স্টাফ রিপোর্টারঃ:-
চুয়াডাঙ্গা আলমডাঙ্গা উপজেলার তন্তবায় সমবায় সমিতির ৮০ লাখ টাকা গায়েবের অভিযোগ উঠেছে।কর্তৃপক্ষ কান মুখ নাড়ছে না।এ নিয়ে এলাকায় আলোচনা সমালোচনার ঝড় চলছে।
তথ্য বিবরণী ও লিখিত অভিযোগের প্রেক্ষিতে জানা যায়,আলমডাঙ্গা উপজেলার একটি অন্যতম প্রধান সমবায় প্রতিষ্ঠান হলো আলমডাঙ্গা কেন্দ্রীয় তন্তুবায় সমবায় শিল্প সমিতি লিঃ। এটি স্থানীয় তাঁত শিল্প ও তাঁতীদের স্বার্থ রক্ষায় কাজ করে। এটি চুয়াডাঙ্গা জেলার আলমডাঙ্গায় অবস্থিত । প্রতিষ্ঠানটি অনেক পুরনো এবং এর নিবন্ধন নং বর্তমানে - ১৩৩, ( আগে ছিলো নিবন্ধন নং ০১ ) , তারিখ : ০১/০৩/১৯৩৮ইং , যা পরবর্তীতে সংশোধিত হয়েছে, এবং রেজিস্ট্রেশন নং হয়েছে ১৩৩। এই সমিতি স্থানীয় তাঁতীদের সুতা ও অন্যান্য কাঁচামাল সরবরাহ, উৎপাদিত পণ্যের বিপণন এবং তাঁত শিল্পকে টিকিয়ে রাখতে সহায়তা করার বিধান থাকলেও, এখন আর এটা হয় না । বর্তমানে সুতা ও রংয়ের উচ্চমূল্য এবং যান্ত্রিক তাঁতের প্রতিযোগিতার কারণে এই এলাকার ঐতিহ্যবাহী হাতের তাঁত শিল্পটি হুমকির মুখে পড়ে গেছে । ফলে, সমিতির আওতাধীন অনেক তাঁতী পেশা বদল করতে বাধ্য হয়েছে ইতিমধ্যেই । সম্প্রতি এই সমিতির নতুন ব্যবস্থাপনা কমিটি দায়িত্ব গ্রহণ করেছে । যারা মূল দায়িত্ব নিয়েছে তারা কোন ভোটের মাধ্যমে দায়িত্ব নেয় নাই, জোর পূর্বক ক্ষমতার দাপট দেখিয়ে এই কমিটির সভাপতি এবং সাধারণ সম্পাদক হয়েছে বলে জানা গেছে । তাঁতিদের অভিযোগ, তাঁত শিল্পের কাঁচামালের দাম বৃদ্ধি এবং মজুরি কম হওয়ায় বাপ-দাদার পেশা ধরে রাখা কষ্টসাধ্য হয়ে পড়ছে এলাকার তাঁতীদের । সরকারি প্রণোদনা ও ভর্তুকি ছাড়া এই শিল্প টিকিয়ে রাখা কঠিন বলে মনে করছে এলাকার কিছু তাঁতী ।
ওই তন্তবায় সমিতির বর্তমান সভাপতি+সাধারণ সম্পাদকের সকল অনিয়ম,দুর্নীতি,জুলুম এবং লুটপাটের ফিরিস্তি তুলে ধরা হলো । পাশাপাশি অতীতের সভাপতি গোলাম রহমান সিঞ্জুল এবং সাধারণ সম্পাদক আবু মুছারও কিছু অনিয়ম, দুর্নীতি এবং লুটপাটেরও অভিযোগ রয়েছে।
আলমডাঙ্গা কেন্দ্রীয় তন্তবায় সমবায় শিল্প সমিতি লিঃ এর বর্তমান সভাপতি হলো মহির উদ্দিন, আর সাধারণ সম্পাদক হলো হাসেম আলী। সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক দুজনেরই বাড়ী হলো কুমারী ইউনিয়নের কুমারী গ্রামে। একটি সমিতির সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক একই ইউনিয়নের একই গ্রামের বাসিন্দা হতে পারবে না, এটা সমিতি সকল সদস্যদের সিদ্ধান্তে আগেই বলা আছে । নিয়ম বহির্ভূত ভাবে, ক্ষমতার অপব্যবহার করে জোর পূর্বক মহির উদ্দিন এবং হাশেম সভাপতি এবং সাধারণ সম্পাদক পদে বসে অনিয়ম, দুর্নীতি, জুলুম এবং লুটপাট চালিয়ে যাচ্ছে বলে অভিযোগ উঠেছে ।
