পানির প্রাপ্যতা ও সাম্যের জয়গান: দামুড়হুডায় বিশ্ব পানি দিবস পালিত
- আপডেট সময় : ০৭:০৮:৪৭ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ৩০ মার্চ ২০২৬ ৫৫ বার পড়া হয়েছে

মোঃ নাঈম উদ্দীন
স্টাফ রিপোর্টার, চুয়াডাঙ্গা।
“পানির প্রবাহ যেখানে, সাম্যের হাসি সেখানে”—এই প্রতিপাদ্যকে সামনে রেখে চুয়াডাঙ্গার দামুড়হুদা উপজেলার চিৎলায় উৎসবমুখর পরিবেশে পালিত হলো বিশ্ব পানি দিবস-২০২৬।
আন্তর্জাতিক সংস্থা Water.org ও দেশের অন্যতম উন্নয়ন সংস্থা ওয়েভ ফাউন্ডেশন-এর যৌথ উদ্যোগে এবং বিলাসী মহিলা সমিতি-এর আয়োজনে আজ সোমবার (৩০ মার্চ) এই সচেতনতামূলক অনুষ্ঠান ও আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়।
সাধারণত প্রতি বছর ২২ মার্চ বিশ্বব্যাপী পানি দিবস পালিত হলেও, এ বছর পবিত্র ঈদুল ফিতরের দীর্ঘ ছুটির কারণে নির্ধারিত সময়ে অনুষ্ঠান করা সম্ভব হয়নি। জনগুরুত্বপূর্ণ এই দিবসটির তাৎপর্য সাধারণ মানুষের দোরগোড়ায় পৌঁছে দিতে আজ ৩০ মার্চ বিলম্বে হলেও অত্যন্ত গুরুত্বের সাথে দিবসটি পালন করা হয়।
অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন দামুড়হুদা উপজেলা সমাজসেবা কর্মকর্তা মো. তোফাজ্জল হক। বিশেষ অতিথি ও সভাপতিত্ব করেন ওয়েভ ফাউন্ডেশনের ইউনিট ম্যানেজার মো. মিরাজুল ইসলাম। এছাড়াও উপস্থিত ছিলেন সহকারী ইউনিট ম্যানেজার (শাখা-০০৪, গুলশান পাড়া) মোছা. সাহিনা আক্তার এবং সিডিও মো. রাকিবুজ্জামান।
প্রধান অতিথির বক্তব্যে মো. তোফাজ্জল হক বলেন:
“নিরাপদ পানি ও স্যানিটেশন কেবল বিলাসিতা নয়, এটি মানুষের মৌলিক অধিকার। গ্রামীণ নারীদের জীবনমান উন্নয়নে এবং জনস্বাস্থ্য রক্ষায় পানির সঠিক ব্যবস্থাপনা ও অপচয় রোধে আমাদের সকলকে সচেতন হতে হবে। ঈদের ছুটির কারণে দিবসটি উদযাপনে কিছুটা বিলম্ব হলেও এর মূল বার্তাটি অত্যন্ত সময়োপযোগী।”
বিলাসী মহিলা সমিতির সভানেত্রী ফেরদৌসী, সম্পাদিকা মিনা এবং কোষাধ্যক্ষ ময়না-এর নেতৃত্বে সমিতির মোট ৩০ জন সদস্য এই আয়োজনে সক্রিয়ভাবে অংশগ্রহণ করেন।
সভায় বক্তারা বলেন, বাড়ির দৈনন্দিন কাজে পানির প্রধান ব্যবহারকারী হিসেবে নারীরাই পারেন পানির টেকসই ব্যবহার নিশ্চিত করতে। সাম্য ও উন্নয়নের জন্য নিরাপদ পানির প্রাপ্যতা নিশ্চিত করা এখন সময়ের দাবি।
অনুষ্ঠানে নিরাপদ পানির ব্যবহার, বৃষ্টির পানি সংরক্ষণ এবং স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলার বিষয়ে উপস্থিত সদস্যদের শপথ বাক্য পাঠ করানো হয়।
আয়োজক সংস্থা ওয়েভ ফাউন্ডেশন ও Water.org-এর প্রতিনিধিরা ভবিষ্যতে এই এলাকায় বিশুদ্ধ পানির সংকট নিরসনে আরও কার্যকর ভূমিকা রাখার প্রতিশ্রুতি ব্যক্ত করেন।



















