ঢাকা ০৩:৩৬ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ০২ এপ্রিল ২০২৬, ১৮ চৈত্র ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম :
বিপন্ন মেছো বিড়ালের বাচ্চা উদ্ধার ও অবমুক্ত করলো বাংলাদেশ ওয়াইল্ড লাইফ এন্ড নেচার ইনিশিয়েটিভ সংস্থা চাঁপাইনবাবগঞ্জে ভয়াবহ প্রতারণা: বিদেশেপাঠানোর নামে কোটি টাকা হাতিয়ে উধাও লিটন চুয়াডাঙ্গার আলমডাঙ্গায় ফুয়েল কার্ড নিতে এসে স্ট্রোকে একজনের মৃত্যু চুয়াডাঙ্গায় ৫৭৬ বোতল ফেয়ারডিলসহ প্রাইভেট ও ২ চোরাকারবারিকে আটক করেছে ডিবি। আলমডাঙ্গা পুলিশের গোপন অভিযানে ৯’হাজার লিটার পেট্রোল- অকটেন জব্দ।।আটক -৪ পানির প্রাপ্যতা ও সাম্যের জয়গান: দামুড়হুডায় বিশ্ব পানি দিবস পালিত চুয়াডাঙ্গায় জ্বালানী তেল সংকটে নাকাল,নাকি, সিন্ডিকেট করে সংকট তৈরি করা হচ্ছে?অনেক বাইক চালকদের বিরুদ্ধে জ্বালানী তেল মজুদের অভিযোগ। চুয়াডাঙ্গায় জ্বালানি তেলের মজুদ ও বিপণন নিয়ে জেলা প্রশাসনের গুরুত্বপূর্ণ মতবিনিময় সভা তিতুদহের কামাল মেম্বার আরো বেপরোয়া-এবার মাটি বিক্রি করছে বড়সলুয়া কাশেম মাষ্টারের ইট ভাটায়। চুয়াডাঙ্গায় এক নারীর সহযোগিতায় আরেক নারীকে দলবদ্ধ ধর্ষণ।

বিপন্ন মেছো বিড়ালের বাচ্চা উদ্ধার ও অবমুক্ত করলো বাংলাদেশ ওয়াইল্ড লাইফ এন্ড নেচার ইনিশিয়েটিভ সংস্থা

Sapla News
  • আপডেট সময় : ০১:৪৪:০৮ অপরাহ্ন, বুধবার, ১ এপ্রিল ২০২৬ ২২ বার পড়া হয়েছে

 

চুয়াডাঙ্গা প্রতিনিধিঃ
মেছো বিড়াল একটি নিরীহ বিপন্ন প্রাণী। কৃষকের বন্ধু মেছো বিড়াল তার জীবনকালে ৫০ লক্ষ টাকার ফসল ক্ষতির হাত থেকে রক্ষা করে। জলাশয়ের পরিবেশ রক্ষা করে অসুস্থ মাছ খেয়ে।
মানুষের সাথে সংঘাত এই প্রাণীটিকে আজ সংকটময় করে তুলছে।
ঝিনাইদহ জেলার ঝিনাইদহ সদর উপজেলার গোবিন্দপুর গ্রামে বুধবার একজন কৃষক সর্ব প্রথম বাচ্চা দুইটি দেখতে পান। পরবর্তীতে স্থানীয় আব্দুল আলিম নামের ব্যক্তি এর ভিডিও ফেইসবুকে আপলোড করলে দ্রুত বাংলাদেশ ওয়াইল্ড লাইফ এন্ড নেচার ইনিশিয়েটিভ এর সভাপতি ও বড় সলুয়া নিউ মডেল ডিগ্রি কলেজ এর প্রাণিবিদ্যা প্রভাষক আহসান হাবীব শিপলু উক্ত ব্যক্তির সাথে যোগাযোগ করেন। ঘটনাস্থলে দ্রুত সংগঠনের সদস্যরা উপস্থিত হন।সেই সাথে ঝিনাইদহ সদর বন কর্মকর্তা মো: জাকির হোসেন ও চুয়াডাঙ্গা সদর উপজেলার বন কর্মকর্তা আতা এলাহী কে বিষয়টি অবহিত করা হয়।
বাচ্চা দুইটির স্বাস্থ্য পরীক্ষা করা হয়। যেই স্থান হতে মেছো বিড়ালের ছানা দুইটি পাওয়া যায় সেই স্থানটি পর্যাবেক্ষন করে তার পাশে একটি পুকুর পাড়ের নিরাপদ স্থানে বাচ্চাগুলো রাখা হয়। মেছো বিড়ালের মায়ের অপেক্ষায় দূরে একস্থানে সংগঠনের সদস্যরা অবস্থান করে।
সংগঠনের সভাপতি স্থানীয় মানুষের সাথে মেছো বিড়ালের গুরুত্ব ও বন্যপ্রাণী সংরক্ষণ ও নিরাপত্তা আইন সম্পর্কে অবহিত করেন।
সংগঠনের সভাপতি জানান মেছো বিড়ালের একটি স্পট আমাদের ঝিনাইদহ, চুয়াডাঙ্গা ও কুষ্টিয়া জেলা। আমাদের সংগঠন মেছো বিড়াল সংরক্ষণের প্রতিনিয়ত কাজ করে যাচ্ছে। মেছো বিড়াল ও সহাবস্থানের জন্য প্রচারণা অব্যাহত রয়েছে। প্রাণীটি নিরিহ। কিন্তু বাঘের মত ডোরা কাটা, নখ দেখে অনেক স্থানে প্রাণীটিকে বাঘ হিসাবে নামকরণ করে থাকে। যা আরো সংঘাত সৃষ্টি করে। আমাদের কৃষকের বন্ধু মেছো বিড়াল কেউ যদি মারে, আটক করে তবে আইন হলো ৫০০০০ হাজার টাকা জরিমানা এবং ১ বছরের জেল অথবা উভয় দন্ড।
তাই প্রানীটির গুরুত্ব ও আইনের প্রতি শ্রদ্ধা রেখে প্রাণীটিকে সকলে মিলে সংরক্ষণের চেষ্টা করতে হবে।
এসময় উপস্থিত ছিলেন সংগঠনের সাহাবুল হোসেন, নীরব আলী ও স্থানীয় ব্যক্তিবর্গ।
পরবর্তীতে গোবিন্দপুর গ্রামে মেছো বিড়ালের সংরক্ষণে চায়ের দোকানে লিফলেট বিতরণ করা হয়।।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