আলমডাঙ্গা কেন্দ্রীয় তন্তবায় সমবায় শিল্প সমিতি লিঃ এর অধীনে ১৫টি ইউনিয়নে ১৫টি ইউনিয়ন কমিটি আছে, এবং ১টি পৌরসভা কমিটি আছে । সর্বমোট ১৬টি কমিটি স্হানীয় পর্যায়ে আছে । কিন্তু অত্যন্ত ভয়ংকর তথ্য হলো এই, উক্ত ১৬টি কমিটি দায়িত্ব পালন করা সদস্যদের কোন মতামত এবং সিদ্ধান্তকেই তোয়াক্কা করছে না বর্তমান সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক। এটা অত্যন্ত আপত্তিকর এবং জঘন্যতম অপকর্ম বলে বিবেচিত হচ্ছে বর্তমান তাঁত শিল্পের সাথে জড়িত কারিকর সম্প্রদায়ের লোকজনদের নিকট । বর্তমান সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদককে আলমডাঙ্গা কেন্দ্রীয় তন্তবায় সমবায় শিল্প সমিতি লিঃ এর অধিকাংশ সদস্যই খারাপ বলে অভিযোগ তুলেছে ইতিমধ্যেই ।
আলমডাঙ্গা উপজেলার ১৫টি ইউনিয়নের এবং ১টি পৌরসভার তৃণমূলের কারিকর সম্প্রদায়ের লোকজন এর আমনত এই কেন্দ্রীয় তন্তবায় সমবায় শিল্প সমিতি লিমিটেড ।বড়ই আশ্চর্য্যের বিষয় হলো এই, তাঁত শিল্পের সাথে জড়িত কারিকর সম্প্রদায়ের লোকজন নিয়ে কমিটি সমূহের সদস্যদের কোন ভোটে বর্তমান সভাপতি এবং সাধারণ সম্পাদক নির্বাচিত নয় । সম্পূর্ণ নিয়ম বহির্ভূত ভাবে এবং ইউনিয়ন কমিটি সমূহের সদস্যদের পুরোপুরি পাশ কাটিয়ে ক্ষমতা জোরে এক তরফা ভাবে নিয়ম নীতির তোয়াক্কা না করে নামকা ওয়াস্তে একটি লোক দেখানো কমিটি করা হয়েছে । একই সমিতি গঠন করতে একই গ্রাম কুমারী থেকে সভাপতি এবং সম্পাদক সিলেকশন করা হয়েছে, এটা অবৈধ,অবৈধ এবং অনিয়মতান্ত্রিক । এই অবৈধ পন্থায় সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক সিলেকশন করে কমিটি গঠনের বিরুদ্ধে বর্তমান সিংহভাগ তাঁত শিল্পের সাথে জড়িত কারিকর সম্প্রদায়ের লোকজন ।
শত কোটি টাকার জমি/সম্পদ থেকে আয়ের টাকা গুলো লুটপাটের বা ভাগাভাগি করে খেয়ে ফেলার বিষয়ে.......আলমডাঙ্গা কেন্দ্রীয় তন্তবায় সমবায় শিল্প সমিতি লিঃ এর অধীনে থাকা জমি/সম্পদ থেকে মাসে প্রায় ১,১০,০০০ ( এক লক্ষ দশ হাজার ) টাকা আয় হয়। অনেক গুলো দোকান বরাদ্দ দেওয়া থেকে বা মাসিক ভাড়া আদায় থেকে প্রতি মাসে যে লক্ষাধিক টাকা আয় হয়, এই টাকা কে কি ভাবে খরচ করে ? এটাই হলো সাধারণ সদস্যদের এখন প্রধান অভিযোগের বিষয় । আবার এই সম্পদ/জমি/দোকান ভাড়া থেকে আয়ের টাকা ব্যাংকে গচ্ছিত ছিলো প্রায় ৮০/৮৫ লক্ষ টাকা । এই গচ্ছিত টাকা ব্যাংক থেকে তুলে মেরে খেয়েছে কারা ? এবং কে কে ? এটাও এখন সকল সদস্যদের সামনে স্পষ্ট হয়ে গেছে । এই অভিযোগের তীরও এখন বর্তমান সভাপতি এবং সাধারণ সম্পাদকের দিকেই যাচ্ছে বলে দেখা যাচ্ছে।
