েছে স্হানীয়রা ধারণা করছেন। তবে, যেহেতু হরিণাকুন্ডু থানায় এজাহার দায়ের করা হয়েছে,সেহেতু,থানা পুলিশ রহস্য উদঘাটন ও অভিযুক্ত আসামীদের গ্রেফতারেরও চেষ্টা অব্যাহত রেখেছেন।এদিকে,চার বছরের শিশু কন্যা সন্তান উম্মে হাবিবার নিরাপত্তা নিয়ে প্রশ্ন দেখা দেয়ায় তালাকপ্রাপ্ত স্ত্রী হালিমার কাছে থেকে নিজ সন্তানকে ফিরে পেতে চায় চুয়াডাঙ্গা জেলা সদরের দর্শনা থানাধীন তিতুদহ ইউনিয়নের বড়সলুয়া গ্রামের শাহিন।

তথ্য অনুসন্ধান ও খোঁজখবর এবং বিভিন্ন অভিযোগের প্রেক্ষিতে জানা যায়,ঝিনাইদহ জেলার হরিণাকুন্ডু থানার চাঁদপুর ইউনিয়ন গ্রামের সরোয়ার হোসেন সরো র ছেলে টিপু (৪৫)প্রথম স্ত্রী থাকার পর চুয়াডাঙ্গা জেলার দর্শনা থানাধীন গড়ুইটুপি ইউনিয়নের মৃত বিশারত ও জোহরা বেগমের ছোট মেয়ে এবং তিতুদহ ইউনিয়নের বড়সলুয়া গ্রামের সাহাবুদ্দীনের বড় ছেলে শাহিনের স্ত্রী ২ সন্তানের জননী হালিম খাতুন (২৩)কে পরকেয়া করে বিয়ে করেন।বিয়ের পর টিপু ও হালিমা নিজে বাড়িতে ঠাই না পেয়ে পার্শ্ববর্তী কাপাসহাটিয়া ইউনিয়নের সাঁকারদাহ বাজার সংলগ্ন ওহিদের বাড়ি ভাড়া নিয়ে বসবাস করতে থাকেন।সেই সাথে ডুয়েল সংসার চালিয়ে যাচ্ছিলেন।
বিষয়টি গোপন রেখে হালিমা (২৩)র মা জোহরা বেগমের কু পরামর্শে বড়সলুয়ার শাহিনের কাছে থেকে মোটা অঙ্কের টাকা লুফে নেবার লক্ষ্যে দেনমোহর এবং যৌতুকের মিথ্যা অভিযোগ এনে চুয়াডাঙ্গা আমলী আদালতে মামলা হালিমার প্রথম স্বামী শাহিনের বিরুদ্ধে।সে মামলায় শাহিন ১৫ দিন কারাবরণও করেছিলেন।পরবর্তীতে দুটি মামলা মিথ্যা প্রমাণিত হওয়ায় আদালত শাহিনকে খালাস দেন।শাহিনের বড় সন্তান ওমর আলী(৬) নিজ থেকেই তার পিতা শাহিনের কাছে আসতে চাওয়ায় আদালত তা মঞ্জুর করেন।ওমর বর্তমানে তার পিতার শাহিনের কাছেই আছে।আর, শাহিনের ছোট মেয়ে উম্মে হাবিবা( ৪) শিশু হওয়ায় হালিমা র কাছে আছে।এমতাবস্হায়, শাহিন তার মেয়ে উম্মে হাবিবাকে খোরপোষ বহণ করে চলেছে এবং প্রতিনিয়ত খোঁজখবর নিয়ে চলেছেন।
এরই এক পর্যায়ে, চার বছরের শিশু কন্যা সন্তান উম্মে হাবিবাকে সাকারদাহ বাজার এলাকার শরিফুলের ছেলে রিফাত (২১) ও আওয়ালের ছেলে রয়েল(২২) কর্তৃক যৌন নিগৃত হওয়ার অভিযোগ উঠেছে।সেই সাথে মাছুম শিশু কন্যা হালিমাকে শারিরীক নির্যাতনের অভিযোগও প্রকাশ পেয়েছে।
এ ঘটনায়,উম্মে হাবিবার পক্ষে তার অভিভাবক টিপু নিজে বাদি হয়ে হরিণাকুন্ডু থানায় ইজহার দায়ের করেছেন থানা সূত্রে জানা যায়।থানা পুলিশ ঘটনাটি তদন্ত অব্যাহত রেখেছেন।এ রিপোর্ট লেখা পর্যন্ত থানা পুলিশ কাউকে গ্রেফতার করতে পারেন নি।
সাকারদাহ বাজারের বেশ কয়েক জন প্রতিবেদককে জানান, ওই বাজারের পাশে ওহিদের বাড়িতে রুম ভাড়া নিয়ে চাঁদপুরের সরোয়ারের ছেলে গরু ব্যবসায়ী টিপু ও তার ছোট স্ত্রী হালিম মিলে এলাকায় “ইয়াবা” ব্যবসা করে আসছে।এ ব্যবসার কারণে দীর্ঘ্যদিন ধরে রিফাত ও রয়েল ইয়াবা কিনতে নিয়মিত যাতায়াত করে।মাদক ব্যবসার কারণে এলাকার উঠতি বয়সের যুবকরা ধ্বংসের দিকে যাচ্ছে।এ নিয়ে যখন এলাকাবাসী তাদের ছেলেদের নষ্ট হওয়া নিয়ে চিন্তিত ছিলেন,ঠিক তখনই শিশু ধর্ষণের চেষ্টা ঘটনাটি হঠাৎ সামনে আসে।
এলাকাবাসী আরো জানায়, ওই বাজারের পাশে অজ্ঞাত এক ব্যক্তির সাথে ইয়াবা ব্যবসায়ী টিপু র ছোট স্ত্রী হালিমা পরকেয়ায় জড়িয়ে পড়েছে।টিপু বাইরে বাইরে ঘুরে বেড়ায় যখন তখন ওই ব্যক্তি হালিমা র ঘরে ঢুকে পরকেয়া করে।এ এফেয়ার্সে সবচেয়ে বড় বাঁধা হয়ে দাঁড়িয়েছিলো রিফাত ও রয়েল। এরা দু জন নিয়মিত ইয়াবা কিনতে টিপু- হালিমার বাড়িতে গিয়ে প্রায়ই দেখতে পায় অজ্ঞাত ওই ব্যক্তিকে।পথের কাঁটা সরাতে একটি নাটক সাজিয়ে রিফাত ও রয়েলকে ফাঁসানো হয়েছে বলে প্রতিয়মান হচ্ছে।
চার বছরের শিশু কন্যা উম্মে হাবিবাকে উপর্যুপরি শারিরীক নির্যাতন করেছে টিপু স্ত্রী হালিমা নিজেই।হাবিবা তার জবানবন্দীতে বলেছে তার আম্মু তাকে মুখে ও শরীরে আঘাত করেছে।অসহায় এ মেয়েটি আবারো হালিমার পরকেয়ার বলি হওয়ার আগেই তার নিরাপত্তার জন্য চুয়াডাঙ্গার শাহিন আদালতের সরণাপণ্য হচ্ছে বলে জানা গেছে।
যেকোন সময় চার বছরের শিশু কন্যা ধর্ষণের চেষ্টা ঘটনা সুরত হাল করানো চেষ্টা চলছে।রহস্য উম্মোচনের জন্য এলাকাবাসী নিজ থেকেই চেষ্টা করছেন।