ট্যাগস :

বিপন্ন মেছো বিড়ালের বাচ্চা উদ্ধার ও অবমুক্ত করলো বাংলাদেশ ওয়াইল্ড লাইফ এন্ড নেচার ইনিশিয়েটিভ সংস্থা

আপডেট সময় : ০১:৪৪:০৮ অপরাহ্ন, বুধবার, ১ এপ্রিল ২০২৬

 

চুয়াডাঙ্গা প্রতিনিধিঃ
মেছো বিড়াল একটি নিরীহ বিপন্ন প্রাণী। কৃষকের বন্ধু মেছো বিড়াল তার জীবনকালে ৫০ লক্ষ টাকার ফসল ক্ষতির হাত থেকে রক্ষা করে। জলাশয়ের পরিবেশ রক্ষা করে অসুস্থ মাছ খেয়ে।
মানুষের সাথে সংঘাত এই প্রাণীটিকে আজ সংকটময় করে তুলছে।
ঝিনাইদহ জেলার ঝিনাইদহ সদর উপজেলার গোবিন্দপুর গ্রামে বুধবার একজন কৃষক সর্ব প্রথম বাচ্চা দুইটি দেখতে পান। পরবর্তীতে স্থানীয় আব্দুল আলিম নামের ব্যক্তি এর ভিডিও ফেইসবুকে আপলোড করলে দ্রুত বাংলাদেশ ওয়াইল্ড লাইফ এন্ড নেচার ইনিশিয়েটিভ এর সভাপতি ও বড় সলুয়া নিউ মডেল ডিগ্রি কলেজ এর প্রাণিবিদ্যা প্রভাষক আহসান হাবীব শিপলু উক্ত ব্যক্তির সাথে যোগাযোগ করেন। ঘটনাস্থলে দ্রুত সংগঠনের সদস্যরা উপস্থিত হন।সেই সাথে ঝিনাইদহ সদর বন কর্মকর্তা মো: জাকির হোসেন ও চুয়াডাঙ্গা সদর উপজেলার বন কর্মকর্তা আতা এলাহী কে বিষয়টি অবহিত করা হয়।
বাচ্চা দুইটির স্বাস্থ্য পরীক্ষা করা হয়। যেই স্থান হতে মেছো বিড়ালের ছানা দুইটি পাওয়া যায় সেই স্থানটি পর্যাবেক্ষন করে তার পাশে একটি পুকুর পাড়ের নিরাপদ স্থানে বাচ্চাগুলো রাখা হয়। মেছো বিড়ালের মায়ের অপেক্ষায় দূরে একস্থানে সংগঠনের সদস্যরা অবস্থান করে।
সংগঠনের সভাপতি স্থানীয় মানুষের সাথে মেছো বিড়ালের গুরুত্ব ও বন্যপ্রাণী সংরক্ষণ ও নিরাপত্তা আইন সম্পর্কে অবহিত করেন।
সংগঠনের সভাপতি জানান মেছো বিড়ালের একটি স্পট আমাদের ঝিনাইদহ, চুয়াডাঙ্গা ও কুষ্টিয়া জেলা। আমাদের সংগঠন মেছো বিড়াল সংরক্ষণের প্রতিনিয়ত কাজ করে যাচ্ছে। মেছো বিড়াল ও সহাবস্থানের জন্য প্রচারণা অব্যাহত রয়েছে। প্রাণীটি নিরিহ। কিন্তু বাঘের মত ডোরা কাটা, নখ দেখে অনেক স্থানে প্রাণীটিকে বাঘ হিসাবে নামকরণ করে থাকে। যা আরো সংঘাত সৃষ্টি করে। আমাদের কৃষকের বন্ধু মেছো বিড়াল কেউ যদি মারে, আটক করে তবে আইন হলো ৫০০০০ হাজার টাকা জরিমানা এবং ১ বছরের জেল অথবা উভয় দন্ড।
তাই প্রানীটির গুরুত্ব ও আইনের প্রতি শ্রদ্ধা রেখে প্রাণীটিকে সকলে মিলে সংরক্ষণের চেষ্টা করতে হবে।
এসময় উপস্থিত ছিলেন সংগঠনের সাহাবুল হোসেন, নীরব আলী ও স্থানীয় ব্যক্তিবর্গ।
পরবর্তীতে গোবিন্দপুর গ্রামে মেছো বিড়ালের সংরক্ষণে চায়ের দোকানে লিফলেট বিতরণ করা হয়।।