কিছু আপত্তি বা জঘন্যতম অভিযোগ উঠেছে বর্তমান সভাপতি এবং সাধারণ সম্পাদকের বিরুদ্ধে । আলমডাঙ্গা কেন্দ্রীয় তন্তবায় সমবায় শিল্প সমিতি লিঃ এর প্রপার্টিতে যে সকল ভাড়াটিয়া আছে তাদেরকে বিভিন্ন ভয়-ভীতি দেখিয়ে দোকান ছাড়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে, এবং হচ্ছেও। ভাড়া বৃদ্ধি করা হয়েছে অনিয়মতান্ত্রিক ভাবে, যেটা সমিতির সদস্যদের সিদ্ধান্ত বহির্ভূত । দোকান সমূহের ভাড়া বৃদ্ধি, এটা সম্পূর্ণ ভাবে সমবায় সমিতির নিয়ম না মেনে করা হচ্ছে ক্ষমতার অপব্যবহার করেই । সভাপতি এবং সাধারণ সম্পাদক নিজেদের ইচ্ছা মাফিক ভাড়া বাড়িয়ে দোকান্দারদের উপর জুলুম করছে বলেও অভিযোগ উঠেছে । দোকান যে সকল ব্যবসায়ী নিয়েছিলো তারা লক্ষ লক্ষ টাকা সিকিউরিটি দিয়ে নিয়েছিলো, সেই সিকিউরিটির টাকা গুলো ব্যাংকে জমা ছিলো। ব্যাংকে জমাকৃত লক্ষ লক্ষ টাকা বর্তমান সভাপতি এবং সাধারণ সম্পাদক সহ কিছু দলীয় খাই খাই নেতারা মেরে খাচ্ছে বলেও অভিযোগ উঠেছে । কোন ভাড়াটিয়া বা দোকান্দার সভাপতি এবং সাধারণ সম্পাদকের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ করলে তাকে উচ্ছেদের হুমকি দিয়ে থাকে লুটপাট কারী সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক দুজনই ।
আলমডাঙ্গা কেন্দ্রীয় তন্তবায় সমবায় শিল্প সমিতি লিমিটেড প্রপার্টির বর্তমান বাজার মূল্য শত কোটি টাকারও উপরে বলে জানা গেছে ।
এবার আসা যাক একজন দোকানের মালিকের অভিযোগ প্রসঙ্গে আজিজুল হক, তিনি বাদী হয়ে চুয়াডাঙ্গা জেলা সমবায় অফিসারের বরাবরে দরখাস্ত করেছে, জেলা প্রশাসকের বরাবরে দরখাস্ত করেছে, পুলিশ সুপারের বরাবরে দরখাস্ত করেছে, উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা আলমডাঙ্গার বরাবরে দরখাস্ত করেছে, খুলনার ডিআইজি (পুলিশের) বরাবরে দরখাস্ত করেছে, দুদকে দরখাস্ত করেছে । এছাড়াও আরও অনেক জায়গায় দরখাস্ত করেছিলেন বলে জানতে পেরেছি । এত কিছুর পরও মোঃ আজিজুল হক পেরে উঠেনি দেশ টা অনিয়ম, দুর্নীতি এবং লুটপাট কারীদের আখড়ায় পরিণত হয়েছে বলেই । প্রায় জায়াগাতেই টাকা পয়সা মেরে ম্যানেজ করেছিলো ঐ সময়ের সভাপতি মোঃ গোলাম রহমান সিঞ্জুল এবং সাধারণ সম্পাদক আবু মুছা । সিঞ্জুল+আবু মুছার সেই রেওয়াজ টা যেন এখনও বন্ধ হয়নি, কারণ এখন চলছে বিএনপি পন্থী সভাপতি মহির এবং সাধারণ সম্পাদক হাশেমের ক্ষমতার দৌরাত্ম । আগে লুটপাট করে খেয়েছে গোলাম রহমান সিঞ্জুল এবং আবু মুসা । আর এখন লুটপাট করে খাচ্ছে মহির আর হাশেম গং ।
