এএসপি দম্পত্তির সম্পদের পাহাড়, দুদকে মামলা।
- আপডেট সময় : ০৩:১৮:৩০ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৬ ফেব্রুয়ারী ২০২৬ ১০৭ বার পড়া হয়েছে

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ
অবৈধ সম্পদ অর্জন ও সম্পদের তথ্য গোপনের অভিযোগে রাজশাহীর গোদাগাড়ী সার্কেলের সহকারী পুলিশ সুপার (এএসপি) মীর্জা মো. আব্দুস সালাম ও তার স্ত্রী শাহানা পারভীনের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করেছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)।
সোমবার (১৬ ফেব্রুয়ারি) সকালে দুদকের সহকারী পরিচালক মো. ইসমাইল হোসেন বাদী হয়ে রাজশাহী সমন্বিত জেলা কার্যালয়ে মামলাটি রুজু করেন।
সম্পদ গোপনের অভিযোগ মামলার এজাহারে উল্লেখ করা হয়, শাহানা পারভীন ২০২৪ সালের ১৮ আগস্ট দাখিল করা সম্পদ বিবরণীতে ২১ লাখ ৭৪ হাজার টাকার সম্পদের তথ্য দেন। কিন্তু দুদকের অনুসন্ধানে তার নামে প্রায় ৯৫ লাখ ১৬ হাজার টাকার স্থাবর ও অস্থাবর সম্পদের সন্ধান পাওয়া যায়। অর্থাৎ প্রায় ৭৩ লাখ ৪২ হাজার টাকার সম্পদের তথ্য গোপন করা হয়েছে বলে অভিযোগ।
এছাড়া তার বৈধ আয় ৭ লাখ ১৪ হাজার টাকা হলেও পারিবারিক ব্যয়সহ মোট সম্পদের পরিমাণ দাঁড়ায় ১ কোটি ২ লাখ ৮০ হাজার ৭৫০ টাকা। ফলে ৯৫ লাখ ৬৬ হাজার ৭৫০ টাকার সম্পদ জ্ঞাত আয়ের উৎসের সঙ্গে অসংগতিপূর্ণ বলে দুদকের অনুসন্ধানে উঠে এসেছে।
স্বামীর বিরুদ্ধেও সহায়তার অভিযোগ
মামলায় অভিযোগ করা হয়, এএসপি মীর্জা মো. আব্দুস সালাম সরকারি চাকরির ক্ষমতার অপব্যবহার করে দুর্নীতির মাধ্যমে অর্জিত অর্থ দিয়ে স্ত্রীর নামে সম্পদ গড়ে তুলতে সহায়তা করেছেন।
এ ঘটনায় দুর্নীতি দমন কমিশন আইন, ২০০৪ এর ২৬(২) ও ২৭(১) ধারা, দুর্নীতি প্রতিরোধ আইন, ১৯৪৭ এর ৫(2) ধারা এবং দণ্ডবিধির ১০৯ ধারায় মামলা দায়ের করা হয়েছে।
দুদকের সহকারী পরিচালক মো. ইসমাইল হোসেন জানান, তদন্তে অন্য কারও সম্পৃক্ততা পাওয়া গেলে তাদের বিরুদ্ধেও আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
অভিযোগ অস্বীকার তবে এএসপি মীর্জা মো. আব্দুস সালাম মামলাকে ভিত্তিহীন দাবি করে বলেন, “আমাদের বৈধ ট্যাক্স দেওয়া আছে। এগুলো আমার স্ত্রীর পারিবারিক সম্পত্তি। হয়রানি করতেই এ মামলা করা হয়েছে।
উল্লেখ, রাজশাহী মহানগর গোয়েন্দা শাখায় থাকা কালে অবৈধ আয়ে নগরীর বহরমপুরে বহুতলা বাড়ি করেন। গোয়েন্দা শাখায় পরিদর্শক মীর্জা আব্দুস সালাম ব্যাপক অনিয়ম দূর্নীতি, আটক ব্যানিজ্যসহ মাসিক মাসোহারা উত্তোলনের অভিযোগে সংবাদ প্রকাশ হয়।






















