হিজলগাড়ী গ্রামে ছয় বছরের শিশু কন্যাকে ধর্ষণের চেষ্টায় সালিশ।অতঃপর,থানায় অভিযোগ দায়ের।
- আপডেট সময় : ০৪:৪১:৩৩ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ৪ এপ্রিল ২০২৬ ৬৪ বার পড়া হয়েছে

স্টাফ রিপোর্টারঃ চুয়াডাঙ্গা সদর উপজেলার দর্শনা থানাধীন হিজলগাড়ী গ্রাম সংলগ্ন ভুট্টা ক্ষেতে ৬ বছরের এক শিশু কন্যাকে ধর্ষণের চেষ্টা করেছে রাহুল (১৮) নামে এক লম্পট যুবক। এ ঘটনায় গ্রাম্য এক সালিশ সভা হয়।সেখানে বিষয়টি মোটা অঙ্কের কিছু টাকার মাধ্যমে ধামা চাপা দেবার চেষ্টা করা হয়।অবশেষে দর্শনা থানায় অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে। ঘটনাটি ঘটেছে গত ১ লা এপ্রিল দুপুরে।
এলাকাবাসী ও অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, সদর উপজেলার নেহালপুর ইউনিয়নের ১ নং ওয়ার্ডের বোয়ালিয়া গ্রামের মৃত মোয়াজ্জেম ফকিরের ছোট ছেলে সাহাবুল তার নাবালিকা শিশু কন্যাকে তার শশুর হিজলগাড়ী গ্রামের মাঝের পাড়ায় আইয়ুব আলীর কাছে রেখে প্রবাস জীবন কাটাচ্ছেন।এরই এক পর্যায়ে গত ১ লা এপ্রিল হিজলগাড়ী গ্রামের একই পাড়ার জনৈক গাঁজার ডিলার তরিকুলের লম্পট ছেলে রাহুল (১৮) নাবালিকা মেয়েকে গ্রাম সংলগ্ন ভুট্টা ক্ষেতে জোরপূর্বক নিয়ে গিয়ে ধর্ষণের চেষ্টা করে।ওই ঘটনার সময় জনৈক নজু কালার ছেলে তুষার তার নিজের ইড্রোয়েট ফোন দিয়ে ভিডিও করে।পরবর্তী বিষয়টি জানাজানি হয়ে গেলে ওইদিন রাতেই গ্রাম্য মাতবরদের এক সালিশ সভা বসে।ওই সভায় গাঁজা তরিকুলের আরেক গাঁজার খদ্দের নাবারিকা শিশু কন্যাকে নানা ৫০ হাজার টাকা দাবি করে।এক পর্যাযে, অর্থলোভী আইয়ুব আলী অর্থের মোহে পড়ে ঘটনাটিকে অস্বীকার করে বসে। এ সুযোগে গাঁজার ডিলার তরিকুলও টাকা দিতে অস্বীকার করে।
বিষয়টি ধামা চাঁপা দেবার চেষ্টা করা হলেও তার আগেই জল অনেক পর্যন্ত গড়িয়েছে।
অবশেষে, গত ২ রা এপ্রিল রাতে এক লিখিত অভিযোগ দর্শনা থানায় তদন্তের জন্য দায়ের করা হয়েছে।
এমন ঘটনার যথাযথ বিচার না হলে সমাজ ধ্বংস হয়ে যাবে।কারোর মেয়ে নিরাপদ থাকবে না।এ ঘটনার জন্য তদন্তপূর্বক আইনগত ব্যবস্হা নিতে পুলিশ প্রশাসনের প্রতি আহবান জানানো হয়।