ইতোপূর্বে এ সংক্রান্ত রিপোর্ট বিভিন্ন পত্রিকায় প্রকাশিত হয় গোলাম রহমান সিঞ্জুল এবং আবু মুসার অনিয়ম, দুর্নীতি, জুলুম এবং লুটপাটের বিরুদ্ধে । এই সব প্রমাণ এখনও রয়ে গেছে বিভিন্ন স্হানে, কিন্তু কোন আইনি ব্যবস্থা বা সমবায় সমিতির কর্মকর্তারা কোন ব্যবস্থা নেয় নাই ।
বিশ্বস্ত সূত্রে জানা গেছে যে, সব মিলে আলমডাঙ্গা কেন্দ্রীয় তন্তবায় সমবায় শিল্প সমিতি লিঃ এর ৮০/৮৫ লক্ষ টাকা আত্মসাৎ হয়ে গেছে বলে অভিযোগ উঠেছে । আগের সভাপতি গোলম রহমান সিঞ্জুল এবং সাধারণ সম্পাদক আবু মুছা, আর বর্তমান কমিটির সভাপতি মহির আর সাধারণ সম্পাদক হাসেম মিলেই নাকি এই ৮০/৮৫ লক্ষ টাকা লুটপাট করেছে বা মেরে খেয়েছে । এই বিষয়ে এখন আলমডাঙ্গা কেন্দ্রীয় তন্তবায় সমবায় শিল্প সমিতি লিঃ এর সকল সদস্য বা তাঁতীরা/কারিগর সম্প্রদায়ের লোকজন ক্ষিপ্ত হয়ে উঠেছে । তাঁতীরা/কারিকর সম্প্রদায়ের লোকজনেরা হইতো খুব শীঘ্রই আন্দোলন করতে পারে তাদের সমিতির ৮০/৮৫ লক্ষ জমানো টাকার হিসাব চেয়ে । এছাড়াও সমিতির জমির উপর অবস্থিত বেশ কিছু দোকান মালিক বা ব্যবসায়ীও মামলা মোকদ্দমাও করতে পারে বর্তমান সভাপতি এবং সাধারণ সম্পাদকের নামে ।
যেহেতু আগেই মোঃ আজিজুল হক সাহেব সহ আরও কয়েকজন বিভিন্ন জায়গায় বা দপ্তরে অভিযোগ করেছিলো, সেই আলোকে ৮০/৮৫ লক্ষ টাকার হিসেব টা নিয়ে খোঁজ খবর নেওয়া এখন বড়ই জরুরী হয়ে পড়েছে । ইউনিয়ন এবং পৌরসভায় যে সকল সমিতির কমিটি আছে তাদের উচিৎ হবে এখনই সকল হিসাব চেয়ে ৮০/৮৫ লক্ষ টাকা কোথায় গেছে সেটা বের করা ।
ডিআইজি (পুলিশ) খুলনা, দুর্নীতি দমন কমিশন ( দুদক ), জেলা প্রশাসক চুয়াডাঙ্গা,পুলিশ সুপার চুয়াডাঙ্গা, জেলা সমবায় অফিসার চুয়াডাঙ্গা, উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা আলমডাঙ্গা, এই বিষয়ে আগে থেকেই অবগত আছেন । সেই আলোকে অতীব জরুরী বিষয় হলো এই, বিষয়টি বিবেচনায় নিয়ে ব্যবস্থা গ্রহণ করা কল্পে ৮০/৮৫লক্ষ টাকা কি হয়েছে সেটার বিষয়ে একটি সঠিক হিসাব তুলে ধরা এবং সমিতির সকল সদস্যদের মধ্যে টাকার হিসাব তুলে ধরার ব্যবস্থা করা। আলমডাঙ্গা উপজেলার তাঁত শিল্পের সাথে জড়িত কারিকর সম্প্রদায়ের সম্পদ শুধু আলমডাঙ্গা শহরেই আছে শত কোটি টাকার উপরে । এই সম্পত্তি/সম্পদ নিয়ে যারা ছিনিমিনি খেলছে তাদেরকে আইনের আওতায় আনা খুবই জরুরী হয়ে পড়েছে । আলমডাঙ্গা কেন্দ্রীয় তন্তবায় সমবায় শিল্প সমিতি লিঃ এর আনুমানিক ৮০/৮৫ লক্ষ টাকা আত্মসাৎ কারী সাবেক/বর্তমান সভাপতি এবং সাধারণ সম্পাদকদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের জোর দাবি জানাচ্ছি । আর যদি এই সকল অনিয়ম কারীরা, দুর্নীতি বাজেরা, জুলুম কারীরা, লুটপাট কারীরা পার পেয়ে যায়....... তাহলে বুঝবো এদেশে সততার, ন্যায়ের, বিবেকের, মনূষ্যত্ত্বের, আদর্শের,ইনসাফের মৃত্যু হয়েছে।
