আলমডাঙ্গা ইছেরদাড়ী খাল খনন কাজের উদ্ভোধন অনুষ্ঠানে পানি সম্পদমন্ত্রী শহীদ উদ্দীন এ্যানি বলেন-“খাল খনন কাজে কোন রকম অনিয়ম বরদাস্ত করা হবে না।
- আপডেট সময় : ১২:৪৭:৩৬ অপরাহ্ন, শনিবার, ১১ এপ্রিল ২০২৬ ৩৬ বার পড়া হয়েছে

চুয়াডাঙ্গা প্রতিনিধিঃ
পানিসম্পদ মন্ত্রী শহীদ উদ্দিন চৌধুরী (এ্যানি) বলেছেন, দীর্ঘদিন খাল খনন না হওয়ায় শুধু চুয়াডাঙ্গা নয়, সারা দেশেই সেচ ব্যবস্থায় ঘাটতি ও জলাবদ্ধতা বেড়েছে। এতে কৃষি উৎপাদন ব্যাহত হওয়ার পাশাপাশি জনজীবনে দুর্ভোগ সৃষ্টি হয়েছে। তিনি বলেন, খাল দখলকারীদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে এবং কৃষি রক্ষায় খাল খনন ও পুনরুদ্ধারের কোনো বিকল্প নেই।
শনিবার (১১ এপ্রিল) দুপুর ২টায় চুয়াডাঙ্গার আলমডাঙ্গা উপজেলার বেলগাছি ইউনিয়নের ইছেরদাড়ী মোড়ে খাল খনন কর্মসূচির শুভ উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
এ সময় মন্ত্রী কোদাল দিয়ে মাটি কেটে খাল পুনঃখনন কার্যক্রমের উদ্বোধন করেন। প্রকল্প সূত্রে জানা যায়, ইছেরদাড়ী মোড় থেকে শুরু হওয়া প্রায় ৭কিলোমিটার দৈর্ঘ্যের খাল পুনঃখননে ১ কোটি ৫১ লাখ ৩৬ হাজার টাকা ব্যয় ধরা হয়েছে। খালের তলদেশের গড় প্রস্থ ৭
মিটার এবং গড় গভীরতা ১ দশমিক ৫ মিটার নির্ধারণ করা হয়েছে। প্রকল্পটি বাস্তবায়িত হলে সরাসরি প্রায় ৫ হাজার ২০০ মানুষ উপকৃত হবেন। পানিসম্পদ মন্ত্রী আরও বলেন, অতীতে দেশের বহু খাল লিজ দেওয়া ও দখলের কারণে তাদের স্বাভাবিক প্রবাহ বাধাগ্রস্ত হয়েছে। ফলে কৃষি উৎপাদন কমে যাওয়ার পাশাপাশি জলাবদ্ধতা বৃদ্ধি পেয়েছে। তিনি জানান, সারাদেশে নদী, খাল ও জলাশয় খনন, পুনঃখনন এবং পুনরুদ্ধারের মাধ্যমে কৃষি উৎপাদন বৃদ্ধি ও জলাবদ্ধতা নিরসনে সরকার কাজ করছে। তিনি বলেন, খাল খনন কর্মসূচি বাস্তবায়নের পাশাপাশি খালের দুই পাশে বৃক্ষরোপণ করা হবে। এতে পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষা ও পানির স্তর পুনরুদ্ধারে সহায়ক ভূমিকা রাখবে। পাশাপাশি খালে মাছ চাষ ও হাঁস পালনের সুযোগ সৃষ্টি হবে, যা গ্রামীণ অর্থনীতিকে আরও শক্তিশালী করবে। মন্ত্রী হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেন, খাল খনন কার্যক্রমে কোনো ধরনের অনিয়ম বরদাস্ত করা হবে না। এ ক্ষেত্রে জিরো টলারেন্স নীতি অনুসরণ করা হবে এবং কাজের গুণগত মান বজায় রেখে বর্ষা মৌসুমের আগেই খননকাজ শেষ করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন চুয়াডাঙ্গার জেলা প্রশাসক মিজ লুৎফুন নাহার, চুয়াডাঙ্গা পুলিশ সুপার মোহাম্মদ রুহুল কবীর খান, চুয়াডাঙ্গা জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক মো. শরীফুজ্জামান শরীফ, চুয়াডাঙ্গা পানি উন্নয়ন অধিদপ্তরের নির্বাহী প্রকৌশলী আরিফ আহমেদসহ জেলা ও উপজেলার বিভিন্ন দপ্তরের কর্মকর্তা এবং স্থানীয় রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ।


