আলমডাংগা উপজেলায় প্রায় ৩২ হাজার তাঁত শিল্পের সাথে জড়িত কারিকর সম্প্রদায়ের ভোটার আছে । তাঁতী/কারিকর নাগরিকের সংখ্যা আরও অনেক বেশী আছে বলে ধারণা করা হচ্ছে । আলমডাঙ্গা উপজেলায় ১৫টি ইউনিয়নেই তন্তবায় সমবায় শিল্প সমিতির কমিটি আছে, এবং একটি পৌরসভাতেও তন্তবায় সমবায় শিল্প সমিতির ১টি কমিটি আছে । এই ১৬টি কমিটি নিয়ে গঠিত আলমডাঙ্গা কেন্দ্রীয় তন্তবায় সমবায় শিল্প সমিতি লিঃ। তাহলে এই সমিতির গুরুত্ব কতখানি সেটা অনুধাবন করার জন্য যথাযথ কর্তৃপক্ষের নিকট অনুরোধ করছি ।
বর্তমান কমিটির যে সকল সদস্যরা সমিতির টাকা গুলো লুটপাট করে খাচ্ছে বলে অভিযোগ উঠেছে, তাদের নাম সমূহ দেখুন.....(১) মহির, (২) হাসেম, (৩) মেহেদী, (৪) মোস্তফা। এই চার জন মিলেই উক্ত সমিতির টাকা গুলো লুটপাট করে খাচ্ছে বলে জোরালো অভিযোগ উঠেছে তাঁতীদের/কারিকর সম্প্রদায়ের লোকজনের মধ্য থেকে ।
পাশাপাশি অবৈধ ভাবে ও বিনা ভোটের মাধ্যমে পকেট কমিটির সভাপতি মহির এবং সাধারণ সম্পাদক হাসেম গংদের বিরুদ্ধে তদন্তপূর্বক আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের জোর দাবি তুলেছে ইউনিয়ন সহ পৌর সভার কমিটির সদস্য গণ ।
উল্লেখ্য যে, আলমডাঙ্গা তন্তবায় সমবায় শিল্প সমিতি লিঃ এর জমির উপর একটি অতি পুরাতন ভবন ছিলো, সেই পুরাতন ভবনে সোনালী ব্যাংকের কার্যক্রম চলতো এক সময় । সেই পুরাতন ভবন বিক্রি করেছিলো গোলাম রহমান সিঞ্জুল মিয়া সভাপতি থাকা অবস্থায় । তখন ঐ ভবন বিক্রি করেছিলো প্রায় ১২লক্ষ টাকায়। এই ১২লক্ষ টাকা তখন গোলাম রহমান সিঞ্জুল মিয়া একাই খেয়ে দিয়েছিলো ? নাকি অন্য কারোকে সাথে নিয়ে খেয়েছিলো ? কিন্তু মজার ব্যাপার হলো এই, এখন যে বিনা ভোটের ক্ষমতার দাপটে পকেট কমিটির সভাপতি এবং সাধারণ সম্পাদক এরা এসে সিঞ্জুল মিয়ার নিকট থেকে সেই ১২লক্ষ টাকার হিসেব চাইছিলো । কিন্তু সিঞ্জুল মিয়া তলে তলে বর্তমান সভাপতি মহিরকে মাল খাওয়ায়ে সব কিছু আড়াল করে দিয়েছে বলেও জানা গেছে ।
আলমডাঙ্গা কেন্দ্রীয় তন্তবায় সমবায় শিল্প সমিতি লিমিটেডের অবৈধ নির্বাচনের বিরুদ্ধে গোলাম সরোয়ার শামিম মামলা করেছিলো, সেই মামলার কপিও নিম্নে তুলে ধরা হলো ।
প্রকাশক ও সম্পাদক: জালাল উদ্দিন||ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক: তহিরুল ইসলাম || মোবা: ০১৭১২-০৯৫৭৪৭ | ০১৯৭৬-৪৭৪৭১৪ বিজ্ঞাপন: ০১৭৪২-৮০১৭২৬ E-mail: saplanews24@gmail.com যোগাযোগের ঠিকানা ঢাকা অফিস: মা ম্যানশন, বাড়ি নং ২২৯ ব্লক-ডি মিজমিজি মৌচাক রোড সিদ্ধিরগঞ্জ, ঢাকা;শাখা অফিস: দর্শনা বাস স্ট্যান্ড- শাপলা ক্লিনিক গ্রাউন্ড ফ্লোর, দর্শনা, চুয়াডাঙ্গা
www.saplanews24.com